• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo
বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে ভারত ও নেপালকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে বাংলাদেশ 
সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে ৮৩ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি
বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে এবার বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪৯ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৩৪ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন খাদ্য সচিব মো: ইসমাইল হোসেন।  প্রথম পর্যায়ে ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে এই আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও এমন অনুমোদন দেওয়া হবে। খাদ্য সচিব জানান, দেশে প্রতিদিন চালের চাহিদা এক লাখ মেট্রিক টন। মূলত বাজার সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণের জন্য চাল আমদানির এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে হঠাৎ করে চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে ইসমাইল হোসেন বলেন, আমনের মৌসুম শেষ এবং বোরো চাষ শুরু হবে। মাঝে এক থেকে দেড় মাসের একটি গ্যাপে চালের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করতে পারে চালকল মালিক ও মজুতদাররা। তাই আমদানির এই অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এদিকে চাল আমদানির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান হোছাইনী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অনুমোদন পাওয়া আমদানিকারকদের ২৫ এপ্রিলের মধ্যে চাল দেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা চাল পুনরায় প্যাকেটজাত না করে বিক্রি করতে হবে মূল বস্তাতে করেই।   
‘শিগগিরই ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে’
'রপ্তানিতে নতুন পণ্য বাছাইয়ের কাজ চলছে'
ভারত থে‌কে পেঁয়াজ আসছে চল‌তি সপ্তাহেই
৪৩৯ কোটি টাকার সার কিনছে সরকার
নেপাল থেকে কমে বিদ্যুৎ চায় বাংলাদেশ, চলছে দর কষাকষি
নেপালের সঙ্গে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে দর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের। কিন্তু বাংলাদেশের প্রস্তাবিত দর অনেক কম বলে তাতে সায় দিতে এখন পর্যন্ত সম্মত হয়নি দেশটি। ফলে, দর কষাকষি চলছে দুদেশের।  নেপালের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষ নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (এনইএ) কর্মকর্তারা সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নেপালের জাতীয় দৈনিক দ্য কাঠমন্ডু পোস্টকে।  এনইএ’র এক কর্মকর্তা কাঠমন্ডু পোস্টকে বলেন, ‘আমরা যে দাম চেয়েছি, তা আমরা যৌক্তিক মনে করেই চেয়েছি। বাংলাদেশ যে দাম প্রস্তাব করেছে, এখনও আমরা তাতে সায় দিইনি। বাংলাদেশ কর্মকর্তারা বলেছে, এ ব্যাপারে তাদের উচ্চতর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে আমাদের।’ প্রসঙ্গত, গত বছর মে মাসে নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি এবং ভারতের তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিপণন সংস্থা এনটিপিসি ও এনভিভিএন এর সঙ্গে ৫ বছর মেয়াদী চুক্তি করে বাংলাদেশের সরকার। সেই চুক্তির শর্ত অনুসারে, ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠাবে নেপাল। ভারত-নেপাল সীমান্তের ধালকেবার-মুজাফফরপুর থেকে লাইন বা তারের মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এ বিদ্যুৎ। চুক্তিতে প্রতি ইউনিটের দাম ধরা হয়েছে ৯ দশমিক ৩০ নেপালি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ দশমিক ৬৮ টাকা। আগামী জুন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হওয়ার কথা। এর মধ্যেই বাংলাদেশ সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৫ নেপালি রুপি ধার্য করার প্রস্তাব করেছে বলে জানিয়েছেন এনইএ’র একজন কর্মকর্তা। এতেই খানিকটা বেঁকে বসেছে নেপালের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এনইএ’র একজন কর্মকর্তা বলছেন, ‘চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বিদ্যুৎ পাঠানো সংক্রান্ত সার্ভিস চার্জ, হুইল চার্জ আমাদের বহন করতে হবে না। এনভিভিএন এই খরচ বহন করবে। বিদ্যুতের দাম যদি ইউনিট প্রতি ৯ দশমিক ৩০ নেপালি রুপি ধরা হয়, তাহলে সেখান থেকে নেপাল পাবে ৫ দশমিক ২৫ রুপি। বাকিটা পাবে ভারতীয় সংস্থা। কিন্তু, বাংলাদেশ যে দাম প্রস্তাব করেছে, তা কার্যকর হলে আমাদের ভাগে প্রায় কিছুই থাকে না।’ এনইএ’র নির্বাহী পরিচালক কুল মান ঘিসিংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গত সপ্তাহে ঢাকা এসেছিল। সে সময় বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে বিদ্যুতের দাম নিয়ে দর কষাকষি হয় বলে জানা গেছে। তবে, এ বিষয়ে চুড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ নিয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই চুড়ান্ত মত জানাবেন তারা। এনইএ’র নির্বাহী পরিচালক প্রদীপ কুমার ঠিকে অবশ্য ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে এখনও আশাবাদী। কাঠমন্ডু পোস্টকে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ক্রয় করার জন্য প্রস্তুত, আর আমরা বিক্রির জন্য প্রস্তুত। আমাদের সর্বশেষ বৈঠক ইতিবাচক ছিল এবং আমরা আশাবাদী যে পরবর্তী বৈঠকে আমরা এ ব্যাপারে মীমাংসায় পৌঁছাতে পারব।’
মার্চের প্রথম সপ্তাহেই আসছে ভারতীয় পেঁয়াজ
রোজা সামনে রেখে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই দেশের বাজারে আসতে চলছে ভারতীয় পেঁয়াজ। সবমিলিয়ে ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসবে। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এই পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত অফিসিয়াল কাগজ পাওয়া যেতে পারে। অফিসিয়াল কাগজ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আনতে চায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই হিসেবে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই দেশের বাজারে মিলবে ভারতীয় পেঁয়াজ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের পেঁয়াজ পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই। আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। রোজার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে। আশা করছি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভারত থেকে পেঁয়াজ চলে আসবে। এ বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু গণমাধ্যমকে বলেন, ভারতের পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসবে শতভাগ নিশ্চিত। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ডকুমেন্টেশন শেষ হয়ে যাবে। রোজার আগেই ইনশাআল্লাহ আমরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আনতে পারব। এর আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম। পরে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীকে এক লাখ টন চিনি ও ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ সরবরাহের পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত
বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত। রপ্তানিকারকরা ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করতে পারবেন। অবিলম্বে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লিতে ভারতের ভোক্তা বিষয়ক অধিদপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেছেন, আমরা বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ, মরিশাসে ১ হাজার ২শ’ টন, বাহরাইনে ৩ হাজার টন এবং ভুটানে ৫শ’ ৬০ টন পেঁয়াজ অবিলম্বে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি।’ রোহিত কুমার বলেন, ব্যবসায়ীদের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পরিমাণ রপ্তানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এই লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিনি বলেছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরআগে গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরের সময় পবিত্র রমজান মাসের আগে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে তাদের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশে পেঁয়াজসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছিলেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠকের সময় ড. হাছান ওই পণ্যগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য আবেদন করেছিলেন। সূত্র : বাসস
বাংলাদেশকে পেঁয়াজ দিতে ভারতের নীতিগত সম্মতি
ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন শুধু অফিসিয়ালি বিষয়গুলো বাকি। অফিসিয়ালি কাগজ পেলে দ্রুত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।  মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাক্সফোর্সের সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ এবং চিনি আমদানির জন্য যে প্রক্রিয়াগুলো আমরা নিয়েছি, নীতিগতভাবে ভারত সরকার সে বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখন আমরা অফিসিয়ালি কাগজ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আনতে পদক্ষেপ নেবো। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু টেলিফোনে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প, বস্ত্র ও ভোগ্যপণ্য এবং খাদ্য ও গণবিতরণবিষয়ক মন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে আলাপ করেন। এসময় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীকে ১ লাখ টন চিনি ও ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ সরবরাহের পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান তিনি।     ভারতীয় বড় রপ্তানিকারকরা গত রোববার সে দেশের সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল, স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিক এলাকায় এরই মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৪০ রুপি থেকে ১৩ রুপিতে নেমে এসেছে। রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে দেশটিতে পেঁয়াজের এই অন্যতম উৎপাদনস্থলের কৃষকরা তা প্রত্যাহারের জন্য বিক্ষোভ করে আসছিলেন। নাসিক জেলা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতি বেশ কয়েক দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করে। এরপর থেকেই বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। 
নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত
অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনের আগে পর্যাপ্ত সরবরাহ বহাল করতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে ভারত সরকার। তবে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার রাখতে এর মধ্যেও বাংলাদেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।  দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে বাংলাদেশ ছাড়াও চারটি দেশে সরকারিভাবে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির এ অনুমতি দিতে যাচ্ছে ভারত সরকার। দেশগুলো হলো- নেপাল, ভুটান, বাহরাইন ও মরিশাস। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় উদ্দেশে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে, কী পরিমাণ রপ্তানি করা হবে তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।   সূত্রমতে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিভিন্ন শর্তাবলির বিষয়ে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে। এর আগে পবিত্র রমজান মাসে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমাতে নির্দিষ্ট পরিমাণে চিনি ও পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিতে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশ ভারত। ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশটির সরকার। পরে এই নিষেধাজ্ঞা চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কারণ, অভ্যন্তরীণ বাজারেক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনের আগে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে চেয়েছিল দেশটি। রপ্তানি আটকাতে প্রথমে পেঁয়াজের ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল ভারত। কিন্তু তাতেও আশানুরূপ ফল না আসায় পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে। তবে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তিতে এবার  বাংলাদেশসহ ৫টি দেশের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা সীমিত আকারে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। 
লক্ষ্য এবার ওষুধের কাঁচামাল রপ্তানি 
ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ১৫৭টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি ওষুধ। দেশে প্রায় সব ধরনের ওষুধ তৈরি হচ্ছে এবং তা রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়া দেশে মোট চাহিদার ৯৮ ভাগ ওষুধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে ওষুধের কাঁচামাল (এপিআই)। আর তা রফতানিতে প্রণোদনা দিবে সরকার। এই বছরের জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা সামন্ত লাল সেন। কাঁচামাল রফতানি বাড়লে ২০-৩০ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে বলে ধারনা সংশ্লিষ্টদের। ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়, ওষুধশিল্পের জন্য মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন বাউশিয়া ও লক্ষ্মীপুর মৌজায় ২০০ একর জায়গাজুড়ে একটি অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানো, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ধরতে পণ্য বৈচিত্র্য সৃষ্টি করা ও পণ্যের মান উন্নয়নে গবেষণা করা হচ্ছে এই পার্কটির প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়াও ওষুধ উৎপাদনে যেসব কাঁচামাল প্রয়োজন ও যেসব কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়, আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশেই তা উৎপাদন করা ও কাঁচামাল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো বা বন্ধ করার লক্ষ্যে এই পার্ক তৈরি করা হয়েছে। ফলে বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশের প্রথম অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট এপিআই শিল্প পার্কের উদ্বোধন করেন। ২০০ একর জমির ওপর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ৩৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় এই ওষুধ শিল্প পার্কটি। বাংলাদেশ প্রধানত ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, ক্যান্সার, কুষ্ঠ, কিডনি ডায়ালাইসিস, হোমিওপ্যাথি, বায়োকেমিক্যাল, আয়ুর্বেদিক ও হাইড্রোসিলের পাশাপাশি পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন ও এন্টি হেপাটিক ওষুধ রফতানি করে।  ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের যাত্রা শুরু পঞ্চাশের দশকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এ শিল্পের পরিধি। বর্তমানে সারা দেশে ২৯৫টি অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তৈরি করছে প্রায় ৪৬ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল। এছাড়া দেশের ২৮৪টি ইউনানি ও ২০৫টি আয়ুর্বেদিক, ৭১টি হোমিওপ্যাথিক ও ৩১টি হার্বাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার ওষুধ উৎপাদন করছে। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প উত্তরোত্তর উন্নতি করছে। দেশের মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশেই উৎপাদিত হয়। ডা. সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, দেশে উৎপাদিত ওষুধ বিদেশে রফতানিতে উৎসাহিত করতে উৎপাদনকারীদের সরকারিভাবে প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে। এই বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে উৎপাদিত ওষুধের একটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডিয়েন্ট রফতানির জন্য ১০ শতাংশ হারে এবং ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য রফতানির জন্য ৮ শতাংশ হারে সরকারিভাবে প্রণোদনা প্রদান করা হবে বলে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। ২০২২ সালের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত বাংলাদেশে ওষুধের বাজারের আকার ছিল ৩ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। গত ১ দশকে বাজার ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে এটি ৬ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, লিকুইড প্রিপারেশন, ড্রাই সাসপেনশন, ইনজেকশন, ন্যাজাল স্প্রে ও স্যাশের মাধ্যমে গ্র্যানিউলসহ প্রায় সব ধরনের ডোজ উৎপাদনে সক্ষম। স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল ও ল্যাবরেটরি স্থাপনে এপিআই শিল্প পার্ককে ২০৩২ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ ‍সুবিধা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন, ওষুধ উৎপাদকরা তাদের প্রতিযোগিতামূলক শক্তিমত্তা বাড়ানোর জন্য ওষুধের কাঁচামাল বা এপিআই উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। কারন বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পেটেন্টকৃত ওষুধ উৎপাদনে ছাড় সুবিধা হারাবে। তখন পেটেন্টকৃত পণ্যের দাম বেড়ে যাবে এবং কিছু কমপ্লেক্স বায়োলজিকস দেশে আর পাওয়া নাও যেতে পারে। বর্তমানে রাজধানী থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জের এপিআই পার্কে ১৫ প্রতিষ্ঠান এপিআই উৎপাদন করছে এবং আরও ২৭ প্রতিষ্ঠান সেখানে এপিআই অবকাঠামো নির্মাণ করতে যাচ্ছে। গত ৭ বছরে এ খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৩ গুণ বেড়েছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বাপি) মহাসচিব এস এম শফিউজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বমানের জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করে যা অন্য যেকোনো দেশের দুর্যোগ ছাড়া যে কোনো ধরনের সংকট মোকাবেলায় শক্তি অর্জন করেছে। তার মতে, ফার্মাসিউটিক্যাল নির্মাতারা খুব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্য সরবরাহ করতে পারে, যার জন্য আপাতত কিছু বাধার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও রফতানি বৃদ্ধি পাবে।  তিনি বলেন, ওষুধ উৎপাদনের মতোই কাঁচামাল উৎপাদনেও স্বয়ংস্বম্পূর্ণ হওয়ার দিকে যাচ্ছি আমরা। ২০৩০ সালের মধ্যে সব কারখানায়ই এপিআই উৎপাদনে যেতে পারবে বলে আশা করি।  বিশেশজ্ঞদের মতে, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পরে পেটেন্টসহ নানা রকম সুবিধা হারানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ওষুধ শিল্পখাতে গবেষণা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা তুলে ধরে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনায় জোর দিতে হবে। সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারলে কম উৎপাদন খরচের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল রপ্তানিতে ২ থেকে ৩ হাজার কোটি ডলারের আয় করা সম্ভব।
বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি পাচ্ছে ৭৭ প্রতিষ্ঠান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৭৭টি প্রতিষ্ঠান। ২০২১-২২ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচিত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পাচ্ছে রিফাত গার্মেন্টস।    সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সরকারি এক গেজেটে ২০২১-২২ অর্থবছরে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই গেজেটে বলা হয়, দেশের সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ) পাচ্ছে রিফাত গার্মেন্টস। স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ এ তিন ক্যাটেগরিতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো তৈরি পোশাক খাতে (ওভেন) উইন্ডি অ্যাপারেলস স্বর্ণ, অ্যাপারেল গ্যালারি রৌপ্য এবং চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে (নিটওয়্যার) লিবার্টি নিটওয়্যার স্বর্ণ, ডিভাইন ইন্টিমেটস রৌপ্য, ফ্লামিংগো ফ্যাশনস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। সব ধরনের সুতা খাতে বাদশা টেক্সটাইলস স্বর্ণ, স্কয়ার টেক্সটাইলস রৌপ্য এবং কামাল ইয়ার্ন ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। টেক্সটাইল ফেব্রিকস খাতে নাইস ডেনিম মিলস স্বর্ণ, হা-মীম ডেনিম রৌপ্য এবং ফোর এইচ ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস স্বর্ণ, মমটেক্স এক্সপো রৌপ্য এবং এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ) ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। টেরিটাওয়েল খাতে নোমান টেরিটাওয়েল মিলস স্বর্ণ এবং এসিএস টাওয়েল রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। হিমায়িত খাদ্য খাতে ছবি ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ স্বর্ণ, প্রিয়াম ফিশ এক্সপোর্ট রৌপ্য এবং এমইউসি ফুডস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। কাঁচা পাট খাতে পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ স্বর্ণ, তাসফিয়া জুট ট্রেডিং রৌপ্য এবং ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। পাটজাত দ্রব্য খাতে জনতা জুট মিলস স্বর্ণ এবং আকিজ জুট মিলস রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। চামড়াজাত পণ্য খাতে পিকার্ড বাংলাদেশ স্বর্ণ এবং এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। ফুটওয়্যার খাতে বে-ফুটওয়্যার স্বর্ণ, এডিসন ফুটওয়্যার রৌপ্য এবং এফবি ফুটওয়্যার ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। কৃষিজ পণ্য খাতে (তামাক ব্যতীত) ইনডিগো করপোরেশন স্বর্ণ, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কোং রৌপ্য এবং সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অ্যাগ্রো প্রসেসিং পণ্য খাতে (তামাকজাত পণ্য ব্যতীত) হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো স্বর্ণ, প্রাণ অ্যাগ্রো রৌপ্য এবং প্রাণ ফুডস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে কারুপণ্য রংপুর স্বর্ণ, বিডি ক্রিয়েশন রৌপ্য এবং ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। মেলামাইন খাতে ডিউরেবল প্লাস্টিক স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে। প্লাস্টিক পণ্য খাতে অলপ্লাস্ট বাংলাদেশ স্বর্ণ, আকিজ বায়াক্স ফিল্মস রৌপ্য এবং বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। সিরামিক সামগ্রী খাতে শাইনপুকুর সিরামিকস স্বর্ণ, আর্টিসান সিরামিকস রৌপ্য এবং প্রতীক সিরামিকস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে এমঅ্যান্ডইউ সাইকেলস স্বর্ণ, মেঘনা বাংলাদেশ রৌপ্য এবং রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি স্বর্ণ এবং বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে মেরিন সেফটি সিস্টেম স্বর্ণ, এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস রৌপ্য এবং তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস স্বর্ণ, ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস রৌপ্য এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। কম্পিউটার সফটওয়্যার খাতে সার্ভিস ইঞ্জিন স্বর্ণ এবং গোল্ডেন হারভেস্ট ইনফোটেক রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন (সি ক্যাটেগরি) তৈরি পোশাক শিল্প খাতে (নিট ও ওভেন) ইউনিভারসেল জিন্স স্বর্ণ, প্যাসিফিক জিন্স রৌপ্য এবং শাশা ডেনিমস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। প্যাকেজিং ও অ্যাকসেরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণ, মনট্রিমস রৌপ্য এবং ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অন্যান্য প্রাথমিক পণ্য খাতে হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরি স্বর্ণ ট্রফি, রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল রৌপ্য ও ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অন্যান্য সেবা খাতে এক্সপো ফ্রেইট স্বর্ণ ট্রফি এবং মীর টেলিকম রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তা বা রপ্তানিকারকদের জন্য সংরক্ষিত খাতে পাইওনিয়ার নিটওয়্যার্স (বিডি) স্বর্ণ ট্রফি, বিকন নিটওয়্যার রৌপ্য ট্রফি এবং ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ পুরস্কার। এর বাইরে তৈরি পোশাক, সুতা, কাপড়, ওষুধ, পাটসহ বিভিন্ন রপ্তানি খাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ– এই তিন ক্যাটাগরিতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি দেওয়া হয়।