• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

ডিএসইর মালিকানায় সবুজ সংকেত পেল চীন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:২২ | আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:৪৫
বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২৫  শতাংশ মালিকানা কিনতে চায় চীনা কনসোর্টিয়াম। এর মাধ্যমে কনসোর্টিয়ামটি ডিএসইর কৌশলগত পার্টনার হতে চায়। এ ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে।

ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজেদুর রহমান বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চীনা কনসোর্টিয়ামের পক্ষে প্রস্তাবনা এগিয়ে নিতে সায় দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ডিএসই থেকে চীনা কনসোর্টিয়ামের বিনিয়োগ প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বিএসইসি এখন সেটি মূল্যায়ন করছে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভায় চীন কনসোর্টিয়ামটির প্রস্তাবনার অনুমোদন দেয়া হয়। ওই সময় জানানো হয়, মালিকানা বিক্রি নিয়ে ভারতের কনসোর্টিয়াম ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই) থেকে চাপ দেয়া হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসই বোর্ড আবারও বৈঠকে বসে। সেখানে আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়।

ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন, ২০১৩ অনুসারে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক করার পর স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ার কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে এ হার বাড়ানো যেতে পারে। কৌশলগত বিনিয়োগকারী বলতে আইনে সেসব প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে, যারা ইকুইটি বা টেকনোলজিক্যাল পার্টনার হিসেবে পর্ষদে থেকে ডিএসইকে একটি আধুনিক এক্সচেঞ্জে উন্নীত করতে সাহায্য করবে। তাদের সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেবে নীতিনির্ধারকরা।

দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসইর বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। এ হিসাবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৫ কোটি শেয়ার বিক্রির বাধ্যবাধকতা আছে এক্সচেঞ্জটির।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের জুনে ডিএসই দরপত্র আহ্বান করে চীনের দুইটি ও ভারতের এনএসই থেকে প্রস্তাবনা পায়।
ডিএসইর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সবদিক বিবেচনা করে সাংহাই ও শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য, পরিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক মানের।

২৫ শতাংশ মালিকানা কিনতে চীনের কনসোর্টিয়াম শেয়ারপ্রতি ২২ টাকা প্রস্তাব এবং পরিচালনা পর্ষদে একটি সিট চেয়েছে। তারা প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে চায়। ১০ বছরের জন্য তারা এই বিনিয়োগ থেকে কোনো রিটার্ন চায় না। 

অন্যদিকে ভারতের এনএসই প্রতি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা দেয়ার প্রস্তাব করেছে। কনসোর্টিয়ামটি পর্ষদে দুইটি সিট চেয়েছে। মালিকানায় এসে কনসোর্টিয়ামটি প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে চেয়েছে, তবে এ বাবদ কত টাকা তারা ব্যয় করবে তা স্পষ্ট করেনি।

এসআর/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়