• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

প্রবল বন্যাতেও পর্যটক বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজার

চৌধুরী ভাস্কর হোম, মৌলভীবাজার
|  ১৭ জুন ২০১৮, ০৮:৫২ | আপডেট : ১৭ জুন ২০১৮, ০৮:৫৯
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত চা বাগান অধ্যুষিত প্রাকৃতিক লীলাভূমি মৌলভীবাজার জেলায় অবসর সময়কে আনন্দময় করে তোলার জন্য রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের কাছাকাছি থেকে ঈদের ছুটি উপভোগ করতে চান অনেকেই। তাইতো জেলার পর্যটন স্পটগুলো ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

এখানে বিভিন্ন উপজেলায় টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, খাসিয়া পল্লী, এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড, কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, ঝর্ণাধারা হামহাম জলপ্রপাত, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠের সাত রংয়ের চা, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান, চা গবেষণা কেন্দ্র, কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী নবাববাড়ী, মুরইছড়া ইকোপার্ক, গগণ ঠিলা, দোলনচাঁপা ইকোপার্ক, মৌলভীবাজার সদরের বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক, মুন ব্যারেজসহ জেলার বিভিন্ন চা বাগান জীবনধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই জনপদ যেকোনো পর্যটকের মন ও দৃষ্টি কেড়ে নেবে।

যাতায়াত: ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া স্টেশনে নামতে হবে। বাসে আসলে শ্যামলী, রূপসী বাংলা, এনা, সাদ্দাম. রুপালী বাংলা পরিবহনে এসে শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ও কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা উপজেলায় নামতে পারেন। এরপর সিএনজি, বাস, অটোরিকশা, ট্যাক্সি করে পর্যটনস্পটগুলোয় যাওয়া যায়। প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটন গাইডও রয়েছে।

যেখানে থাকবেন: এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলে ফাইভস্টার হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান অ্যান্ড গলফ, কুলাউড়া উপজেলায় সিআরপি রেস্ট হাউজ, মৌলভীবাজার সদরের দুসাই রিসোর্ট, গগণঠিলাসহ স্থানীয় সব উপজেলাগুলোতে সব শ্রেণির মানুষের জন্য অর্ধশতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ব্যবস্থা আছে।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, পর্যটন স্পটে যাতে কোনও পর্যটক হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য স্পটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়