• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

নির্বাচনের আগের দিন বুলবুলের লিখিত অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
|  ২৯ জুলাই ২০১৮, ১৫:৪৭ | আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৮, ১৬:২৬
রাজশাহীতে নির্বাচনের আগের দিন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিত  অভিযোগপত্র দিয়েছেন।  

বিএনপির এ প্রার্থী ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভোটার, পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গ্রেপ্তার বন্ধের আবেদনও জানান। 

রোববার দুপুর ১২টার দিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এই অভিযোগ দাখিল করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, ধানের শীষ প্রতীকের প্রধান নির্বাচন এজেন্ট এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু। 

ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২৭ ও ২৮ জুলাই ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টসহ প্রায় ৩০-৩২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে এলাকায় না থাকার হুমকি দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। ভোট কেন্দ্রে যেতেও নিষেধ করছে। 

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: সিলেট সিটি নির্বাচন: বিএনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন বললো ইসি
--------------------------------------------------------

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আমরা নির্বাচন কমিশনে প্রিসাইডিং অফিসারের তালিকা চেয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে বারবার অনুরোধ করে পাইনি। প্রয়োজনে এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসময় বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সকল নির্যাতন-জুলুম সহ্য করে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে আছি। প্রশাসন-পুলিশ যেভাবে আওয়ামী লীগের মতো কাজ করছে, তাতে নির্বাচন পরিস্থিতি সুষ্ঠু নয়। প্রয়োজনে ভোটের দিন মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে মাঠে নামবো আমরা।

তিনি বলেন, আমরা সবার কাছে অনুরোধ করছি, রাজশাহীর ঐতিহ্য লঙ্ঘন না করে ধৈর্যের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। আজ পর্যন্ত আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ আমরা দিয়েছি তার একটিও মান্য করা হয়নি। আমার ২৩-২৪ জন পোলিং এজেন্টকে খুঁজে পাচ্ছি না। অন্যদেরও নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আমাদের জেলা বিএনপির সাবেক নেতা দেলওয়ারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে পুলিশ। তাই আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিলাম। আমরা আমাদের পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা চাইলাম, মুক্তি চাইলাম।

আরও পড়ুন:

এসএস 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়