• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

রাজধানীর হাটে পর্যাপ্ত পশু, দাম বেশি ক্রেতা কম

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৯ আগস্ট ২০১৮, ২১:১১ | আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩৬

কুরবানি ঈদের মাত্র আর দুই দিন বাকি। রাজধানীর হাটগুলোতে রয়েছে পর্যাপ্ত পশু। কিন্তু এতো পশুর বিপরীতে সেই পরিমাণ ক্রেতা নেই। তাই ব্যাপারীরা একটু হতাশ।

রাজধানীর অন্যতম বড় হাট গাবতলীর হাট। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা তাদের গরু নিয়ে এসেছে। আর ক্রেতারাও হাটে হাটে ঘুরে গরু দেখে যাচ্ছেন। দাম যাচাই করছেন কিন্তু কিনছেন না। এদিকে গরুর দামও কমাচ্ছেন না ব্যাপারীরা।

রোববার গাবতলীর পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, কোরবানি উপলক্ষে স্থায়ী এই হাট নির্দিষ্ট জায়গা ছাপিয়ে আশপাশে বিস্তৃত হয়েছে। বেশ অনেকখানি জায়গাজুড়ে রাখা হয়েছে কোরবানির পশু। বেড়িবাঁধের পাশেও কিছু কিছু গরু দেখা যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যে দেশি গরুর পরিমাণ বেশি। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী থেকে গরু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারীরা। ব্যাপারীরা সবাই নিজেকে খামারি বলে দাবি করেছেন।

-----------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সংসদের ২২তম অধিবেশন ৯ সেপ্টেম্বর
-----------------------------------------------------

নাটোর থেকে ফজলে রাব্বি ১৪০টা গরু নিয়ে এসেছেন। তিনি প্রতিবছরই গরু নিয়ে গাবতলীর হাটে আসেন। এই বছর দুইদিন হয়ে গেছে হাটে আসা। এই পর্যন্ত ৩০টা গরু বেচা হয়েছে। দাম গত বছরের থেকে বেশি। কারণ গো খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। তিনি জানান, গরু আনার সময় পথে তার কোনও সমস্যা হয়নি। কোনও বাধারও শিকার হননি।

গাবতলীর হাটে গরু কিনতে এসেছেন আব্দুস সোবহান। তিনি বললেন, হাটে কুরবানির পশুর দাম বেশ চড়া। তাই আজ দেখে গেলাম। কাল পরশু আবার আসব। তারপর দাম যাইহোক না কেন কিনতেই হবে। তবে এবার সব থেকে ভালো বিষয় হচ্ছে কোনও ভারতীয় গরু নেই। সব দেশীয় খামারের গরু। তাই এবার দেশীয় খামারিরা বেশি লাভবান হবেন।

তিনি আরও বলেন, মাঝারি আকারের এক গরুর দাম এক লাখ টাকা চেয়েছেন। কয়েকজন ক্রেতা গরুটিকে দেখে গেছেন। দামে বনিবনা হয়নি বলে ক্রেতারা কেনেননি। আমার কাছে মনে হয়েছে গরুটির দাম ৭০ হাজার টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।

এদিকে ব্যাপারী আবদুর জব্বার বললেন, এক লাখ টাকার কমে তিনি গরুটি বিক্রি করবেন না। তিনি এই দামেই বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করবেন। যদি এই দাম না পান, তাহলে বিক্রি না করে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যাবেন।

ঝিনাইদহ থেকে ১৩০টি ছাগল নিয়ে এসেছেন নাসের মিয়া। তিনি এখনও ছাগলের ক্রেতা পাননি। সবাই দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা দাম চাচ্ছি দেশি ছাগলের। আর রামছাগলের দাম একটু বেশি। এক জোড়া রামছাগলের দাম ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা চাচ্ছেন। তবে সামান্য লাভ রেখে সব ছাগল বিক্রি করে দেয়ার ইচ্ছা আছে।

গাবতলী পশুর হাটে আমজাদ বেপারী পাকিস্তান থেকে উট নিয়ে এসেছেন। সঙ্গে উটের একটি বাচ্চাও নিয়ে এসেছিলেন। হাটে আসার আগেই সেটা বিক্রি হয়ে গেছে। বাচ্চা উটটি ৬ লাখ দামে বিক্রি করা হয়েছে। বড় উটটি ২২ লাখ দাম চেয়েছেন। এ পর্যন্ত ১২ লাখ দাম উঠেছে। আর দুম্বা জোড়ার দাম চেয়েছি ৭ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন :

আরসি/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়