• ঢাকা রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০
logo
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২৫ ফেব্রুয়ারি)
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২৩ ফেব্রুয়ারি)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা ইউ এস ডলার ১২১ টাকা ২ পয়সা ইউরোপীয় ইউরো ১৩১ টাকা  ব্রিটেনের পাউন্ড ১৫২ টাকা  ৬০ পয়সা ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৯ পয়সা  মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ২৫ টাকা ২৫ পয়সা সিঙ্গাপুরের ডলার ৮৯ টাকা ৪৮ পয়সা সৌদি রিয়াল ২৯ টাকা ২৭ পয়সা কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা  অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৮ টাকা ৮৮ পয়সা   কুয়েতি দিনার ৩৯৫ টাকা ২৫ পয়সা   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
‌‘ঋণের সুদ পরিশোধে কিছুটা চাপে আছে দেশের অর্থনীতি’
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২২ ফেব্রুয়ারি)
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২১ ফেব্রুয়ারি)
দেশের সব নাগরিককে বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ 
সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমকে ন্যাশনাল লাইফের সংবর্ধনা
তৃতীয়বারের মতো নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোরশেদ আলমকে পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।  আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ২৭৮তম বোর্ড সভায় তাকে এ সংবর্ধনা জানানো হয়।  পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন পরিচালক মতিউর রহমান, পরিচালক এয়ার কমোডর আবু বকর এফসিএ, পরিচালক দাস দেব প্রসাদ, কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাজিম উদ্দিন, সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ ও কোম্পানি সচিব মোঃ আব্দুল ওহাব মিয়ান। এছাড়া বোর্ড সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত অন্য পরিচালকরাও অভিনন্দন জানান তিনবারের সংসদ সদস্যকে।  এ সময় সবার সার্বিক সহযোগিতায় কোম্পানির অগ্রগতি ও উন্নয়নে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলে জানান জনাব মোরশেদ আলম। একইসঙ্গে মেধা ও শ্রম দিয়ে কোম্পানিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।    
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও অংশ নিতে নির্দেশ
এবার ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকার জনগোষ্ঠীকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতাভুক্ত করার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন-২০২৩ এবং ১৩ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিধিমালা-২০২৩ প্রণয়ন করে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানের মালিক, অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তি, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তি ও বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিকের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বস্তরের জনগণকে একটি টেকসই এবং সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে অন্তর্ভুক্তি করার উদ্দেশ্য পূরণে ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ে বোনাস পাবেন কর্মকর্তারা
অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ে ৫ শতাংশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে বোনাস বা প্রণোদনা হিসাবে বিতরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুই বছরের অধিক সময়ে বকেয়া মন্দ ঋণ বা অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রধান কার্যালয়ে ‘অবলোপনকৃত ঋণ আদায় ইউনিট’ গঠন করতে হবে। আর শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে ‘অবলোপনকৃত বিনিয়োগ আদায় ইউনিট’ হবে। এই ইউনিটে ঋণ মঞ্জুরি কার্যক্রম, ঋণের ডকুমেন্টেশন ও ঋণ আদায়ে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হবে। এতে আরও বলা হয়, অবলোপনকৃত ঋণের বিপরীতে আদায়কৃত অর্থের ৫ শতাংশ বা সমপরিমাণ অর্থ প্রণোদনা হিসেবে অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে বিতরণযোগ্য হবে। বিতরণযোগ্য অর্থের সর্বোচ্চ শতাংশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রাপ্য হবেন। অবশিষ্ট অর্থ অবলোপনকৃত ঋণ আদায় ইউনিটের প্রধানসহ ওই ইউনিটের অন্য কর্মকর্তারা প্রাপ্য হবেন। পাশাপাশি যে শাখা বা বিভাগের অবলোপনকৃত ঋণ আদায় করা হবে ওই শাখা কিংবা বিভাগের সরাসরিভাবে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাও ইউনিটের কর্মকর্তাদের অনুরূপ আনুপাতিক হারে প্রণোদনা পাবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, যেসব ঋণ হিসাব একাদিক্রমে দুই বছর মন্দ ও ক্ষতিজনক মানে শ্রেণিকৃত রয়েছে সেসব ঋণ হিসাব অবলোপন হবে। এ ছাড়া অবলোপনের জন্য নির্বাচিত ঋণ হিসাবসমূহের ক্ষেত্রে আগে আইনগত ব্যবস্থা সূচিত না হয়ে থাকলে অবলোপনের আগে অবশ্যই অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ অনুযায়ী মামলা দায়ের করতে হবে।
ড. ইউনূসকে নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক চেয়ারম্যানের ভয়াবহ অভিযোগ
ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন খতিয়ান ধ্বংস ও বিলুপ্ত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যান এ কে এম সাইফুল মজিদ। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সাইফুল মজিদ অভিযোগ করেন, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন খতিয়ান হারিয়ে গেছে। ড. ইউনূস যাওয়ার আগে এসব ধ্বংস ও বিলুপ্ত করে গেছেন।   তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের ৫১ থেকে ৫২টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠানের মালিক সরকার এবং ঋণদাতা জনগণ। এখানে ড. ইউনূসের কোনো ধরনের মালিকানা বা শেয়ার নেই। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ড. ইউনূস অভিযোগ করেন, রাজধানীর গ্রামীণ টেলিকম ভবনে তার গড়া মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠান আছে, যার প্রতিটির চেয়ারম্যান ড. ইউনূস। এর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানে তালা দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক জবরদখল করেছে।  ড. ইউনূসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে গ্রামীণ ব্যাংক চেয়ারম্যান আরও বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সভার অনুমোদন ও অর্থায়নে গ্রামীণ কল্যাণ, গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ ফান্ড, গ্রামীণ মৎস্য ফাউন্ডেশন, গ্রামীণ উদ্যোগ, গ্রামীণ সামগ্রী ও গ্রামীণ শক্তি নামক প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি হয়েছে। আইন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও নির্দিষ্ট সংখ্যক পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যাদের হাতে এ আইন তৈরি হয়েছে, তারা এ আইনি প্রক্রিয়াকে জবরদখল বলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চাইছেন। সাইফুল মজিদ বলেন, আমরা কোনো প্রতিষ্ঠান জবরদখল করিনি। গ্রামীণ ব্যাংকের অনেক টাকা লোপাট হয়েছে। অনেক টাকা বিদেশে টাকা পাচার হয়েছে। ড. ইউনূস মানিলন্ডারিংয়ের প্রমাণ হাতে রয়েছে। 
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৭ ফেব্রুয়ারি)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা ইউ এস ডলার ১২২ টাকা ২ পয়সা ইউরোপীয় ইউরো ১৩২ টাকা  ব্রিটেনের পাউন্ড ১৫২ টাকা  ৬০ পয়সা ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৯ পয়সা  মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ২৫ টাকা ৩৫ পয়সা সিঙ্গাপুরের ডলার ৮৮ টাকা ৬২ পয়সা  সৌদি রিয়াল ২৯ টাকা ২৭ পয়সা কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা  অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৮ টাকা ৯৭ পয়সা   কুয়েতি দিনার ৩৯৫ টাকা ৪০ পয়সা   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৬ ফেব্রুয়ারি)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো- বৈদেশিক মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা ইউ এস ডলার ১২২ টাকা ২ পয়সা ইউরোপীয় ইউরো ১৩২ টাকা  ব্রিটেনের পাউন্ড ১৫৩ টাকা  ৫০ পয়সা ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৯ পয়সা  মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা সিঙ্গাপুরের ডলার ৮৯ টাকা ৪৯ পয়সা  সৌদি রিয়াল ২৯ টাকা ২৭ পয়সা কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ২৭ পয়সা  অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা   কুয়েতি দিনার ৩৯৪ টাকা ৭৮ পয়সা   ** যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
বন্ড দিয়ে ৯ ব্যাংক থেকে ২২৫৩ কোটি টাকা সংগ্রহ সরকারের
নয় ব্যাংক থেকে ২২ শত ৫৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে সরকার। এ জন্য তাদের দেওয়া হবে বন্ড। সারের ভর্তুকির টাকা দিতে না পেরে পাওনাদার কোম্পানিকে এ বিশেষ বন্ড দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগ, ব্যাংক ও পাওনাদার কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হয়।   গত বছরের শেষদিকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর মধ্যে দুই সরকারি-অগ্রণী ব্যাংককে ৪৪৭ কোটি এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংককে ২৮২ কোটি দেবে। অপর দিকে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংককে ৪৭৩ কোটি, সিটি ব্যাংককে ৩৯৭ কোটি, ঢাকা ব্যাংককে ৩৯২ কোটি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংককে ৯০ কোটি, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংককে ৬৯ কোটি, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংককে ৫৬ কোটি এবং এক্সিম ব্যাংককে ৪৭ কোটি টাকার বন্ড দেওয়া হবে। গত ৪ জানুয়ারি বন্ড দেয়া শুরু করে সরকার। ওই দিন সোনালী ব্যাংকের অনুকূলে ২ হাজার ৫৫৭ কোটি এবং আইএফআইসি ব্যাংকের অনুকূলে ৪৫৯ কোটি টাকা দেয়া হয়। পরে ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং জনতা ব্যাংককে ১ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকার বন্ড দেয়া হয়। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সার আমদানি করতে ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণপত্র খুলে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনসহ (বিএডিসি) কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ ঋণের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু ভর্তুকির অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না সরকার। ফলে দায় পরিশোধে বিশেষ বন্ড ছাড়া হচ্ছে। সারের ভর্তুকির পাওনা শোধে ১ মাস ১০ দিনে ৯ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি মিলে ১৩টি ব্যাংক তা পেয়েছে। ব্যাংক এশিয়ার অনুকূলে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার মধ্য দিয়ে সারের ভর্তুকি পরিশোধের কাজ শেষ করা হবে।  এর আগে নভেম্বরের শেষদিকে নিরবচ্ছিন্ন সার আমদানিতে সোনালী ব্যাংকের সহযোগিতা চায় বিসিআইসি। সে সময় শুধু ইউরিয়া সারের ভর্তুকি বাবদ ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাবে সরকারের কাছে।