• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

ব্যাংকে একই পরিবারের ৪ পরিচালক, কার্যকরের নির্দেশ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৯:২৭ | আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২০:৪৯
একই পরিবারের চার পরিচালক একই ব্যাংকে থাকার ব্যাপারে কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ বুধবার এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানায়।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ০৪ নং আইন) ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছে এবং একই তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

ওই আইনের ধারা অনুযায়ী ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৩, ধারা ৭, ধারা ৮, ধারা ১৫, ধারা ১৫কক, ধারা ১০৯ এবং ধারা ১১৮-এর বিধানগুলোয় কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

পরিবর্তিত বিধানগুলোর নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সবার অবগতি ও পরিপালন নিশ্চিত করতে ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৮ এর গেজেট মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা মতে, প্রত্যেক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরবর্তী সভায় ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৮ অবগতির লক্ষ্যে উপস্থাপন করতে হবে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে বাজেট দেবে এফবিসিসিআই
--------------------------------------------------------

গত সেপ্টেম্বর মাসে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিলটি উত্থাপন করেন। তবে গত বছরের ৮ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংশোধিত আইনের খসড়া অনুমোদনের পর থেকে ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছেন।

নতুন এই সিদ্ধান্তে বেসরকারি ব্যাংকে ‘পরিবারতন্ত্র’ কায়েমের সুযোগ তৈরি হবে বলেও প্রতিক্রিয়া আসে। প্রভাবশালীদের সুযোগ দিতে আইনে এই সংশোধন আনা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সাংসদ ফখরুল ইমাম বলেছিলেন, এটা অনৈতিক। একজন ব্যক্তির স্বার্থে আইন হতে পারে না। ব্যাংকে একই পরিবারের দুজন থেকে চারজন করে পরিচালক করা হলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। এতে দেশে ফ্যামিলি ব্যাংকিং ব্যাংক দেখা যাবে। বেড়ে যাবে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ। ফ্যামিলি ব্যাংক হলে অর্থনীতির আর কিছু বাকি থাকবে না। সব লুটপাট হয়ে যাবে। একমাত্র ব্যাংকের পরিচালকের আত্মীয়-স্বজনেরা সুবিধা পাবে, আর কেউ পাবে না।

পরিচালকের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তিনি বলেছিলেন, এর ফলে যত দিন ব্যাংক থাকবে, তত দিন লুটপাটের ব্যবস্থা করে দেয়া হচ্ছে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইনটি ১৯৯১ সালের। ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরে অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এটা অকল্পনীয়। এ নতুন পরিস্থিতিতে কত টাকা বড় অংক, কত টাকা ছোট অংক, তা বদলে গেছে। আগে ব্যাংকে মূলধন লাগত আট কোটি, এখন ৪০০ কোটি লাগে। 

আরও পড়ুন:

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়