• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

আজানে কী শব্দদূষণ, জানতে চায় ভারতের পরিবেশ আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১০ | আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১২
প্রতীকী ছবি

চার মাস আগে হনুমানজয়ন্তী পালন করতে মোটরবাইক মিছিল করে দিল্লির রাস্তায় নেমেছিল অখণ্ড ভারত মোর্চা। মসজিদের সামনে গিয়ে অস্ত্রশস্ত্র হাতে স্লোগান তুলে গণ্ডগোল পাকানোর অভিযোগে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত এখনও চলছে। সেই অখণ্ড ভারত মোর্চার অভিযোগের ভিত্তিতেই জাতীয় পরিবেশ আদালত এবার নির্দেশ দিলো, পূর্ব দিল্লির সাতটি মসজিদ থেকে আজানের শব্দে শব্দদূষণ হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। খবর আনন্দবাজারের।

অখণ্ড মোর্চার অভিযোগ ছিল, পরিবেশ রক্ষা আইন ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি ভেঙে ওই মসজিদগুলো আজানের সময়ে লাউডস্পিকার বাজাচ্ছে। চেয়ারপারসন বিচারপতি আদর্শকুমার গয়ালের নেতৃত্বাধীন পরিবেশ আদালতের বেঞ্চের নির্দেশ, কেন্দ্রীয় ও দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে শব্দদূষণ যাচাইয়ের কাজটি করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ডেসিবলের মধ্যে যাতে লাউডস্পিকার বাজানো হয়, তা দেখার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : তাইওয়ানে হাসপাতালে আগুন, নিহত ৯
-------------------------------------------------------

আদালতের এই নির্দেশ পেয়ে উল্লসিত মোর্চার সভাপতি সন্দীপ আহুজা। তিনি বলেন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ যা করার করবে। তার সঙ্গে আমরাও পরীক্ষা করতে নামবো। সোজা ১০০ নম্বরে ফোন করে আজানের আওয়াজ শুনিয়ে দেব।

বিধি অনুযায়ী, হাসপাতাল-স্কুলের মতো ‘সাইলেন্স জোনে’লাউডস্পিকারের নির্ধারিত মাত্রা দিনের বেলায় ৫০ ডেসিবেল, রাতে ৪০ ডেসিবেল। আবাসিক এলাকায় তা যথাক্রমে ৫৫ ডেসিবেল ও ৪৫ ডেসিবেল। অখণ্ড মোর্চার আইনজীবী রাহুলরাজ মালিকের আদালতে অভিযোগ ছিল, অনেক মসজিদের কাছে স্কুল-হাসপাতালও রয়েছে।

১৯৯৮ সালে বিজেপির সাবেক সাংসদ বৈকুণ্ঠলাল শর্মা অখণ্ড ভারত মোর্চা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমান সভাপতি সন্দীপ আহুজা আরএসএস, বজরং দল, যুব মোর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রতি বছরই হনুমানজয়ন্তীতে ‘বজরং সশক্ত র‌্যালি’বের করে মোর্চা। সাম্প্রতিক সময়ে মিছিলের দৈর্ঘ্য, পরিধি বেড়েছে। সন্দীপের যুক্তি, হিন্দুদের অনুষ্ঠানেও স্পিকার বাজে। অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু ‘তারা’অনুমতি ছাড়াই দিনে পাঁচবার লাউডস্পিকার বাজান। আইন সবার জন্যই এক হওয়া উচিত। এই জন্যই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির দাবি তুলছি।

আরও পড়ুন  : 

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়