• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
বেক্সিমকোর ২৬২৫ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড অনুমোদন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেড এর দুই হাজার ৬২৫ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। রোববার (৩১ মার্চ) অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হলো- এটি অনিরাপদ, নন-কনভার্টিবল, রিডিমেবল জিরো কুপন বন্ড। বন্ডটির ডিসকাউন্ট রেট ১৫ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ সম্পদশালী একক ব্যক্তিদের কাছে বন্ডটি বিক্রি করা হবে।  বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বেক্সিমকোর দুই হাজার ৬২৫ কোটি টাকার বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিশন। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে এবং মায়ানগর প্রকল্পের উন্নয়নের জন্য ডেভেলপারকে ঋণ দেবে। প্রতিটি বন্ডের ইস্যু মূল্য ৫০ হাজার টাকা। এর ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে আইএফআইসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এদিকে, কমিশন সভায় ‘রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট ফান্ড’ বিধিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র জানান, পুঁজিবাজারের মাধ্যমে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের লক্ষ্যে ‘রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট ফান্ড’ রুল ২০২৪ অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এ বিধিমালা বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৫০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করছে বেক্সিমকো
রমজানে পুঁজিবাজারে লেনদেনে নতুন সময়সূচি
ক্রমাগত পতনের পর চাঙ্গা পুঁজিবাজার
আরও ২৩ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল
৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল
৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন সীমা) তুলে নিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।  বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সংস্থাটি এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে।  আদেশে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জানুয়ারি) থেকে ৩৫টি কোম্পানি ব্যতীত সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হল। অর্থাৎ, ঐ ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের ওপর ফ্লোর প্রাইস থাকবে। এগুলো বাদে অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকারের ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্ন সীমা প্রযোজ্য হবে। ফ্লোর প্রাইস থাকা ৩৫টি কোম্পানি হলো- আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বারাকা পাওয়ার, বিএটিবিসি, বেক্সিমকো, বিএসসিসিএল, বিএসআরএম লিমিটেড, বিএসআরএম স্টিল, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডিবিএইচ, ডোরিন পাওয়ার, এনভয় টেক্সটাইল, গ্রামীণফোন, এইচআর টেক্সটাইল, আইডিএলসি, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, ইসলামী ব্যাংক, কেডিএস লিমিটেড, কেপিসিএল, কট্টালি টেক্সটাইল, মালেক স্পিনিং, মেঘনা পেট্রলিয়াম, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল পলিমার, ওরিয়ন ফার্মা, পদ্মা অয়েল, রেনাটা, রবি, সায়হাম কটন, শাশা ডেনিমস, সোনালী পেপার, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, শাইনপুকুর সিরামিকস, শাহজীবাজার পাওয়ার, সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ছাড়াও অর্থনৈতিক নানা সংকটে পুঁজিবাজারে বড় দর পতনের শঙ্কায় ঐ বছরের ২৮ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করেছিল বিএসইসি। এর আগে করোনা মহামারিতে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করেছিল বিএসইসি। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কমিশন ৩৫ প্রতিষ্ঠান বাদে বাকিগুলোর ফ্লোর প্রাইস তুলে দিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হবে। কমিশন আশা করছে, এ কারণে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বাজারে গতি ফিরবে।
বেক্সিমকো ফার্মা থেকে পাপনের পদত্যাগ
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন নতুন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন। মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়ার কারণেই তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের পদ ছাড়লেন। আরও পড়ুন : জোভানের সঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেত্রী   রোববার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এই তথ্য জানানো হয় বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে বঙ্গভবনে শপথ নেন নাজমুল হাসান পাপন। এরপর  তার হাতে বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেক্সিমকো ফার্মা জানিয়েছে, নাজমুল হাসান কোম্পানিটির এমডির পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন। আরও পড়ুন : ২৮৫ প্রতিবন্ধীকে নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ   সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘সরকারের কোনো মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোনো লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোনো কোম্পানি, সমিতি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনোরূপ অংশগ্রহণ করিবেন না।’ মন্ত্রী ছাড়াও রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, নির্বাচন কমিশনার ও সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যের বেলায়ও সংবিধানের এ ধারা প্রযোজ্য।