• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

সিঙ্গাপুরে ট্রাম্প-কিমের নিরাপত্তায় নেপালের গোর্খা বাহিনী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০৬ জুন ২০১৮, ১৪:৫৮ | আপডেট : ০৬ জুন ২০১৮, ১৫:০৭
সব কিছু ঠিক থাকলে ১২ জুন সাক্ষাৎ হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের। আর ওই ঐতিহাসিক দিনে নেপালের যোদ্ধাবাহিনী গোর্খারাই সামলাবেন নিরাপত্তার দায়িত্ব। দুই নেতার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়াও বিশেষ দায়িত্ব পালন করবে ওই গোর্খা বাহিনী। খবর আনন্দবাজার।

পরনে বর্ম, হাতে বেলজিয়ামের তৈরি বিশেষ স্কার কমব্যাট রাইফেল এবং পিস্তলসহ বৈঠকের দিন নিরাপত্তা নিয়ে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকবে গোর্খা বাহিনী। দুই নেতার নিরাপত্তার জন্য গোর্খা বাহিনীর কাছে থাকবে খুকরি এবং পায়ের হোলস্টারে অ্যাসল্ট রাইফেলও।

সিঙ্গাপুরের এলিট পুলিশের বিশেষ গোর্খা বাহিনীই রয়েছে এই দায়িত্বে। সম্মেলন স্থান, দুই নেতার যাত্রাপথ, রাস্তা, হোটেলেও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন তাঁরা। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসের বৈঠকের সময়ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন গোর্খা নিরাপত্তা কর্মীরাই। এমনিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে গোর্খা বাহিনীদের খুব একটা চোখে পড়ে না সিঙ্গাপুরে। তবে কয়েকদিন ধরেই সাংরি-লা হোটেলকে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে রেখেছে তারা।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সঙ্গে মিয়ানমারের চুক্তি সই
--------------------------------------------------------

সাধারণত বিশেষ কোনও বৈঠকে নিরাপত্তার খাতিরেই গোর্খা বাহিনীর সাহায্য নেয়া হয়। ট্রাম্প-কিমের ঐতিহাসিক বৈঠকে তাই নিরাপত্তার ঘেরাটোপ তৈরি করবেন সুদূর নেপালের গোর্খারাই।

সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনীর তরফে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টিম হাক্সলি বলেন, নিরাপত্তার দিক থেকে সিঙ্গাপুর অন্যতম সেরা। গোর্খা বাহিনী অত্যন্ত সুকৌশলী। বিশেষ পরিস্থিতিতে কাজ করার প্রশিক্ষণও রয়েছে তাদের। তার কথায়, খুকরিই গোর্খাবাহিনীর অন্যতম অস্ত্র। খুকরি ছাড়া কোনও রকম অভিযানের দায়িত্বই তারা পালন করে না। যতবারই অস্ত্রটি খাপ থেকে বের করতে হবে, ততবারই রক্ত ঝরাতে হবে, এমনটাই নিয়ম রয়েছে তাদের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, গোর্খা বাহিনীকে দিয়ে ইতোমধ্যেই ‘ট্রায়াল রান’ দেয়া হয়েছে সিঙ্গাপুরে।

আরও পড়ুন :

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়