• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মারণাস্ত্র ব্যবহার কমছে

মুক্তা মাহমুদ
|  ২৯ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:৩৯ | আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৮, ০৮:৫১
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মারণাস্ত্রের ব্যবহার অনেক কমেছে বলে দাবি করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ২০১৬ সালে বিএসএফ ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে ৯৯ বার। যা ২০১৭ সালে নেমে আসে ২৬ বার। আর চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত কেবল একবার ব্যবহার করা হয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্তে হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি কর্মকর্তাদের। তবে এখনও চ্যালেঞ্জ আছে সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে।

সম্প্রতি ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সে দেশের সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সুন্দরবনের ভারত অংশে হাসনাবাদ টাকি চরল্যান্ডের প্রায় ৯১৩ দশমিক দুই চার কিলোমিটার সীমান্ত দেখভালের দায়িত্বে দক্ষিণ বাংলা ফ্রন্টিয়ারের। সীমান্তে বিএসএফ প্রাণনাশক ও মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহারে অনেক সতর্ক রয়েছেন।

বিএসএফ সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে এ সীমান্তে মারা গেছেন নয় বাংলাদেশি। ২০১৭ সালে তিনজন আর চলতি বছরের এখন পর্যন্ত হত্যার ঘটনা ঘটেনি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : রামপুরায় ১১তলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
--------------------------------------------------------

এদিকে সীমান্ত রক্ষায় বিজিবি ও বিএসএফ ২০১৬ সালে দিনের বেলা যৌথ মহড়া দিয়েছে ২ হাজার ৭ শ’ ৭৬ বার যা ২০১৭ সালে ছিল ৩ হাজার ৩শ ৫৪ বার। ২০১৬ সালে ৪৫৯ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করছে বিএসএফ। ২০১৭ সালে ৩৫৮ আর চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১২২ জন হস্তান্তর করা হয়েছে।

দক্ষিণ বাংলা ফ্রন্টেয়ার ভারপ্রাপ্ত আইজি আজমল সিং দাবি করেন, যশোর সীমান্তের আট কিলোমিটার এলাকাকে পুরোপুরি অপরাধমুক্ত ঘোষণা করা না গেলেও একে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ধরে সীমান্ত সুরক্ষায় কাজ চলছে। সীমান্ত পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভাল। যা সম্ভব হচ্ছে দুই দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টায়।

আরও পড়ুন : 

এমসি/জেএইচ  

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়