• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ৩ কার্তিক ১৪২৫

রাজবাড়ীতে পদ্মায় ধরা পড়লো ২৮ কেজির বাঘাইড়

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
|  ২৫ জুন ২০১৮, ২০:৫৭ | আপডেট : ২৫ জুন ২০১৮, ২১:১৪
পদ্মা নদীর রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া ফেরিঘাট এলাকায় সোমবার আনন্দ হালদারের জালে ২৮ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিয়নের হাটবাড়ীয়া গ্রামের জেলে আনন্দ হালদার তার মাদারীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের তৃতীয় সেমিস্টারে পড়ুয়া ছেলে প্রশান্ত হালদারকে সাথে নিয়ে সোমবার দুপুরে পদ্মা নদীতে মাছ শিকার করতে নামেন। বিকেলে তাদের জালে আটকা পড়ে বড় আকারের একটি বাঘাইড় মাছ। পরে মাছটি জৌকুড়া ফেরিঘাট এলাকায় এনে ওজন করা হয়। তার ওজন হয় ২৮ কেজি। সে সময়ই মাছটি স্থানীয় বাজারে ছয়শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।

ওই ঘাট এলাকায় উপস্থিত থাকা রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ভুইয়া জানান, মেধাবী ছাত্র প্রশান্ত। সে ও তার বাবা আজ খুবই আনন্দিত। কারণ তাদের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। প্রশান্ত ছুটিতে এসে অভাবী জেলে বাবাকে মাছ শিকারে সহযোগিতা করছে। কাজ তার কাছে ছোট নয়। 

অপরদিকে গত রোববার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মার দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ২৫ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। রোববার ভোরে স্থানীয় জেলে সাইদ শেখের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নেয়া হলে সেখানকার মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু শেখ ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে ৩১ হাজার ২৫০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। পরে মোটের ওপর দেড় হাজার টাকা বেশি দিয়ে মাছটি কিনে নেন ঢাকায় বসবাসরত ফরিদপুরের একজন ব্যবসায়ী। বড় আকৃতির পাঙাশ মাছটি দেখতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভিড় জমায় স্থানীয় উৎসুক জনতা।

স্থানীয় জেলেরা জানান, এ রকম বড় পাঙাশের সচরাচর দেখা মেলে না আর জালেও ধরা কঠিন। জালে আটকালেও তা টেনে পারে তোলা আরও কঠিন কাজ।

দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, ইদানিং পদ্মা নদীতে সহজে পাঙাশের দেখা মিলছে না। জালে আটকা পড়া এমন বড় আকৃতির পাঙাশ খুবই সুস্বাদু হয়। কিন্তু বেশি দাম হওয়ায় সাধারণ মানুষ তা খেতে পারে না।

স্থানীয়রা বলেন, ‘পদ্মা নদীতে বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে এমন খবর শুনে এক নজর দেখার জন্য ফেরিঘাটে ওই পাঙাশ মাছটি ঘিরে অনেক মানুষ ভিড় করে। কেনার সাধ্য না থাকায় সাধারণ মানুষকে এ মাছ দেখেই সাধ মেটাতে হয়েছে।’

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়