• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

যানবাহনে ইমেইল ব্যবহারের সময়কে কর্মঘণ্টা হিসেবে গণ্য করা উচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৪৯ | আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৫

ইংল্যান্ডের একদল গবেষক বলছেন, যানবাহনে চলাচলের সময় অফিসের ইমেইল ব্যবহার করলে তাদের যাত্রার সময়টাকে কাজ বা অফিস টাইম হিসেবে ধরা উচিত। খবর বিবিসি বাংলার।

ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রেনে ব্যাপক মাত্রায় ওয়াইফাই এবং মোবাইল ফোন বিস্তারের ফলে কাজের সময়কে বাড়িয়ে দিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনটি তৈরি করার জন্য পাঁচ হাজার ট্রেন যাত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে।

একজন যাত্রী বলেছেন, বাসায় আমাকে বাচ্চাদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই আমি এই সময়টাকে কাজে লাগাই।

তিনি আরও বলেন, এটা খুব স্বস্তিদায়ক যে আমি কাজটা ট্রেনে বসেই শেষ করতে পারছি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৪ ভাগ যাত্রী ট্রেনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে অফিস বা কাজ সম্পর্কিত ইমেইল করছে।

অন্যরা তাদের নিজেদের মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করে একই কাজ করছে।

দেখা গেছে যেসব যাত্রী অফিসের পথে যাচ্ছে তারা আগামী দিনের পরিকল্পনা করে মেইল করছে।

আর ফিরতি যাত্রীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে তারা অফিসের নিয়মিত সময়ের মধ্যে যে কাজ শেষ করতে পারেননি সেসব কাজ ফেরার সময় ট্রেনের মধ্যে করছেন।

লন্ডন থেকে বার্মিংহাম যাচ্ছেন এমন একজন যাত্রী বলেছেন, এটা আমার জন্য একটা মৃত সময়। তাই আমি এটাকে কাজ শেষ করার একটা ভালো সময় হিসেবে বেছে নিয়েছি, যাতে করে রাতে কাজ করতে না হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা যত বাড়ছে তত প্রভাব চোখে পড়ছে। এর ফলে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কর্মঘন্টা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

কর্মজীবনের সামঞ্জস্য

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে এটা কী কর্মজীবনের সামঞ্জস্য করতে পারছে? একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে এটা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর?

যদি যাত্রাপথও কাজের অংশ হয় তাহলে কী সেটা কর্মঘন্টা হিসেবে ধরা হবে কিনা? এসব নানা প্রশ্ন।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : রয়টার্সের সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিন: জাতিসংঘ
------------------------------------------------------------------

গবেষক ড. জুলিয়েট জেইন বলেছেন, স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফোনে কাজ এবং কাজের বাইরের জীবনের 'সীমানাকে অস্পষ্ট করছে'।

তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, আমরা কীভাবে এই সময়ের হিসেব রাখবো? এবং এখন এটা জার্নি থেকে কাজে পরিণত হয়েছে?

সেন্টার ফর ট্রান্সপোর্ট এবং সোসাইটির ড. জেইন বলেছেন, কোন কন্সটিটিউটটা কাজ করবে সেটার সিদ্ধান্ত নেয়াটা এখন আসল চ্যালেঞ্জ।

কিন্তু ড. জেইন বলেছেন, এটার অর্থ এই দাঁড়ায় নিয়োগকর্তারা চাইবেন কীভাবে যানবাহন ব্যবহারকারীরা তাদের সময়কে ব্যবহার করছেন সে ব্যাপারে ‘আরও নজরদারি এবং জবাবদিহিতা।

আরও পড়ুন : 

এ/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়