• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

‘পরিশ্রমী রিমন নিজেকে একটি জায়গায় দাঁড় করেছিল’

ফরিদপুর প্রতিনিধি
|  ২০ মার্চ ২০১৮, ১৪:২৫ | আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৮, ১৪:৫৭
নেপালে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির একজন ফরিদপুরের মাহমুদুর রহমান রিমন।

কঠোর পরিশ্রম করে অভাব অনটনের সংসারে নিজেকে একটি জায়গায় দাঁড় করেছিলেন। পরিবারে এনেছিলেন স্বচ্ছলতা। বৃদ্ধ বাবা-মা ও স্ত্রী তাতে স্বস্তিও পেয়েছিলেন। কিন্তু নেপালের ত্রিভুবন ট্রেজেডিতে পরিবারের একমাত্র আশা ভরসার প্রতীক রিমনের জীবন প্রদীপ নিভে যায়।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্কারদিয়া গ্রামের আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রিমনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশ নেন, ইউএনও বদরুদ্দোজা শুভ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহীনুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবলুসহ এলাকাবাসী।পরে পারিবারিক কবরস্থানে  রিমনকে দাফন করা হয়।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে চার প্রভাষককে দুদকে তলব
--------------------------------------------------------

এর আগে ভোরে ঢাকা থেকে রিমনের মরদেহ আ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া রিমনের বাড়ি গিয়ে তার মা-বাবা ও স্বজনদের সান্তনা দেন। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রিমনের মা লিলি বেগমের হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি।

এরপর নগরকান্দার ইউএনও বদরুদ্দোজা শুভ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিলি বেগমকে ৫০ হাজার টাকা দেন।

ইউএনও জানান, ওই অসহায় পরিবারকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট এক লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। 

লস্কারদিয়া গ্রামের মো. শওকত আলী শরীফ বলেন, রিমন  কঠোর  পরিশ্রম করে নিজেকে একটি জায়গায়  নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনিই পরিবারের হাল ধরেছিলেন। এখন তার বৃদ্ধ মা ও বাবাকে কে দেখে রাখবে? 

লস্কারদিয়া  ইউপি চেয়ারম্যান হাবিুবর রহমান বাবলু জানান, খুব হাসি-খুশি ও মিশুক ছিলেন রিমন। তার অকাল ও করুণ মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।

গত ১২ মার্চ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে রানার গ্রুপের হেড অব সার্ভিস এস এম মাহমুদুর রহমান রিমনসহ তার তিন সহকর্মী নিহত হন।

আরও পড়ুন: 

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়