• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
ফের নাটকের গানে সানাম সুমী
সোলসের গানে মাতলো যুক্তরাষ্ট্র
দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্যান্ডদল সোলস এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বৈশাখী মেলায় পারফর্ম করেছে। বাংলাদেশ কালচার অর্গানাইজেশন অব মায়ামির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সোলস প্রায় তিন ঘন্টা গান গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন। এ সময় দর্শকের অনুরোধের পাশাপাশি এ এমন পরিচয়, ব্যস্ততা দেয় না আমাকে অবসর, নিঃসঙ্গতাসহ বেশকিছু গান পরিবেশন করে সোলস। মিয়ামি বৈশাখী মেলায় পারফর্ম করা প্রসঙ্গে সোলস ব্যান্ডের প্রধান গায়ক পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘মিয়ামিতে বৈশাখী মেলায় এসে মনে হয়নি দেশের বাইরে আছি। এখানকার দর্শকরা দারুণ সঙ্গীতপ্রেমী। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। বিদেশের মাটিতে বসে দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করছেন। বর্ষবরণের আয়োজন দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। আয়োজকদেরও ধন্যবাদ জানাই, তারা সোলসের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছেন।’ অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে ছিল দেশী মিউজিক। বর্ষবরণের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্ট শুরু করেছে। জানা গেছে, আগামী ২০ এপ্রিল ভার্জিনিয়ায় ঈদ আনন্দ মেলায় পারফর্ম করবে সোলস।  আর আগে গত ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায় সোলস। এবারের সফরে রয়েছেন পার্থ বড়ুয়া, মীর মাসুম, আহসানুর রহমান আশিক, মারুফ তালুকদার রিয়েল ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার শামীম আহমেদ।   এদিকে, শিগগিরই ভক্তদের জন্য নতুন গান প্রকাশ করতে যাচ্ছে সোলস।
বৈশাখের ‘মেলায় যাইরে’ গান তৈরির পেছনের গল্প
‘বিশ্বে মেয়েদের গানের দল হিসেবে হয়তো আমরাই প্রথম’
জুটি বাঁধলেন হৃদয় খান-ন্যান্সিকন্যা রোদেলা
মিউজিক ভিডিওর মডেল হলেন ধীমন বড়ুয়া
কেন এত জনপ্রিয় ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। ঈদ আসলেই টিভি চ্যানেল থেকে শুরু করে সব জায়গায় নতুন নতুন কনটেন্ট দেখা যায়। তবে সবার প্রিয় এই উৎসবটি এলেই সবার কানে বাজতে থাকে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি। এটি শোনেননি, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। ছোট থেকে বড় প্রায় সব বয়সের মানুষই গানটির সঙ্গে এখন পরিচিত। গানটির এত জনপ্রিয়তা থাকলেও এটি কেন জনপ্রিয় এবং এর শুরু কীভাবে―তা হয়তো অজানা অনেকের। ২০০৯ সাল, অর্থাৎ দীর্ঘ পনেরো বছর আগে বেসরকারি একটি মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য গানটি লিখেন প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন কর্মকর্তা আনিকা মাহজাবিন। ২০১১ সালে অবশ্য প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে দেন তিনি। তবে ওই সময় তার লেখা গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেন তরুণ প্রজন্মের সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ এবং এতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন সংগীতশিল্পী মিলন মাহমুদ। ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি বিজ্ঞাপনচিত্রের থিম সং হলেও গান হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে এটি। প্রকাশের প্রায় দেড় দশক হলেও এখনো এর কদর একদমই কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আবেগের সঙ্গে মিশে গেছে গানটি। প্রতিবছরই ঈদযাত্রায় বাড়ি ফেরা মানুষের মুখে মুখে শোনা যায় গানটির কথা। আবার যেসব মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে পরিবারের সদস্য ছেড়ে কর্মস্থলে ঈদ করেন, তাদেরও অনেক অনুভূতির মিশেল পাওয়া যায় গানটির কথায়। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে গানটি নিয়ে শ্রোতাদের উন্মাদনার ব্যাপারে এর গীতিকার আনিকা মাহজাবিন বলেন, আমাদের সময়ের কথা ভেবে খুবই ভালো লাগে। গানটির কথার সঙ্গে এর সুর ও কণ্ঠের জন্যও ভালোবেসে হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন মানুষ। ২০০৯ সালের ঘটনা। ঈদের খুব বেশি বাকি নেই তখন। ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে একটি বিজ্ঞাপনচিত্র করতে হবে। আনিকা মাহজাবিন অতীত মনে করে বলেন, খন্দকার আশরাফুল হক সরোজ বলেন, কিছু একটা করতে হবে। তখন লিখে ফেলি কথাগুলো ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি, আমার পথ দেব পাড়ি, কাছে যাব ফিরে বারবার’। এরপর গানটি হাবিব ওয়াহিদ সুর করেন। তার ধানমন্ডির হোম স্টুডিওতে গানটির কথাগুলো পান সংগীতশিল্পী মিলন মাহমুদ। তিনি বলেন, গানটির সুর হওয়ার পর হাবিব নিজেই গাইছিল। আমি বললাম, তোমার কণ্ঠেই ভালো হচ্ছে। তখন হাবিব বলল, আপনি শুধু ভয়েসটা দিয়ে দেখেন, তারপর দেখেন কী ঘটে। ভয়েস দেয়ার পর তো অনুভূতিই পাল্টে গেল। এরপর গ্রামীণফোনের কাছে পছন্দ হয় গানটি। যা দিয়ে পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেন কিসলু গোলাম হায়দার। এরপর গানটির ভিডিওচিত্র তৈরি করেন রম্য খান। যা বিভিন্ন রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও টেলিভিশনে দেখানো হয়েছিল। ‘স্বপ্ন বাড়ি যাবে’ প্রকাশের পর ব্যাপক সাড়া ফেললে এর সাত বছর পর ২০১৬ সালে ‘স্বপ্ন বাড়ি যাবে-২’ তৈরি করা হয়। এটিও বিজ্ঞাপনের থিম সং ছিল। যার সুর ও সংগীতায়োজন করেন হাবিব ওয়াহিদ। রাসেল মাহমুদের লেখায় গানটিতে কণ্ঠ দেন সংগীতশিল্পী মিথুন চক্র।  এটিও প্রকাশের পর ব্যাপক সাড়া ফেলে। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন, ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গানটি হাবিব ওয়াহিদের বা মিলন মাহমুদের। আসলে তা নয়, এটি গেয়েছেন মিঠুন চক্র। দুটি গানের শিরোনাম একই হলেও কথা একদমই আলাদা। এর গীতিকারও আলাদা। কিন্তু দুটি গানেরই সুরে কিছুটা মিল থাকায় দ্বিধায় পড়তে হয় দর্শক-শ্রোতাদের। আর ২০২২ সাল থেকে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গান নিয়েই নিয়মিত বিজ্ঞাপনচিত্র করছে মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানটি।
জ্যামাইকাতে বৈশাখী উৎসবের আয়োজন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যামাইকাতে বৈশাখী উৎসব ও বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে শোটাইম মিউজিক।  জ্যামাইকাতে অবস্থিত দ্য মেরি লুইস একাডেমিতে এই বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।  বৈশাখী উৎসবের এই আয়োজনে থাকছে— পান্তা ইলিশ, রকমারি শাড়ি কাপড়ের স্টল, রকমারি পিঠার স্টল, জুয়েলারি ষ্টল ও মন মাতানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।  উৎসবের প্রধান আকর্ষণ বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এবং প্রবাসী কণ্ঠশিল্পীদের গান পরিবেশন। আরও থাকছে মন মাতানো ফ্যাশান শো ও আকর্ষণীয় রাফেল ড্র। তবে উৎসবে কোনো প্রবেশ মূল্য নেই।  প্রসঙ্গত, দুপুর দুইটা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত চলবে এই বৈশাখী উৎসব। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার আরটিভি।  
এবার ঈদে হিন্দি গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান
প্রতি বছরের মতো এবার ঈদেও একগুচ্ছ গান নিয়ে আসছেন বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। তার গান মানেই শ্রোতাদের বাড়তি আগ্রহ। ঈদের বিশেষ একক সংগীতানুষ্ঠানে তিনি প্রায় ১০টির মতো গান শোনাবেন বলে জানা গেছে। এটিএন নিউজে ঈদের দিন রাত ৯টায় এবং দ্বিতীয় দিন একই সময় গান শোনাবেন। দুইদিনের জন্য নির্ধারিত তার সংগীত অনুষ্ঠান দুটির নাম যথাক্রমে দিল মে হো তুম এবং দু চোখে শুধু তুমি। সংগীত পরিচালনা করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। দিল মে হো তুম অনুষ্ঠানে তার সহশিল্পী হিসেবে থাকবেন ভাবনা, সামিয়া, পুনম নীলিমা। অন্যদিকে এটিএন বাংলায়ও ঈদের দিন ও পরের দিন থাকছে মাহফুজুর রহমানের একক সংগীতানুষ্ঠান। চ্যানেলটিতে ঈদের দিন ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে ‘তুমি শুধু আমারই থেকো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০ টি গান। অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। বাংলা গানের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে থাকছে জনপ্রিয় কয়েকটি গজল। অ্যালবামে রয়েছে আমায় ভালোবাসো না, তোমার চোখ দুটি, তুমি যে শুধু আমার, যাবে যদি চলে যাও এবং বুকের মাঝে রাখবো শিরোনামের গান। গজলের মধ্যে রয়েছে মেরে মিতুয়া, ম্যায় জিস দিন, জানে কাহা, ম্যায় সায়ের তো নেহি এবং চিটঠি আয়ি হ্যায়। ঈদের পরদিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘লেকে পেহেলা পেহেলা পেয়ার’। একক এবং ডুয়েট হিন্দি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে এই অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে থাকছে দিল কিয়া কারে, মেরে মেহেবুব, রাজাকো রাণি সে পেয়ার, লেকে পেহেলা পেহেলা পেয়ার, বারিস মে তু, তুহি এ মুঝকো বাতাদে, ধীরে ধীরে সে, হামকো হামিসে, ম্যায় জিস দিন ভুলাদু এবং মিলে হো তুম হামকো শিরোনামের গান।  ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন সামিয়া জাহান, নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও মারিয়া চৌধুরী।
চাঁদরাতে ফের অমির সঙ্গী হয়ে আসছেন আঁচল
এ সময়ের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সৈয়দ অমি। চলতি বছরের শুরুতে তিনি নিয়ে আসেন দক্ষিণের আদলে ‘মাতাল’ শিরোনামের একটি মিউজিক ভিডিও। এতে তিনি হাজির হয়েছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখির সঙ্গে। গানটি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের মধ্যে তুমুল সাড়া ফেলে। খুব কম সময়ে দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে গানটি ছড়িয়ে যায়। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এর ভিউ। ডিজিটালের অন্য মাধ্যমেও ‘মাতাল’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেখানেও হয়েছে কয়েক কোটি ভিউ।  তারই ধারাবাহিকতায় অমির নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে চাঁদ রাতে আসছে নতুন আরও একটি গান-ভিডিও। শিরোনাম ‘বেবি কথা ছুইনা যাও’। পুরান ঢাকার কথার গানটির কথা ও সুর গায়কের। এবারও গানটিতে মডেল হিসেবে আছেন ‘সুলতানা বিবিয়ানা’খ্যাত চিত্রনায়িকা আঁচল। গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন এ এম ফরহাদ, কোরিওগ্রাফি করেছেন হাবিবুর রহমান। মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন  শুভ্র মেহরাজ। ‘মাতাল’র সাফল্যে প্রসঙ্গে আঁচল-অমি বলেন, সবমিলিয়ে গানটি পাঁচশ মিলিয়ন মানুষ দেখেছে। তাদের এই ভালোবাসায় আমরা অভিভূত। একটি কাজ যখন মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং তাদের পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয় সেই অনুভূতি ব্যক্ত করা যায় না। এটি নতুন কাজের অনুপ্রেরণা দেয়। নতুন গান প্রসঙ্গে সৈয়দ অমি বলেন, এই প্রথম পুরান ঢাকার ভাষায় গান লিখেছি। গানের কথায় পুরান ঢাকার অনেক ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। তবে গানের শুটিং আমরা পুরান ঢাকায় করিনি। কুমিল্লা ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কে শুটিং করেছি। আমার বিশ্বাস ‘মাতাল’ গানের মতো এই গানটিও জনপ্রিয়তা পাবে। জানা গেছে, ‘বেবি কথা ছুইনা যাও’ গানটিতে আঁচল হাজির হচ্ছেন কোটিপতির বাপের আদরের মেয়ের চরিত্রে। ওয়েস্টার্ন লুক, লন্ডন আমেরিকা বিভিন্ন দেশে ঘুরতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে, সৈয়দ অমি খাঁটি পুরান ঢাকার ছেলে। এছাড়াও আসন্ন ঈদে অমির আরো কয়েকটি গান মুক্তি পাচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম জসিম উদ্দিন জাকির পরিচালিত আনিসুর রহমান মিলন, সাইমন সাদিক, শবনম বুবলী ও রোশান অভিনীত ‘মায়া: দ্য লাভ’ সিনেমার ‘তুমি ছাড়া চাই না কিছু’ অন্যতম। বুধবার সন্ধ্যায় গানটি মুক্তি পেয়েছে। এই গানটি নিয়েও বেশ আশাবাদী সৈয়দ অমি।  
পুরস্কারের ঘোষণা দিলেন আসিফ আকবর
নতুন ফ্ল্যাটে উঠেই আদরের পুম্বাকে হারিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। পোষ্য প্রাণীকে হারিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন তিনি। খোঁজ করেছেন সদ্য ওঠা নতুন ফ্ল্যাটের আশপাশেও। তবুও যেন পুম্বার খোঁজ মিলছে না। অবশেষে আদরের বিড়ালের জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিলেন আসিফ। এক ফেসবুকবার্তায় এই শিল্পী লিখেছেন, বিড়ালটা বেঁচে আছে, হয়তো কারও বাসায় আছে। তিনি হয়তো মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা কেউ নিজের মনে করে লুকিয়ে রেখেছেন এই সম্ভাবনাও নাকচ করছি না। পুম্বা খুব সুন্দর দেশি ক্যাট, জানি সে ভালো যত্ন-আত্তিতেই আছে। ওকে ইনজেকশন দেওয়ার সময় হয়ে এসেছে। প্লিজ, পুম্বার সন্ধান দিন, ৫০ হাজার টাকা গিফট পৌঁছে যাবে।   এদিকে শিগগিরই মিউজিক্যাল ফিল্ম নিয়ে হাজির হচ্ছেন আসিফ আকবর। নাম ‘দ্য লাস্ট ডন’। এটি গায়কের নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি হচ্ছে। এতে আসিফ হাজির হবেন একজন ডনের ভূমিকায়। অন্যদিকে শ্রেয়া ঘোষালের সঙ্গে আসিফের নতুন একটি দ্বৈত গানও আসছে। এ ছাড়াও ভারতীয় প্রযোজনা সংস্থা সারেগামা ও টি সিরিজের সঙ্গে সামনে কাজ হবে। শ্রোতারা তার হিন্দি গানও পাবেন।
ঈদ অনুষ্ঠানে প্রথমবার উপস্থাপনায় ইমরান
এবার টেলিভিশনে প্রথমবার উপস্থাপনা করবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। আসছে ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠানমালায় গানের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবে দেখা যাবে তাকে। অনুষ্ঠানের নাম ‘ইমরান শো- বকুলে চন্দনে, গানের বন্ধনে।’  অনুষ্ঠানে কবির বকুলের লেখা ও চন্দন সিনহার গাওয়া পুরোনো সাতটি গান শোনা যাবে এ প্রজন্মের ১০ জন জনপ্রিয় শিল্পীর কণ্ঠে। উপস্থাপনার পাশাপাশি নিজেও চন্দন সিনহার গাওয়া একটি গান পরিবেশন করবেন ইমরান। পুরো অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকবেন কবির বকুল ও চন্দন সিনহা।   এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, টেলিভিশনে আগে কথনও উপস্থাপনা করিনি। প্রথমে ভয় পাচ্ছিলাম। কারণ একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করা সহজ কাজ নয়। তাও আবার আমার দুই প্রিয় ব্যক্তিকে নিয়ে। আর আমার অভিজ্ঞতাও নেই। পরে কবির বকুল  ভাইয়ের কাছ থেকে অনুষ্ঠানটির পুরো পরিকল্পনাটি জানলাম।  কবির বকুল ভাইয়ের লেখা আমার প্রিয় শিল্পী চন্দনদার গাওয়া কিছু গান অনুষ্ঠানটিতে আমাদের সহশিল্পীরা গাইবেন। তাছাড়া বকুল ভাই ও চন্দন ভাইয়ের সঙ্গে আমার আগে থেকেই কাজের অভিজ্ঞতা আছে। সব ভেবে পরে রাজি হলাম। তিনি আরও বলেন, কোনো চিত্রনাট্য নিয়ে মুখস্থ করে উপস্থাপনা করা লাগছে না। বাস্তবের মতো আড্ডার ছলেই কাজটি করতে পারছি। কারণ যে ১০ জন শিল্পী গান করছেন, তারা সবই আমার কাছের সহশিল্পী। ফলে হেসেখেলে বেশ মজা করেই কাজটি করতে পারছি। গত ২৯ তারিখ অনুষ্ঠানটির শুটিং শুরু হয়েছে এফডিসিতে। সাতটি গানে কণ্ঠ দিচ্ছেন— রাজিব, অয়ন চাকলাদার, কিশোর, সাব্বির, খেয়া, সিঁথি সাহা, আতিয়া আনিসা, মাহতিম সাকিব, মুহিন ও ইমরান মাহমুদুল। অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন কবির বকুল। অনুষ্ঠানটি ঈদের তৃতীয় দিন রাত সাড়ে ১০টা ৩০মিনিটে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হবে।  
‘সোলসে’ নেই নাসিম আলী খান!
প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর উদযাপন করছে শ্রোতাপ্রিয় ব্যান্ড ‘সোলস’। ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বেশ কয়েকটি কনসার্ট করেছে। এবার দুই মাসের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ব্যান্ডটি। আগামী ১০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেবেন ব্যান্ডের সদস্যরা। যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিভিন্ন স্ট্যাটে ২০টি শোতে পারফর্ম করবে ‘সোলস’। তবে এই সফরে থাকছেন না অন্যতম সদস্য নাসিম আলী খান।  জানা গেছে, ব্যক্তিগত কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই সফর থেকে ‘অবসর’ নিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সোলস প্রধান পার্থ বড়ুয়া বলেন, সোলসের ৫০ বছর উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠান পারফর্ম করতে যাচ্ছি। তবে এবারের সফরে ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকার কারণে নাসিম ভাই যেতে পারছেন না। তাই আপাতত সোলসের কোনও কার্যক্রমে তিনি নেই। তবে কি ব্যান্ড থেকে অবসরে গেলেন জ্যেষ্ঠ এই সদস্য! গুঞ্জন উঠেছে শহরে। কারণ সোলস-এর সাম্প্রতিক ছবিতেও মিলছে না নাসিম আলী খানের ছবি!   অবশ্য ব্যান্ড ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নাসিম আলী খান বলেন, আমি কিন্তু ব্যান্ড ছাড়িনি। আসলে শারীরিক ও পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকতে পারছি না। এছাড়া অন্য কোনও কারণ নেই। তবে সোলস থেকে নাসিম আলীর এই ছুটি কতো সময়ের জন্য, সেটি কিন্তু জানা যায়নি। প্রসঙ্গত,  সোলস এর জন্ম ১৯৭২ সালে হলেও নাসিম আলী খান এতে যুক্ত হন ১৯৮০ সালে। সেই থেকে তিনি দলটির অন্যতম সদস্য ও ভোকাল হিসেবে যুক্ত ছিলেন নিরলস। সোলস-এর বর্তমান সদস্যরা হলেন পার্থ বড়ুয়া, আহাসানুর রহমান আশিক, মীর শাহরিয়ার হোসেন মাসুম ও মারুফ হাসান তালুকদার রিয়েল। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নকীব খান, পিলু খান, আইয়ুব বাচ্চু, তপন চৌধুরী, তাজুল ইমাম, সাজেদুল আলম, মমতাজুল হক লুলু, সুব্রত বড়ুয়া রনি, আহমেদ নেওয়াজ, শাহেদুল আলম, পান্থ কানাই, ইফতিখার উদ্দিন সোহেল, নাইমুল হাসান তানিম, জাকির হাসান রানা প্রমুখ। উইকিপিডয়াতেও সর্বশেষ দলত্যাগী সদস্যের তালিকায় নাম যুক্ত হয়েছে নাসিম আলী খানের।