• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

প্রসবে সিজারিয়ান জরুরি ছিল কিনা যাচাই করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
|  ০৫ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:২২ | আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:৩৮
মাতৃমৃত্যুর হার আগের চেয়ে অনেক কমেছে। শুধু তাই নয়, মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে আমরা এখন সিজার বিষয়েও কঠোর হয়েছি। এখন থেকে প্রতিটি সিজারিয়ান অপারেশনের বিষয়ে আমাদের জানাতে হবে। যাচাই করে দেখা হবে সিজার করা জরুরি ছিল কি-না। এ জন্য সব তথ্য নির্দিষ্ট একটি ফরমে লিখে রাখতে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সচিবালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন উপলক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। আগামী ৭ এপ্রিল সারা বিশ্বে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১৮’ পালন করা হবে। এবার স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা : সবার জন্য সর্বত্র’।

তিনি বলেন, চিকিৎসক ও রোগীদের নিরাপত্তার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে। শিগগিরই এই আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে। আশা করছি এক মাসের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবো।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন হলে রোগী ও চিকিৎসক উভয়েরই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একইসঙ্গে আইনটির মাধ্যমে সব ধরণের অপচিকিৎসাও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বর্তমানে জিডিপির দুই দশমিক ৮ শতাংশই স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করছে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ। যা আগে ছিল ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ। মাতৃমৃত্যুর হার এখন প্রতি লাখে ১৭৬ জন। যা আগে ছিল ৪২ শতাংশের বেশি।

তিনি বলেন, আমরা আগামী মাসে ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেব। এ ছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৪০ হাজার কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হবে।

আগামী শনিবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়