• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

ছুটির দিনে ‘হাছনজানের রাজা’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১২:৪০ | আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৩:৪১
‘হাছনজানের রাজা’ নাটকের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রথম সারির নাট্যদল প্রাঙ্গণেমোর মঞ্চে এনেছে মরমী গীতিকবি হাছন রাজাকে নিয়ে নাটক ‘হাছনজানের রাজা’। এটি প্রাঙ্গণেমোরের ১৩তম প্রযোজনা।

সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, রামপাশা, লক্ষন শ্রী আর সিলেটের একাংশ নিয়ে পাঁচ লাখ বিঘার বিশাল অঞ্চলের জমিদার ও মরমী গীতিকবি হাছন রাজা। তাকে নিয়ে নাটকটি লিখেছেন শাকুর মজিদ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন অনন্ত হিরা।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর নাটক সরণির (বেইলী রোড) বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এই নাটকের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

এ নাটকের মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন ফয়েজ জহির। সঙ্গীত পরামর্শক হিসেবে ছিলেন হাছন রাজার গানের জনপ্রিয় শিল্পী সেলিম চৌধুরী এবং সঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন রামিজ রাজু।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণ জানালেন আমির খান
-------------------------------------------------------

আলোক পরামর্শক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশের প্রবীন আলোক পরিকল্পক ঠাণ্ডু রায়হান এবং আলোক পরিকল্পনা করেছেন তৌফিক আজীম রবিন। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন নূনা আফরোজ।

নাটকটিতে অভিনয় করছেন রামিজ রাজু, আউয়াল রেজা, মাইনুল তাওহীদ, সাগর রায়, শুভেচ্ছা রহমান, সবুক্তগীন শুভ, জুয়েল রানা, আশা, প্রকৃতি, প্রীতি, সুজয়, নীরু, সুমন, বাঁধন, টুসি ও রুমা।

উল্লেখ্য, হাছন রাজা (১৮৫৪-১৯২২) বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার একজন সামন্তপ্রভু ছিলেন। পিতা ও মাতা উভয়ের কাছ থেকে পাওয়া বিশাল জমিদারীর মালিকানা চলে আসে কিশোর বয়সে। বেহিসাবী সম্পদ আর ক্ষমতার দাপটে বেপরোয়া জীবন যাপনে অভ্যস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

জাগতিক লোভ লালসা, ক্ষমতায়ন, জবরদখল করেও তার প্রতিপত্তি বাড়ানোর  কাজে প্রবৃত্ত ছিলেন। কিন্তু এক সময় তার ভেতরের ভ্রান্তি ঘুচে যায়। মধ্য পঞ্চাশে এসে তিনি ভিন্ন এক মানুষে পরিণত হয়ে যান। তাঁর বোধ হয় যে এ জগত সংসারের সব অনাচারের মূলে আছে অতিরিক্ত সম্পদ।

কিছু দিনের জন্য অতিথি হয়ে আসা মানুষেরা আসলে মহা শক্তির কাছে একেবারে নশ্বর। তিনি তাঁর সম্পদ জন কল্যাণের জন্য উইল করে দিয়ে কয়েকজন সঙ্গিনীকে নিয়ে হাওরে হাওরে ভাসতে থাকেন। আর এর মধ্যে খুঁজতে থাকেন সেই মহা পরাক্রমশীলকে।

সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজতে খুঁজতে এক সময় আবিষ্কার করেন, তাঁর নিজের মধ্যেই তাঁর বাস। তাঁর যে পিয়ারীকে সবাই হাছনজান বলে জানে, সেই আসলে হাছন রাজা। জগতের মানুষের কাছে যিনি রাজা বলে চিহ্নিত ছিলেন, হাছন রাজার কাছে সে কেউ নয়, বরং পিয়ারী হাছনজানের ভেতরেই প্রকৃত হাছন রাজা বিরাজমান ছিলেন। 

আরও পড়ুন : 

পিআর/এম

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়