• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

পবিপ্রবিতে পটুয়াখালী-বরিশালদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ, আহত ১২

স্টাফ রিপোর্টার, পটুয়াখালী
|  ২৭ জুন ২০১৮, ১৭:২৬ | আপডেট : ২৭ জুন ২০১৮, ২০:০৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে পটুয়াখালী-বরিশাল অঞ্চলের আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 

মঙ্গলবার মধ্যরাতে এম. কেরামত আলী আবাসিক হল ও শেরে-ই বাংলা আবাসিক হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই অঞ্চলের  অন্তত ১২ জন আহত হন। 

আহতদের অধিকাংশই বরিশাল অঞ্চলের। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ফয়সাল ইসলাম, তপু, গৌরব, শুভ, অমিত সাদমান, সাকিবকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ঘটনার পর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্তসহ প্রভোস্ট ও প্রক্টররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। 

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নৌ টহল
--------------------------------------------------------

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ক্যাম্পাসে পটুয়াখালী-বরিশাল অঞ্চলের আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এম. কেরামত আলী আবাসিক হলে পটুয়াখালী ও বরিশাল অঞ্চলের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে তা শেরে-ই বাংলা আবাসিক হলসহ পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই অঞ্চলের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত আরটিভি অনলাইনকে জানান, আবাসিক হলের ছাত্রদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে এ সংঘর্ষ হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি হচ্ছে, কমিটির রিপোর্টের পর প্রকৃত কারণ বলা যাবে। 

এ ব্যাপারে দুমকি থানার ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস আরটিভি অনলাইনকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মধ্যরাতে পটুয়াখালী-বরিশাল অঞ্চলের পুরানো বিরোধের জের ধরে ফের সংঘর্ষ ও ভাঙচুর হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

আঞ্চলিকতার আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে গেলো ৩১ মে মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পটুয়াখালী ও বরিশাল অঞ্চলের ছাত্রদের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইদিন ভোরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেসময় উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: 

এসএস 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়