• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

শ্রদ্ধায় স্মরণ

অনলাইন ডেস্ক
|  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৩:২০ | আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২৩:২৬
একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে প্রেরণার উৎস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সফলতার চূড়ান্ত অর্জন আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। আর তাই সবস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন, বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবির মধ্য দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ করলো গোটা জাতি।

একুশের মহান ভাষাশহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রথম প্রহরেই হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। ফুলে ফুলে ভরে উঠে বাঙালির শোক আর অহংকারের মিনার।

রাত ১২ টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাবিব মিয়া শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ দলের সিনিয়র নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।

এরপর স্বাস্থমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ ১৪ দল, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর প্রধানরা, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, অ্যাটর্নি জেনারেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে সোমবার মধ্য রাতে ঘড়ির কাটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সবস্তরের মানুষ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় উপস্থিত হন।

এসময় সবস্তরের মানুষ খালি পায়ে কালো ব্যাজ ধারন ও হাতে ফুল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের দিকে এগিয়ে যান। একই সঙ্গে তারা সবস্তরে বাংলা প্রচলনের এবং অন্যান্য জাতিসত্তার ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবি জানান।

এছাড়াও প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানান বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও সিনেট সদস্য, সেক্টরস কমান্ডার্স ফোরাম, গণফোরাম, আওয়ামী যুব লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, বাংলা একাডেমীর সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ক্রাইম রিপোর্টাস ইউনিটি, শিল্পকলা একাডেমী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আজিমপুর, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, গণতন্ত্রী পার্টি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সমিতি এবং গণজাগরণ মঞ্চ।

এদিকে মঙ্গলবার ভোরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রভাতফেরি আজিমপুর কবরস্থানে শহিদদের কবরে ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ভোরের সূর্য ওঠার আগ থেকেই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও সব পেশা ও সবস্তরের মানুষে ঢল নামে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে।

এইচটি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়