• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা জালালুদ্দিন মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:১৮ | আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:২৫

কয়েক বছর ধরে অসুখে ভোগার পর হাক্কানি জঙ্গি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা জালালুদ্দিন হাক্কানি মারা গেছেন। জালালুদ্দিন আফগানিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি নেতা, যার সঙ্গে তালেবান ও আল-কায়েদার ভালো সম্পর্ক ছিল। খবর বিবিসির।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফগান ও ন্যাটো বাহিনীর ওপর বহু সমন্বিত হামলা চালিয়েছে এই হাক্কানি নেটওয়ার্ক।

ধারণা করা হয়, ২০০১ সাল থেকে এই জঙ্গিগোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ করছে জালালুদ্দিনের ছেলে। তবে কবে, কখন, কোথায় জালালুদ্দিন মারা গেছেন সে ব্যাপারে তালেবানের ওই বিবৃতিতে কোনও কিছু জানানো হয়নি।

আফগান তালেবানের ওপর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যৌবনে আল্লাহর ধর্মের জন্য জালালুদ্দিন যেমন কষ্ট সহ্য করেছেন, তেমনি জীবনের শেষ দিকেও দীর্ঘ রোগশোকে ভুগেছেন। কয়েক বছর ধরেই জালালুদ্দিনের মৃত্যুর গুজব শোনা যাচ্ছিল।

এর আগে ২০১৫ সালে হাক্কানি গ্রুপের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বিবিসিকে জানায়, আগের বছর মারা গেছেন জালালুদ্দিন। যদিও এটি কখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : কে হচ্ছেন পাকিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট?
------------------------------------------------------------------

১৯৮০-র দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে একজন গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে লড়াই করেছিলেন জালালুদ্দিন হাক্কানি। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা স্বীকার করেন, জালালুদ্দিন সেসময় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)-র জন্য খুবই দামি সম্পদ ছিলেন। কিন্তু ১৯৯৬ সালে তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে নিলে তাদের সঙ্গে হাত মেলান জালালুদ্দিন।

তালেবান তাদের বিবৃতিতে জালালুদ্দিনকে ‘একজন অনুকরণীয় যোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করে জানায়, তিনি এই যুগের জিহাদি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে স্বতন্ত্র।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন হামলা শুরু হলে আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মূলত পাকিস্তানের অভ্যন্তর থেকে কার্যক্রম চালানো হাক্কানি নেটওয়ার্ক আফগানিস্তানে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ২০১৭ সালে কাবুলে ট্রাক বোমার বিস্ফোরণ। ওই ঘটনায় দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন  :

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়