• ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
logo
আমার চোখ এখনও ছলছল করছে: আবুল হায়াত
দেশ আবার আগের মতো সুন্দর ও স্বাভাবিক হবে: মোশাররফ করিম
কোটা সংস্কার আন্দোলনের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে চলছে কারফিউ। এমন পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। তিনি বলেন, আধুনিক সময়ে এসে দেশের এমন স্থবির অবস্থা একেবারেই কাম্য নয়। আশা করছি, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। দেশ আবার আগের মতো সুন্দর ও স্বাভাবিক হবে। মোশাররফ করিম আরও বলেন, কারফিউর এই সময়ে সব কাজ বন্ধ। বাসায় বসে বই পড়ে, টিভিতে খবর দেখে সময় কাটছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত ১৯৭ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি নামানো হয়। একপর্যায়ে সরকার গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে সারাদেশে কারফিউ জারি করে। একই দিনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। এখনো বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। প্রথম দিন দুই ঘণ্টা বিরতি দিয়ে কারফিউ চলে। পরদিন তিন ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হয়। গতকাল ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে চার ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হয়। যদিও সারাদেশে জেলাভেদে এই বিরতি কম-বেশি আছে। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীত বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কারফিউ বহাল থাকবে। তবে আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাত ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ছাড়া বাকি জেলাগুলোতে সিদ্ধান্ত নেবে জেলা প্রশাসন।
আশা করছি শিগগিরই সব ঠিক হয়ে যাবে: মিলন
শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন দিয়ে সবাই একত্রে কাজ করি: টনি ডায়েস
কোটা আন্দোলন / আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাস্তায় নামবেন চমক
চলমান সংকটের দ্রুত সমাধান চান তানজিন তিশা
গুলি করা পুলিশ ভাই কি কাল রাতে ঘুমাতে পেরেছেন: শাওন
কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে উত্তাল সারাদেশ। রাজপথে নেমে এসেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের রেশ ধরে ছাত্রলীগের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনায় শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হয়েছেন, নিহত হয়েছেন ৬ জন। আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন দেশের মানুষ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে যখন সারাদেশ উত্তাল, তখন তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন শোবিজ তারকারাও। ছাত্র-ছাত্রীদের গায়ে হাত তোলায় প্রতিবাদে সরব হন।  বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন লেখেন, বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো এই নিরস্ত্র মানুষটাকে সরাসরি গুলি করা পুলিশ ভাই কি কাল রাতে ঘুমাতে পেরেছেন? উনার কি কোনো সন্তান আছে? সেই সন্তানের চোখের দিকে তাকাতে উনার কি একটুও লজ্জা লাগবে না! সেইসঙ্গে তিনি হ্য্যাশট্যাগ যোগ করে জানান, তিনি কোটা সংস্কারের পক্ষে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন / ৬টি তাজা প্রাণের দায়ভার কে বা কারা নেবে: চমক
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবির আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ৬ জন। আহত হয়েছেন কয়েকশ’। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজেদের মতামত শেয়ার করছেন। বাদ যাননি ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও।  মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে তিনি লিখেছেন, হয়তো দু-একদিনের মধ্যেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। হয় দাবি আদায় হবে, আর না হয় ভাগ্য খুব খারাপ হলে, হবে না। কিন্তু এই যে ছয়টি তাজাপ্রাণ। এটার দায়ভার কে বা কারা নেবে?  চমক আরও লিখেছেন, আর কি কোনো কিছুর বিনিময়ে, তাদের  ফিরিয়ে আনা  যাবে? আমরা মাঝে মাঝে এত নিষ্ঠুর কেনো হই? অভিনেত্রীর এই পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরা নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন। রিয়া মনি নামের একজন লিখেছেন, আল্লাহ রহমত দান করুক ওদের। জি এম মোস্তাফা আসিফ লিখেছেন, কোটা নয় মেধা হোক যোগ্যতার মাপকাঠি। নুরুল আমিন লিখেছেন, আল্লাহ সহায়। তানজিদ নামে আরেকজন লিখেছেন, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আমাদের পাশে থাকার জন্য। 
মারা গেছেন অভিনয় ও আবৃত্তিশিল্পী ক্যামেলিয়া মোস্তফা
অভিনেত্রী ও  আবৃত্তিশিল্পী ক্যামেলিয়া মোস্তফা আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা সাজু খাদেম। সাজু খাদেম জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে তিনি রাজধানীর মহাখালীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। ক্যামেলিয়া মোস্তফা একসময় আবৃত্তি করতেন, অভিনয় করতেন। পরে তিনি বিদেশে পাড়ি জমান। কিছুদিন ধরে দেশেই ছিলেন তিনি। অভিনেত্রীকে সবাই প্রয়াত অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার মেয়ে ও সুবর্ণা মুস্তাফার বোন হিসেবে জানলেও তার বাবা দেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। কন্যা ক্যামেলিয়ার জন্মের পর স্ত্রী হোসনে আরা বিজুর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় তার। পরে তাকে বিয়ে করেন প্রখ্যাত অভিনেতা গোলাম মুস্তাফা। তারপর থেকে মুস্তাফা পরিবারেই বড় হয়েছেন ক্যামেলিয়া।
কোটা আন্দোলন / অভিনয়শিল্পী সংঘের বিজ্ঞপ্তি ঘিরে চলছে তুমুল সমালোচনা
কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল পুরো দেশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই মুখ খুলেছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা। কথা বলেছেন শোবিজের তারকা শিল্পীরাও। জানিয়েছেন নিন্দা। চলমান এই আন্দোলন নিয়ে টিভি নাটকের শিল্পীদের সবচেয়ে বড় সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকেও এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আর তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাঙালির সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১ এবং আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সর্বস্ব বাজি রেখে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন সার্বভৌম এই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের এই ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না। কিন্তু বাঙালি তার শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে যাবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলন নিয়ে আমাদের কিংবা রাষ্ট্র কারও কোনো বিভেদ নেই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর যে কোনো যৌক্তিক রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কিন্তু এই কোটা আন্দোলনকে ইস্যু করে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করছেন এবং রাজাকারদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মনে রাখতে হবে… তুমি কে?, আমি কে?, বাঙালি, বাঙালি… এই শ্লোগান বাঙালি জাতির সবচেয়ে গর্বের শ্লোগান। জয় বাংলা। বিজ্ঞপ্তিটি সংগঠনের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসানও তাদের ফেসবুকে প্রকাশ করেছে। আর সেখানেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সহশিল্পী, নির্মাতাসহ নেটিজনরা। নির্মাতা খিজির হায়াত খান লিখেছেন, আহারে নাসিম ভাই আপনাদের জন্য আমার করুণা হয়। কী বিপদে আছেন আপনারা। জানেন যা লিখছেন, যাদের নিয়ে লিখছেন পুরাটাই ভুল ব্যাখ্যা তারপরও লিখতে হচ্ছে। আমাদের শিল্পী সমাজের মেরুদণ্ড কবে থেকে এত বাঁকা হলো বলবেন কী? লেখক খায়রুল বাসার নির্ঝর লিখেছেন, আহা‌রে, করুণা হয় আপনাদের জন্য। সময় ঠিকই আপনা‌দের স‌ঠিক বিচার কর‌বে। মারুণ কিবরিয়া লিখেছেন, আপনা‌দের দি‌য়ে বলা‌চ্ছে তাই বল‌ছেন। দল পাল্টা‌লে আবার অন‌্য দ‌লের ভাষায় বিবৃ‌তি দে‌বেন। এসব যু‌গে যু‌গে চল‌ছে, চল‌বে। ত‌বে একটা দে‌শের বা এক‌টি সমা‌জের আইকন শিল্পী সমাজ। তা‌দের দে‌খে মানুষ অনুসরণ ক‌রে। সুন্দর‌কে সুন্দ‌র বলা শে‌খে। এখন তো সে সমাজ নেই। দলকানা শিল্পী সমাজ হ‌য়ে গে‌ছে। স‌ত্যি বল‌তে কি জা‌নেন? আমরা মা‌ঠে-ঘা‌টে যখন কাজ কর‌তে যাই তখন অনেকেই কটু কথা ব‌লে আপনা‌দের নি‌য়ে। তখন লজ্জা হয়। আস‌লেই লজ্জা হয়। এমন অসংখ্য মন্তব্য পড়েছে তাদের বিজ্ঞপ্তি ঘিরে।  
কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী চমক
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে। হামলাকারীদের শাস্তিসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।  সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।  শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করে অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক লিখেছেন, চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর, আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী, বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র। এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দেশের প্রত্যেক ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের এই ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগ।
তারা আল্লাহ বা আইনের ভয় করে না: আফজাল হোসেন
একুশে পদকপ্রাপ্ত ও চিরসবুজ খ্যাত অভিনেতা আফজাল হোসেন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায়ই এই গুণী অভিনেতা লেখালেখি করেন ফেসবুকে। এবার তার ওয়ালে দেখা গেল এমনই একটি পোস্ট যেখানে অভিনেতা বলেছেন, অপরাধীরা আইন বা আল্লাহকে ভয় করে না।  শুরুতেই আফজাল লিখেছেন, দেশ অনেক বদলে গেছে। বদলে গেছে বহু মানুষ। একটু ভালো জীবনের আশায় শত চেষ্টা করেও কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য বা কপাল বদলায়নি, বদলেছে কপালের খানিকটা ওপরের দিক। হয় কপালে পড়েছে ভাঁজ অথবা মাথার চুল হতাশার ঠ্যালা গুঁতোয় হয়েছে উধাও। এরপর লেখেন, কষ্টের জীবন নিয়ে মানুষের এত ক্ষোভ, অশান্তি ছিল না। ক্ষোভ আর অশান্তি মন্দ মানুষদের নিয়ে যাদের চাওয়া অশেষ, পাওয়ারও শেষ নেই। ঘোরতর অন্যায় তারা হাসতে হাসতে করতে পারে। অথচ যারা সাধারণ অন্যায়ের দিকে এক পা বাড়াতে কেঁপে মরে। ভাবে, অন্যায় যদি করি দেশের আইন গলা চেপে ধরবে আবার ওপরয়ালাও শেষবিচারের দিন এক চুলও ছাড় দেবেন না। অভিনেতা লিখেছেন, দেশের চোর ডাকাতগুলোর কলিজা বড়। তারা দেশের আইন বা আল্লাহ- কিছুরই ভয় করে না। ভাবে, আমি আমরা সবাইকে তুষ্ট করেই যা করার করছি। অন্যায়কারী অন্যায় একা করে না, অনেককে দিয়ে থুয়েই করে। সেটাই তাদের সাহস ও শক্তি জোগায়। এমনকি এমন তাদের দুঃসাহস, মনে করে থাকে, টাকা কামাতে পারলে আল্লাহকেও ম্যানেজ করা কঠিন হবে না। আরও লেখেন, মাথায় টুপি চড়িয়ে ওপর আর পেছনে ছবি ঝুলিয়ে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা অনেক দেখা যায়। এরকম একজনকে তো বলতেই শুনেছে সবাই এইভাবে যা আয় করেছি, ব্যয় করেছি আল্লাহর পথে। যখন বলেছে এ কথা, চেহারাতে একটুও ভয়ডর দেখা যায়নি। তিনি লেখেন, ভালো মানুষেরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। আমাদের ভয়ডর এত কেন! চোর-ডাকাত লুটেরারা সংখ্যায় বাড়তে বাড়তে নিকট পর্যন্ত এসে গেছে। সেই তাপে কারও কারও মনে হয়, সবাই করছে যখন এক অধটু নিজে করলে অসুবিধা কী! সবশেষে আফজাল লিখেছেন, ভাবা পর্যন্তই। ঠকতে ঠকতে জীবন তলানিতে পৌঁছেছে, তবু একদল মানুষ ভালো হয়ে থাকার বাসনাটা টিকিয়ে রাখে। সে চেষ্টা কি সমাদর পায়? পায় না। যতো আইন তাদেরই নাকের ডগায় সাপের জিহ্বার মতো লকলক করে।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও বলছি, দয়া করে কোটা সংস্কার করে দিন: নিলয়
কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে যার অবস্থান থেকে নিজের মতামত শেয়ার করছেন। বাদ যাননি ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর।  ফেসবুকে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) নিলয় লিখেছেন, আজকের ছাত্রছাত্রীরা আগামী দিনের ভবিষ্যত। তারাই এক সময় দেশের হাল ধরবে। এত এত ছাত্র ছাত্রী ভুল দাবি করতে পারে না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও বলছি, দয়া করে কোটা সংস্কার করে দিন। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারকে যে সম্মান এবং ভালোবাসা আপনি সবসময় দেখিয়েছেন তার জন্য আমরা আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু দেশের সাধারন মানুষের কাছে মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবার এখন হাসির পাত্র।  সবশেষে অভিনেতা লেখেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানের জায়গাটা ঠিক রাখতে হলেও কোটা সংস্কার মেনে নিন। আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের এই দুরবস্থা সহ্য করার মত না। পুরো জাতি আপনার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।  চলমান এ ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন তারকাদের অনেকে। সালমান মুক্তাদির, তাসরিফ খান, শিরোনামহীন নব্যান্ডের দলনেতা জিয়াউর রহমানসহ অনেকে।