• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
সুখবর দিলেন মেহজাবীন
‘বোরকা পরে গেলেও মানুষ চিনে ফেলে’
আনিকা কবির শখ। একসময় ছিলেন তুমুল ব্যস্ত। নিয়মিত অভিনয় করতেন নাটক কিংবা বিজ্ঞাপনে। হঠাৎ করেই ব্যস্ততা ফেলে তিনি থিতু হন সংসারজীবনে। সম্প্রতি এই অভিনেত্রী অতিথি হয়ে এসেছিলেন আরটিভির টকশো ‘ঈদ কার্ণিভাল’-এ। সেখানে তিনি কথা বলেন নানা বিষয় নিয়ে।  অনুষ্ঠানে শখ বলেন, আমি আজকে একটা সিক্রেট বলে দিতে চাই। এটা অনেকেই জানে না। আমি একদমই যখন লোকালভাবে বাইরে যাই, তখন বোরকা পরি। তখনও দেখা যায়, অনেকে চোখ দেখে চিনে ফেলে।  তিনি আরও বলেন, বিষয়টি সত্যিই সারপ্রাইজিং।  সংসার-সন্তান নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও এবার ঈদে শখ অভিনীত ওয়েভ ফিল্ম ‘ত্রিভুজ’ মুক্তি পেয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকও প্রচার হচ্ছে টিভিতে। 
সুখবর দিলেন শবনম ফারিয়া
‘শেষমেশ’, যে গল্প কাঁদিয়েছে দর্শকদের
‘ধর্ম মানেই পূজা করতে হবে বা নামাজ পড়তে হবে, এমনটা আমি মানি না’
তারকাদের পহেলা বৈশাখ
ঈদ আসলে এখন মনে হয় বড় হয়ে গিয়েছি : ইভানা
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। সাধারণ মানুষ তো বটেই ঈদের খুশি সবার সাথে ভাগ করার জন্য তারকারাও মুখিয়ে থাকে এই দিনটির জন্য। শত ব্যস্ততার মাঝেও তারকারা এ সময় নিজের পরিবারকে সময় দেন। ঘুরতে যান বন্ধুদের সাথে। আরটিভির ঈদ আয়োজনে ঈদ সহ নানা বিষয় নিয়ে কথা হলো বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী ইভানার সাথে।  আরটিভি : ঈদ কোথায় করলেন?  ইভানা: ঈদ ঢাকাতেই করেছি। আর এখন ঈদ নিয়ে তেমন পরিকল্পনা থাকে না। ছোট বেলায় আগে অনেক প্লেন করতাম। মেহেদী দিবো, চাঁদরাতে ঘুরবো, ঈদের দিন ঘুরবো। কিন্তু এখনকার ঈদ নিয়ে তেমন কিছুই করা হয়না। কারণ কাজিনদের অনেকের বিয়ে হয়ে গেছে। এবার ঈদটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল কারণ তিন বছর পর মা বাংলাদেশে এসেছে। ঈদে মায়ের হাতের রান্না খেয়েছি অনেক বছর পর।  আরটিভি : তারকা হওয়ার আগের ঈদ ও এখনকার ঈদে কি পার্থক্য?  ইভানা : তারকা হওয়ার আগের ঈদ গুলোই ভালো ছিল। আসলে এক একটা বয়স থাকে। বয়সের সাথে সাথে পারিপার্শ্বিক অবস্থাও পরিবর্তন হয়। ঈদ আসলে এখন মনে হয় বড় হয়ে গিয়েছি। আগে সালামি নিতাম এখন দিতে হয়। সত্যি কথা বলতে এখন আর আগের মত ঈদ ঈদ ভাইভটা পাইনা। আমি খবুই সাধারণ মানুষ। আমি নিজেকে কখনোই তারকা মনে করি না। হয়তো মানুষ ভালোবাসে পছন্দ করে বলেই তারকা বলে ডাকে। আমি নিজেকে কখনোই বড় কিছু মনে করিনা। আমি খুব সাধারণ ভাবেই জীবন কাটাই।  আরটিভি : ঈদ নিয়ে মজার কোন স্মৃতি? ইভানা: ঈদ নিয়ে অনেক ছোট বেলার মজার স্মৃতি আছে। ছোটবেলায় যৌথ পরিবার ছিলো। তখন অন্যরকম আনন্দে ঈদ কাটতো। প্রতিটা বাসায় গিয়ে সবার কাছ থেকে সালামি নিতাম। কে কত কার থেকে সালামি পেয়েছি সেটি গুনতাম। সালামির টাকা দিয়ে কি কিনবো টা প্লেন করতাম। আব্বুকে নিয়ম করে দিয়েছিলাম আমাকে সবচেয়ে বেশি সালামি দিতে হবে। আম্মু গৃহিনী ছিলো তাও আম্মুর থেকে সালামি নিতাম। আম্মু আবার আমারকে বলতো কে কত সালামি দিয়েছে? সেই টাকা গুলো দিতে কিন্তু আমি দিতাম না। আসলে ঈদ নিয়ে মজার স্মৃতি বলে শেষ করা যাবে না। আর এখন আমার কাছে ঈদের আনন্দ মানে কাজ দেখে দর্শকদের ভালোবাসা পাওয়াটা।
‘বাবাকে ছাড়া কেমন যেন শূন্য মনে হয় নিজেকে’
চলছে ঈদ। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সবার মাঝেই দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন আমেজ। পরিবারের সাথে ঈদ করতে অনেকেই গিয়েছেন দেশের বাড়ি। পাশাপাশি এই ছুটিতে বাড়তি আনন্দ যোগ করতে টিভি চ্যানেল, ওটিটি, ইউটিউবে আসছে অনেক নতুন নাটক, ওয়েবফিল্ম শুরু করে নানান ধরনের কন্টেন্ট। পাশাপাশি নিজেকে একটু সবার থেকে ভিন্ন করে সাজাতে নিচ্ছেন অনেকেই অনেক প্রস্তুতি। সবকিছু মিলিয়ে পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও।  এদিকে একটা সময় উৎসব মানেই অপূর্বর নাটক, কখনো কখনো সে সংখ্যা ছাড়িয়ে যেত চল্লিশেরও বেশি। তবে মানের দিকে গুরুত্ব দিয়ে এখন নাটকের সংখ্যা কমিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ব্যস্ততা বাড়িয়েছেন ওটিটিতে। ছিল ঈদুল ফিতর। শিল্পী-কলাকুশলী থেকে শুরু করে সবাই মেতেছিলেন ঈদ আনন্দে। প্রতিবারের মতো এবার ঈদের দিনটিও পরিবারের সঙ্গেই কাটিয়েছেন অপূর্ব। মা ও বড় ভাইদেরকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরার নিজ-বাসাতেই দিনটি উদযাপন করেন তিনি। তবে বাবাকে হারিয়ে বিষণ্ণ এই অভিনেতা। জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বলেন, বাবাকে ছাড়া কেমন যেন শূন্য মনে হয় নিজেকে। ঈদের দিন বাবার কথা ভীষণ মনে পড়েছে। খুব মিস করেছি, এখনো করছি। সবকিছু থেকেও কি যেন একটা নেই।  তিনি আরও বলেন, ঈদ সব সময়ই আনন্দের। তবে ছোটবেলার ঈদের আনন্দগুলো ছিল অন্যরকম। তখন একদম টেনশন ফ্রি ছিলাম। হাসতাম, ঘুরতাম, আড্ডা দিতাম। ওই সময়ের প্রত্যেকটা দিনই ছিল বেশ আনন্দের। সে সময়ের আনন্দটা এখনকার সময়ের কাছে কিছুই না। সে সময়ের সঙ্গে এখনকার তুলনা করা চলে না। এটা যে শুধু আমার ক্ষেত্রে তা নয়, এটা সব বড়দের ক্ষেত্রেই। বড়রা আসলেই দুর্ভাগা, সেদিক থেকে ছোটরা অনেক সৌভাগ্যবান। 
প্রতিবছর আমার জন্য রানী টাইপ ড্রেস নিয়ে আসতেন : ফারিন খান
ঈদুল ফিতরের আজ দ্বিতীয় দিন। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সবার মাঝেই দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন আমেজ। পরিবারের সাথে ঈদ করতে অনেকেই গিয়েছেন দেশের বাড়ি। পাশাপাশি এই ছুটিতে বাড়তি আনন্দ যোগ করতে টিভি চ্যানেল, ওটিটি, ইউটিউবে আসছে অনেক নতুন নাটক, ওয়েবফিল্ম শুরু করে নানা ধরণের কন্টেন্ট। পাশাপাশি নিজেকে একটু সবার থেকে ভিন্ন করে সাজাতে নিচ্ছেন অনেকেই অনেক প্রস্তুতি। সবকিছু মিলিয়ে পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও। ঈদ নিয়ে পরিকল্পনা ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আরটিভির সঙ্গে কথা হলো ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী ফারিন খানের সঙ্গে। জানালেন ঈদ পরিকল্পনা সহ নানা কথা। আরটিভি : ঈদ কেমন কাটলো?  ফারিন : ঈদ সবসময় সাভারেই করি। অনেকেই মনে করেন আমার বাড়ি সাভারে। কিন্তু আমার আসল বাড়ি ইন্ডিয়ার বহরমপুরে। তারপর বাংলাদেশে আসার পর কুষ্টিয়ায় মাঝে মাঝে ঈদ করেছি। ইন্ডিয়ায় তেমনভাবে আমার ঈদ করা হয়নি। ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে সেখানে ঈদ করার। এবার ঈদ সাভারেই করেছি। আমি একটি এতিমখানার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি। ঈদের দিন ওখানেহ সময় দিয়েছি। ওদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। দুই বছর হলো আমি আমার ছোট খালুকে মিস করছি। কারণ দুই বছর হলো তিনি মারা গেছেন। উনার সাথে আমার ঈদের অনেক স্মৃতি আছে। আমার খালু বাংলাদেশ ব্যাংকে জব করতো ওখান থেকে বাসায় ফেরার আগে মানে সন্ধ্যার দিকে আমি তখন রোজ তাদের বাসায় যেতাম। দেখতাম নতুন জামা এনেছে কিনা? খালু রোজ বলতেন অনেক খুঁজেছি কিন্তু ভালো ড্রেস পায়নি। দেখা যেত ঈদের আগের দিন রাতে কল দিতেন বলতেন আমার জন্য সারপ্রাইজ আছে। আমি বাসায় গিয়ে আলমারি থেকে নতুন জামা বের করতাম। প্রতিবছর খালু আমার জন্য রানী টাইপ ড্রেস নিয়ে আসতেন। খালুকে এ বছর অনেক মিস করেছি। আরটিভি : ঈদ নিয়ে মজার কোন স্মৃতি? ফারিন : ছোট বেলায় ঈদে সালামির জন্য নতুন একটা ব্যাগ কিনতাম। আর ঐ ব্যাগ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যেতাম সালামি নেয়ার জন্য।     আরটিভি : তারকা হবার পর ঈদ কেমন কাটছে?  ফারিন : নিজের কাজ নিয়ে আসলে ঈদ কাটে তারকা হওয়ার পর। এবার ঈদেও আমার আটটি কাজ মুক্তি পাচ্ছে। সবাইকে দেখার অনুরোধ রইলো।  আরটিভি : ঈদে কোন কোন সিনেমা দেখা হবে?  ফারিন : শাকিব ভাই আমার অনেক পছন্দের নায়ক। তার কোন কাজ আমি মিস করি না। সবার আগে শাকিব ভাইয়ের রাজ কুমার দেখবো। এরপর মুক্তি পাওয়া সব সিনেমা গুলোই দেখবো।   
ছয় নাটক নিয়ে সজীবের ঈদ
চলছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর। আর সেই আনন্দের পাল্লা ভারী করতে শোবিজ অঙ্গনেও আছে বিস্তর আয়োজন। যেমন তরুণ নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব একাই বানালেন ছয়টি নাটক। গত ক’বছরে নির্মাণে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। এবার হাত খুলে কাজ করলেন দর্শকের জন্য। ঈদ উপলক্ষে তরুণ তারকাদের নিয়েই দেড় হালি নাটক বানিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে পাঁচটি নাটকে আছেন হালের জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। আর একটি নাটকের নায়ক ইয়াশ রোহান। নাটকগুলো হলো, ‘কুমিরের দরজা’ (খায়রুল বাসার ও সাবিলা নূর), ‘আমি এখানেই থাকবো’ (খায়রুল বাসার ও আনিকা বিনতে কামাল আইরা), ‘কথা বন্ধু’ (ইয়াশ রোহান ও কেয়া পায়েল), ‘একটু আধটু প্রেম’ (খায়রুল বাসার ও সাফা কবির), ‘ভালো মানুষ’ (খায়রুল বাসার ও সামিরা খান মাহি) এবং ‘আজকাল তুমি আমি’ (খায়রুল বাসার ও সাদিয়া আয়মান)। কাজগুলো প্রসঙ্গে নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব বললেন, আমি বিশ্বাস করি গল্পের সময় ফিরে এসেছে। এখন ভালো ভালো গল্পের কাজ দর্শক গ্রহণ করছেন। এই ঈদে তাই খুব সুন্দর ছয়টি গল্পের নাটক নিয়ে আসছি। চেষ্টা করেছি কাজগুলোতে ভিন্নতা রাখতে। আশা করি দর্শক সেই বৈচিত্র্য উপভোগ করবেন। নির্মাতা জানিয়েছেন, ঈদে নাটকগুলো বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার হবে, অতঃপর পাওয়া যাবে ইউটিউবে।
ঈদে আরটিভির পর্দায় নিলয়ের ‘এক পায়ে জুতা’
ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকা জুটি নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। ইতোমধ্যে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছেন এই জুটি। খুব অল্প সময়েই দর্শকদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন নিলয়-হিমি। আসন্ন ঈদুল ফিতরে আরটিভির পর্দা মাতাতে আসছেন দর্শকপ্রিয় এই জুটি।    জানা গেছে, ‘এক পায়ে জুতা’ নামের একটি নাটকে দেখা যাবে নিলয়-হিমিকে। মুরসালিন শুভর রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালনাক সোহেল হাসান।   নাটকের গল্পে দেখা যাবে, শুভ পড়াশুনা শেষ করে চাকরি খুজছে। ঢাকায় একটা মেসে থাকে সে। প্রাইভেট পড়িয়ে খরচ চালায় এবং বিভিন্ন চাকুরির ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছে। জেরিনকে প্রাইভেট পড়ায় শুভ। কিন্তু জেরিনের পড়ায় মন নেই। সে শুভকে তার ফোন থেকে একটা মেসেজ লিখে একজনকে পাঠাতে বলে যার সঙ্গে জেরিনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। কাজটি করতে রাজি হয় না শুভ। কিন্তু জেরিন শুভকে ইমশোনালি ব্ল্যাকমেল করে রাজি করায়। তবে এতেও থেমে যায়নি জেরিন।   পরেরদিন পরিবারের লোকজন নিয়ে দেখতে আসে ছেলেকে শুভর সঙ্গে প্রেম করছে জেরিণ। পাত্র হতভাগা বিয়ে করবে না বলে কথা দেয়। পরের দিন জেরিনকে পড়াতে যায় শুভ কিন্তু জেরিন বলে একটা ঝামেলা হয়ে গেছে বাবা আমাদের প্রেমের বিষয়ে  সব কিছু জেনে গেছে। বাবা আপনার সঙ্গে কথা বলবে। এ কথা শুনেতো শুভর গলা শুকিয়ে যায়, মাথা ঘুরতে থাকে। এর মাঝেই জেরিনের বাবা এসে শুভকে গম্ভীর গলায় বলে তোমার ব্যাপারে জেরিন আমাকে সব বলেছে। একটা ঠিকানা দিয়ে পরের দিন সেখানে ইন্টারভিউ দিতে যেতে বলে।  পরেরদিন শুভ রেডি হয়ে ইন্টারভিউ দিতে যায়। কিন্তু ভিরের মধ্যে বাস থেকে নামতে গিয়ে তার পায়ের একটা জুতা গাড়িতে থেকে যায়। শুভ এক পায়ে জুতা পরে আর এক পা শূন্য করে অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থাকে বাস চলে যায়। সে  এক পায়ে জুতা নিয়েই শুভ হাজির হয় ইন্টারভির স্থানে। সেখানে গিয়ে একজনের সঙ্গে খাতির জমায় তার জুতা পরে ইন্টারভিউ ফেস করতে চেয়েছিল কিন্তু সে জুতা পায়ে লাগছে না। এই এক পায়ে জুতা নিয়ে তো ইন্টারভিউও দেওয়া যায় না। তাই দ্রুত বেড়িয়ে পরে জুতার সন্ধানে।   একটি দোকানে ঢুকে দোকানদারকে রিকোয়েস্ট করে একজোড়া জুতা ভাড়া দেওয়ার জন্য কিন্তু দোকানদার রাজি না হয়ে রেগে গিয়ে শুভকে দোকা ন থেকে বের করে দেয়।   উপায় না পেয়ে শুভ মুচির কাছে যায় এবং তাকে খুব অনুরোধ করে একজোড়া জুতা ভাড়া দেওয়ার জন্য। সে ইন্টারভিউ দিয়েই ফেরত দিয়ে যাবে। শুভর অসহায় অবস্থা দেখে মুচি রাজি হয়ে একজোড়া জুতা দেয়। শুভ সেই জুতা পরে হাটা শুরু করলেই মুচি দ্রুত সেটা খুলে নেয় কারণ জুতার আসিল মালিক এসে পরেছে জুতা ডেলিভারি নেওয়ার জন্য। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।  নিলয়-হিমি অভিনীত ‘এক পায়ে জুতা’ নাটকটির শেষ দেখতে হলে চোখ রাখতে হবে আরটিভির পর্দায়। ঈদের দিন রাত ৯টা ৩০মিনিটে নাটকটি প্রচারিত হবে আরটিভিতে।     
ক্যানসার আক্রান্ত অভিনেত্রী আফরোজার পাশে দাঁড়ালেন ফারহান
বর্তমান সময়ের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান। কেবল অভিনয় নয়, তারকা খ্যাতির বাইরে মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর জন্যও বেশ মানবিক তিনি। সহকর্মী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অসংখ্য মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিনেতা। এদিকে, ছোটপর্দার পরিচিত মুখ আফরোজা হোসেন গত দুই বছর ধরে জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত। এবার এই অভিনেত্রীর চিকিৎসায় দুই লাখ টাকা অর্থ সহায়তা করলেন ফারহান। তিনি ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর থেকে দেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমানে তাকে ভারতে নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ভারতের চিকিৎসক জানান, তার ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মেরুদণ্ড নার্ভের জরুরি একটি অপারেশন করাতে হবে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে নিজের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পারছেন না অভিনেত্রী। তার কয়েকজন সহশিল্পী পাশে দাঁড়ালেও চিকিৎসা ব্যয় চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন এই অভিনেত্রীর পরিবার। এ অবস্থায় তার পাশে দাঁড়ালেন ফারহান। সহকর্মী আফরোজার চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন নগদ ২ লাখ টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করে দীর্ঘ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। তিনি লেখেন, ফারহানের সঙ্গে শুটিং চলাকালীন সময়ে আফরোজা আপার অসুস্থতার কথা কিছুটা বলি তাকে। এরপর তিনি রীতিমতো আগেব প্রবণ হয়ে পড়েন। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মিঠু আপা কত টাকা শর্ট পরেছে? আমি তাকে বলি সম্ভবত ২ লাখ রুপি। এরপর ফারহান ৩০ সেকেন্ডের মতো ভেবেই আমার হাতে ২ লাখ টাকা ক্যাশ দিয়ে দিলেন। তখন গ্রিনরুমে উপস্থিত আমাদের সবার চোখে পানি। সঙ্গে সঙ্গে আফরোজা আপার ছেলেকে ফোন করে ফারহানকে ধরিয়ে দিলাম, আপার ছেলে নাঈম হাউমাউ করে কাঁদছে। তখন ফারহান আপন ভাইয়ের মতো সান্ত্বনা দিচ্ছে। ফারহান এবং তার পরিবারের জন্য আমাদের কলিজার ভেতর থেকে দোয়া ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে। আফরোজা আপাও ভালো আছেন। আল্লাহ মহান, এভাবেই মানবতার জয় হোক। প্রসঙ্গত, এর আগে মুশফিক আর ফারহান তার ম্যানেজার কাম-সহকারী রওশন আলম রায়হানের মৃত্যুর পর তার দিশেহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রয়াত সহকারীর স্বপ্ন পূরণে ঈশ্বরদীর (পাবনা) চরকুরুলিয়া গ্রামে একতলা ছাদের চার রুমের একটি বাড়ি বানিয়ে দিচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি ছোট পর্দার জ্যেষ্ঠ অভিনেতা আলাউদ্দিন লালের চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছিলেন। এছাড়াও আড়ালে তিনি অসংখ্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক অভিনেতা হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।
ঈদে মোশাররফ করিম-তানিয়া বৃষ্টির ‘কপাল মন্দ’
দেশের জনপ্রিয় দুই অভিনয়শিল্পী মোশাররফ করিম ও তানিয়া বৃষ্টি। ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট নাটক-সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বেশ কিছু নাটকে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তানিয়া বৃষ্টিও। এবার আসন্ন ঈদে আরটিভির পর্দা মাতাবেন এই দুই তারকা।   জানা গেছে, ‘কপাল মন্দ’ নামের একটি নাটকে দেখা যাবে মোশাররফ করিম-তানিয়া বৃষ্টিকে। নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক তাইফুর জাহান আশিক। আর নাটকের গল্প, সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন রশিদুর রহমান।  নাটকের গল্পে দেখা যাবে— কপাল মন্দ নিয়ে দুনিয়াতে এসেছে সিদ্দিক। জীবনে যাই করতে যায়, সেটারই ফলাফল হয় উল্টো।   পরীক্ষার সময় অসুখ হয়, ইন্টারভিউ দিতে গেলে দুর্ঘটনা ঘটে। জুতা কিনলে দুই মাপের দুইটা হয়ে যায়। শার্ট কিনলে রং উঠে। প্যান্ট কিনলে ছোট হয়। মাছ কিনলে পঁচা হয়। সব কিছুতেই তার কপাল মন্দ। সিদ্দিককে নিয়ে সবাই মজা করে। ভালো ছাত্র হলেও ফাইনাল পরীক্ষার সময় বার বার অসুস্থ হওয়ায় ফেল করতে করতে আর লেখাপড়াই হয়নি সিদ্দিকের।  রাস্তার পাশে সরকারি জায়গায় সিদ্দিকের বাবা সিরাজ বেপারির ভাতের হোটেল। আর সিদ্দিক তার বাবার ভাতের হোটেলের ম্যানেজার। বাবার দোকান হলেও সিদ্দিকের কৃপণ বাবা তাকে এক বিন্দুও ছাড় দেয় না। তবে তার বাবা মারা যাওয়ার পর এই দোকানের মালিক সিদ্দিকই হবে। তবুও সিদ্দিকের সঙ্গে কর্মচারীর মত ব্যবহার করে তার বাবা। মাঝে মাঝে সিদ্দিক ভাবে তার বাবা মারা যায় না কেন।     সিদ্দিকের স্ত্রী ফাতেমা। সিদ্দিক খুবই ভালো ছেলে হলেও কপাল মন্দের কারণে এখন ফাতেমারও কপাল মন্দ। স্ত্রীকে ভালোবেসে ফাতু বলে ডাকে সিদ্দিক। কিন্তু সিরাজ বেপারি কৃপণ হলেও ফাতেমাকে নিজের মেয়ের মতোই আদর করে। ফাতেমাও তার খুব যত্ন নেয়।   কিন্তু সিদ্দিক ও ফাতেমা পাঁচ বছরের সংসার কিন্তু তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এই বিষয়েও সিদ্দিক ধরেই নিয়েছে কপাল মন্দ লোকের সন্তান হয় না।     সন্তান লাভের আশায় বউকে নিয়ে এক কবিরাজের কাছে যায়। গিয়ে দেখে ওই কবিরাজকে তার ছেলে খুন করেছে নিজে কবিরাজ হওয়ার জন্য। মন্দ কপাল নিয়ে ফিরে আসে স্বামী-স্ত্রী। বাসায় এসে জানতে পারে মেইন রোড আরও প্রশস্ত করবে সরকার। রাস্তার পাশেই তাদের দোকান, তাই সেটাও ভাঙা হবে। এতো এতো সমস্যা মাথায় নিয়ে সিদ্দিক হতাশ হয়ে সিদ্ধান্ত নেয়— তার স্ত্রীকে সে অন্য জায়গায় বিয়ে দিবে। তারপর সে যাযাবর হয়ে পথে পথে ঘুরবে। সিদ্দিকের মুখে এমন কথা শুনে তার স্ত্রী বাবা খেপে যায়। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প। মোশাররফ করিম-তানিয়া বৃষ্টি অভিনীত ‘কপাল মন্দ’ নাটকটির শেষ দেখতে হলে চোখ রাখতে হবে আরটিভির পর্দায়। ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত ৮টা ৩০মিনিটে নাটকটি প্রচারিত হবে আরটিভিতে।