
অবশেষে রহস্য উদঘাটন হলো চার হাজার বছরের পুরনো মমির। চার হাজার বছরের পুরনো একটি মিসরীয় সমাধি মন্দিরে লুটপাটের সময় মমির মাথা থেকে দেহ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে ডাকাতরা। এরপর এটি কার মাথা তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভ্রান্তি শুরু হয়েছিল ১৯১৫ সাল থেকে। সম্প্রতি সেই রহস্য উদঘাটন করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট , সিএনএন।
সম্প্রতি চার হাজার বছরের পুরনো ওই মমিটির ডিএনএ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন এফবিআইয়ের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। ফলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে মমিটির। ১৯১৫ সালে এ সমাধি মন্দিরটিতে অনুসন্ধান করা হয়। সে সময়েই দেখা যায় অতীতে কোনো এক সময় এ স্থানে লুটপাট করা হয়। আর ডাকাতরা মমির মাথা থেকে দেহ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা এ মমির মাথার ব্যাপারে কোনোভাবেই নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। কারণ এ সমাধি মন্দিরটি যে ব্যক্তির তিনি একজন গভর্নর। তার নাম ডিজেহুতিয়েনখট। তবে এ বিচ্ছিন্ন মাথাটি সে ব্যক্তির নাকি অন্য কারো তা বোঝা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার ১২ বছরের কারাবাস শুরু
--------------------------------------------------------
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের একটি জাদুঘরে সে সমাধি মন্দিরটির সব সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এতদিন রাখার পর এবার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষজ্ঞরা মাথাটির পরিচয় উদঘাটনে করতে সফল হয়েছেন।
এফবিআই বিশেষজ্ঞরা মমির দাঁত থেকে শেষ পর্যন্ত ডিএনএ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এক পুরুষের মমি এটি। অর্থাৎ সেই গভর্নরেরই মাথা। অন্য কারো নয়। অতীতে ডিএনএ প্রযুক্তি এতটা উন্নত ছিল না। এমনকি হাজার বছরের পুরনো মমি থেকে ডিএনএ নির্ণয়ের সুবিধাও সেভাবে ছিল না। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তিতে বিজ্ঞানীরা নিখুঁতভাবে মমির ডিএনএ বিশ্লেষণ করতে পারছেন।
আরও পড়ুন :
এপি/এমকে




