logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, একে অপরকে ‘ছেলেধরা’ বলে চিৎকার

গাজীপুর প্রতিনিধি
|  ২৪ জুলাই ২০১৯, ১০:০৬ | আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৯, ১২:১৪
গুজব
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, একে অপরকে ‘ছেলেধরা’ বলে চিৎকার
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় একজন আরেকজনকে ‘ছেলেধরা’ বলায় গণধোলাই খেয়েছে দুজনই।

গতকাল মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) সকালে গাজীপুরের শ্রীপুরের নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রী প্রিয়া ও তানিয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। 

এদিকে গণপিটুনির সময় দৌড়ে পালিয়ে যায় স্বামী মেহেদী হাসান। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রিকশায় ওই দম্পতি নয়নপুর যাচ্ছিল। তাদের সঙ্গে থাকা তানিয়া ঝগড়া মেটাতে বারবার চেষ্টা করছিল। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতেও রূপ নেয়। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে এ ঝগড়া হয় বলে জানান স্ত্রী প্রিয়া। এ অবস্থায় রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ‘ছেলেধরা-ছেলেধরা’ বলে চিৎকার শুরু করেন স্ত্রী। তখন স্বামীও স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ‘ছেলেধরা-ছেলেধরা’ চিৎকার করতে থাকেন। চিৎকার শুনে আশপাশে থাকা লোকজন দৌড়ে আসে। পরে কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের গণপিটুনি দেয় জনতা। গণধোলাইয়ের একপর্যায়ে পালিয়ে যান স্বামী মেহেদী।

শ্রীপুর থানার ওসি মো. লিয়াকত আলী আরটিভি অনলাইনকে জানান, ছেলেধরা বলতে আসলে কিছু নেই। স্বামী মেহেদী হাসান ও স্ত্রী প্রিয়ার ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী ছেলেধরা চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাদের ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে প্রিয়া ও তানিয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। 

প্রিয়ার বাড়ি শ্রীপুরের বেড়াইদেরচালা। তার বাবার নাম মুক্তিযোদ্ধা এবিএম তাজউদ্দিন।

আরও পড়ুন 

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়