ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আমার কোনো স্ক্যান্ডাল নাই’

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০১৭, ০৫:৪৯ পিএম

সুন্দরী নায়িকা হিসেবে পরিচিত তমা মির্জা। রূপের সঙ্গে অভিনয়গুণের মিশেলে অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। শুক্রবার ক্যারিয়ারের ১৪তম ছবি ‘গেম রিটার্নস’ নিয়ে বড় পর্দায় আসছেন এ গ্লামার গার্ল। ছবিটি মুক্তির আগে তমা মির্জা মুখোমুখি হয়েছেন আরটিভি অনলাইনের। কথার পিঠে কথার ডালপালা ছাড়িয়ে গেম রিটার্নস, চলচ্চিত্র থেকে বিরতি নেয়া, কাজী মারুফের সঙ্গে গসিপ, পছন্দের নায়ক, নতুন কাজ ও বিয়ে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এ চিত্রনায়িকা। তমা মির্জার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ। আজ ছাপা হলো প্রথম কিস্তি।

'গেম রিটার্নস' ছবিতে আপনার চরিত্রটি কেমন?

ছবিতে আমি পায়েল চরিত্রে অভিনয় করছি। খুব চঞ্চল, ইনোসেন্ট ও মিষ্টি একটা মেয়ে। প্রথম থেকেই দেখা যাবে সে বাঁচতে চায় না। তার মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা কাজ করে। ঘটনার একটা পর্যায়ে ‘মায়া’র (নিরব) সঙ্গে তার পরিচয়। তারপর গল্পটি এগিয়ে যেতে থাকে।

নিরবের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

নিরবের সঙ্গে ২০১০ সাল থেকে বন্ধুত্ব আমার। ওর সঙ্গে কাজ করতেই ভালো লাগে। মনে হয় না কোনো হিরোর সঙ্গে শুটিং করছি। এক কথায় নিরবের সঙ্গে কাজ করতে খুবই উপভোগ করি।

ছবিটি নিয়ে আপনাকে প্রচারণায় বেশ ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে। মুক্তির আগে রেসপন্স কেমন পাচ্ছেন?

দারুণ সাড়া পাচ্ছি। রাজধানীর কালরাইল থেকে সারাদেশের হলগুলোতে আমাদের ছবি যায়। সেখান থেকেও ছবির ট্রেইলার এবং গান সবাই খুব পছন্দ করছেন।

‘গেম রিটার্নস’ ছবিতে অভিনয় করে আপনি কতটা তৃপ্ত?

যে কাজ আমার পছন্দ হয় না সেটি আমি করি না। নিজের কাছে ভালো না লাগলে ভালো সম্পর্কের জন্য কিংবা বেশি পারিশ্রমিক দিলেও সেই কাজটি করি না। ভালো বন্ধুত্ব আছে কাজটি করার জন্য কেউ রিকোয়েস্ট করল তখনো কিন্তু আমি কাজটি করছি না। যে কাজটি করে আমি নিজের জায়গা থেকে তৃপ্ত থাকবো সেই কাজগুলো করছি।

তার মানে ‘গেম রিটার্নস’ নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী আপনি..

ভালো ছবির জন্য বাজেট একটা বড় বিষয়। এই ছবিটি বেশ ভালো বাজেটের। বড় আয়োজনেই নির্মাতা ছবিটি তৈরি করেছেন। গল্পটি ভালো, অনেক ভালো শিল্পী কাজ করেছেন, গানগুলো সুন্দর, দর্শকদের বিনোদন দেয়ার মতো একটা প্যাকেজ ছবি বলতে পারেন। আমার অভিনীত ‘গ্রাস’ ও ‘নদীজন’ ছবি দু'টো যখন রিলিজ হয়েছিল। সিরিয়াস ঘরানার ছবি সবার ভালো লাগে না। কেউ কেউ খুব বেশি পছন্দ করেছিলেন ছবি দু'টো। আবার অনেকেরই ভালো লাগেনি। আর 'গেম রিটার্নস' তো বিনোদনে ভরপুর ছবি। ফ্যামিলি, ফ্রেন্ডস কিংবা গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড সবাই মিলে সিনেমা হলে উপভোগ করার মতো ছবি। আর সেই জায়গা থেকে প্রত্যাশাটা বেশি বলতে পারেন।

ছবিটি দেখতে কি সিনেমা হলে যাবেন?

যতদূর জেনেছি ছবিটি অর্ধশত সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। আগামীকাল ঢাকার মধ্যে যেসব হলে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে সবগুলো হলে দর্শকদের সঙ্গে একসঙ্গে ছবি দেখব। তবে পুরো ছবি দেখা সম্ভব হবে না। বিরতি পর্যন্ত এক হলে দেখব, বিরতির পর বাকিটা আরেক হলে গিয়ে দেখব। দর্শকদের সঙ্গে ছবি দেখার মজাটাই অন্যরকম। তাই এই সুযোগটা মিস করতে চাই না।

মাঝে চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন কেন?

২০১৪ সালে আমি কিছুটা বিরতি নিয়েছিলাম। এরপর তো ২০১৫-২০১৬ টানা কাজ করলাম। এই বছরে এই ছবি দিয়ে তিনটি ও ডিসেম্বরে ‘চল পালাই’ দিয়ে চারটি সিনেমা মুক্তি পাবে। দুই বছরে তো আমি চারটা ছবি করলাম। এছাড়াও ৩টা টিভিসি করেছি। নাটক করেছি ২টি, মিউজিক ভিডিও করেছি। ‘নদীজন’ করার পর বিরতিটা নিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয় এই বিরতি আমাকে অনেকটা দিয়েছে। ওই সময়ে ওয়েট কমিয়েছি, অভিনয়ে উন্নতির জন্য গ্রুমিং করেছি। আমি পর্দায় ছিলাম না, কিন্তু আমার ধ্যানজ্ঞান ফিল্ম নিয়েই ছিল।

‘অহংকার’ ছবিতে আপনাকে সেভাবে ফোকাস করা হয়নি-এমন একটি অভিযোগ করেছিলেন

গেলো ঈদে ছবিটি মুক্তি পায়। আমার একটা কষ্ট ছিল সেই জায়গা থেকে ভেবেছিলাম ছবিটি দেখবো না। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর অনেকেই ফোন দিয়ে জানিয়েছেন কাজটি খুব ভালো হয়েছে। আমাকে নাকি খুব সুন্দর দেখিয়েছে সবাই অনেক প্রশংসা করেছেন। অবশ্য দুই সপ্তাহ পরে আমি হলে গিয়ে ছবিটি দেখেছি।

দর্শকরা আপনার সৌন্দর্যের দারুণ প্রশংসা করে...

হাহাহা (হাসি) ধন্যবাদ। 'অহংকার' ছবিটি দেখতে হলে এসে দেখি, স্ক্রিনে যখন আমি আসছিলাম তখন দর্শকদের কাছে থেকে যে রেসপন্স পাচ্ছি। অন্য কোনো শিল্পীদের চেয়ে কম ছিল না। ওই ছবিতে আমার মনে হয় পরিচালক-প্রযোজকেরই ক্ষতি হয়েছে। কারণ তারা আমাকে ঠিক মতো উপস্থাপন করতে পারেননি ছবিতে। প্রপারলি তারা যদি প্রেজেন্ট করতেন তাহলে ছবির জন্য মেরিট ছাড়া ডিমেরিট হতো না।

ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো অপ্রাপ্তি আছে কি?

একদম নাই। ছয় বছরের ক্যারিয়ারে আমি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন এটি। এত কম সময়ে ও কম বয়সে ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্র পুরস্কার অনেকের ভাগ্যেই পাওয়া হয়ে উঠেনি। আমার আগে মিম আপু (বিদ্যা সিনহা মিম) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি আমার চেয়ে বয়সেও বড় আবার চলচ্চিত্রেও আমার চেয়ে আগে এসেছেন। সব মিলিয়ে আমি বলব অল্প সময়ে এতগুলো ছবিতে কাজ করা, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া, দর্শকের এতটা কাছে পৌঁছাতে পেরে আমি দারুণ আনন্দিত। রিলিজের হিসেবে ‘গেম রিটার্নস’ আমার ক্যারিয়ারের ১৪তম ছবি। একই সময়ে আমরা অনেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। তাদের মধ্যে এখন অনেককেই দেখা যাচ্ছে না। কেউ কেউ কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। এখন হলের সংখ্যা কম। এত কিছুর পরেও কাজ করে যাচ্ছি দর্শকরা আমাকে চেনেন পছন্দ করেন এটা আমার ভীষণ ভালো লাগে।

অনেকেই বলেন, আপনি কাজে নিয়মিত হলে আরো শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারতেন...

আমি কারো নাম বলতে চাইছি না। একজন হিরোইন আছেন যিনি প্রচুর কাজ করেন। হাতের সামনে দিয়ে কোনো ছবির কাজ চলে যেতে দেন না, ছাড়েন না। সব ছবি করেন। কিন্তু তার নামে রিউমার অনেক বেশি। কম বেশি স্ক্যান্ডাল আছে। তাকে মানুষ ভালোও বলে খারাপও বলে! আমার কথা হলো অনেক বেশি সিরিয়াসও হলাম। আবার বদনামও কামালাম। এমনটা আমার ক্ষেত্রেও হোক আমি তা চাইনি। আমার ফ্যামিলির প্রতি দায়বদ্ধতা অনেক বেশি। আমি একটা ভালো ফ্যামিলি থেকে এসেছি। আমার একটা সার্কেল আছে। সবকিছু ঠিক রেখে যতটুকু পারি ততটুকু কাজই করি। আল্লাহর রহমতে আমার নামে কোনো স্ক্যান্ডাল নাই, কোনো রিউমার নাই। সবাই সবাইকে নিয়ে সমালোচনা করে কিন্তু আমার সমালোচনা করতে গিয়ে মানুষ একটু হলেও ভাবেন। যে এই সমালোচনা করা ঠিক হচ্ছে কিনা।

(শুক্রবার পড়ুন সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় কিস্তি)

এম/এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
সুস্থ থাকুন বিয়ের মৌসুমে
বিয়ে করলেন কল্যাণ কোরাইয়া
বড়দিনে বিয়ের খবর দিলেন কল্যাণ
৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মেম্বারের দ্বিতীয় স্ত্রী