
২২ গজের লড়াই অনেক করছেন। অনেক সময় জয়ের প্রান্ত থেকে ফিরে এসেছেন আবার দলকে উপহার দিয়েছেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ট্রফিটাও। তবে এবারের লড়াইটি ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রী পদ ঘিরে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে প্রবল উত্তপ্ত শ্রীলঙ্কা। আর তাই দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী তথা সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ক্রিকেট অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গাকে অপহরণ করার চেষ্টায় গুলি চলল।
রোববার রানাতুঙ্গাকে মন্ত্রী হিসেবে না মেনে একদল উত্তেজিত জনতা ঘিরে ধরে। কয়েকজন তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে দেহরক্ষীরা গুলি চালিয়ে দেয়। এতেই ১ জন নিহত ও দুই জন আহত হন।
লঙ্কান মন্ত্রীর ওপর হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহল সরগরম। তবে মন্ত্রী রানাতুঙ্গা নিরাপদে আছে বলেই জানা গিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, রোববার সিলোন পেট্রোলিয়াম করপোরেশনে নিজের অফিসে গিয়েছিলেন রানাতুঙ্গা। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে অপহরণের চেষ্টা চালায়। এরপরই গুলি চালিয়ে দেয় মন্ত্রীর দেহরক্ষীরা। তাতে তিনজন গুরুতর আহত হয়। পরে একজন নিহত হয়েছেন। গুলি চালানোর ঘটনা স্বীকার করেছেন পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুণশেখরা।
মূলত প্রধানমন্ত্রী পদ ঘিরে উত্তপ্ত দ্বীপরাষ্ট্রটি। প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা নিজের ক্ষমতাবলে আচমকা প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের পদ কেড়ে নেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় সাবেক প্রেসিডেন্ট মহিন্দা রাজাপাকসের নাম। এই খবরেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শ্রীলঙ্কায়।
আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল হয়েছে দেশের পার্লামেন্টের অধিবেশন। এদিকে বরখাস্ত হওয়া প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপ অসাংবিধানিক। ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির এই নেতার দাবি, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণেই তিনি এখনও প্রধানমন্ত্রী।
বিক্রমাসিংহে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হলেন রানাতুঙ্গা। তাকে অপহরণের চেষ্টার পিছনে প্রতিপক্ষ দল তথা রাজপাকসের অনুসারীদের হাত রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন :
ওয়াই/এ




