• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী মিশরের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০৬ জুন ২০১৮, ১১:৪৩ | আপডেট : ০৬ জুন ২০১৮, ১২:৪০
মিশরের প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল মঙ্গলবার তার সরকারের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। চার বছর মেয়াদে দ্বিতীয় দফায় মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি শপথ নেয়ার তিনদিন পর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। খবর দ্য নিউ আরবের।

মিশরের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী, নতুন প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শুরু হওয়া পর সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়। যদিও প্রেসিডেন্ট সিসি তার ক্ষমতাবলে মন্ত্রিসভায় রদবদল করবেন।

সিসি ও ইসমাইলের মধ্যকার সম্পর্ক বেশ মধুর। মিশরের সামরিক প্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট বনে যাওয়া সিসি প্রায় জনসম্মুখে তার প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন।

এর আগে গেলো বছরের শেষদিকে  চিকিৎসার জন্য জার্মানি গিয়েছিলেন ইসমাইল। তবে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর দেখা যায়, ইসমাইল বেশ খানিকটা ওজন হারিয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আবারও কিছুটা ওজন বেড়েছে ইসমাইলের। তবে মিশরীয় এই প্রধানমন্ত্রী কী ধরনের অসুস্থতায় ভুগছেন সেটি কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ইংল্যান্ড দলের ১৮ হাজার টাকার পোশাকের মজুরি ১৮৮ টাকা!
--------------------------------------------------------

ইসমাইলের পদত্যাগের বিষয়টি ঘোষণা দিয়েছেন

প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র বাসাম রাদি। তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সরকারকে অন্তর্বর্তীকালীন অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সিসি।

২০১৩ সালে গণবিক্ষোভের পর তৎকালীন সামরিক প্রধান সিসি মিশরের প্রথম অবাধ নির্বাচনে বিজয়ী প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মোরসিকে উৎখাত করেন। পরে ২০১৪ সালে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন সাবেক এই সামরিক কর্মকর্তা।

এদিকে চলতি বছরের নির্বাচনে তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মৌসা মোস্তাফা মৌসা। তবে তিনি নিজেও সিসির সমর্থক বলে পরিচিত। এছাড়া অন্যান্য সব রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয় গ্রেপ্তার করা হয়, না দূরে সরিয়ে রাখা হয় বা নাম প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে মিশরের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আছেন ইসমাইল।

আরও পড়ুন :

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়