• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

৮৫ ভাগ নারী পোশাক শ্রমিক যৌন হয়রানির শিকার: সজাগ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৭ আগস্ট ২০১৮, ২১:৪৭ | আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৮, ২২:২০
কর্মক্ষেত্রে ৮৫ শতাংশ পোশাক শ্রমিক যৌন হয়রানির শিকার হয় বলে এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের এই যৌন হয়রানির জন্য দায়ী কারখানার সুপারভাইজার থেকে শুরু করে মধ্যম সারির কর্মকর্তারা।

সোমবার রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে নারীর প্রতি সহিংসতা’ শীর্ষক আয়োজিত সেমিনারে এ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

নারীদের নিয়ে কাজ করা পাঁচটি সংগঠন- ব্ল্যাস্ট, ব্র্যাক, ক্রিশ্চিয়ান এইড, নারীপক্ষ ও এসএনভির যৌথ উদ্যোগে ‘সজাগ’ এই সেমিনারের আয়োজন করে। সজাগ-এর প্রকল্প পরিচালক রওশন আরা সেমিনারে পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন। পরিসংখ্যানের ওপর আলোচনা করেন সজাগ কোয়ালিশনের দলনেতা মাহীন সুলতান।

চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকার ৮টি কারখানার ৩৮২ নারী পোশাক শ্রমিকের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : যে কারণে প্রত্যাহার নারায়ণগঞ্জের ৮ গোয়েন্দা পুলিশ
-------------------------------------------------------

পরিসংখ্যানে আসা প্রত্যেকটি কারখানা কমপ্লায়েন্সভুক্ত এবং এর মধ্যে অর্ধেক সজাগ কোয়ালিশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। কমপ্লায়েন্সের তালিকার বাইরের কারখানাগুলোর পরিসংখ্যান করলে এ হয়রানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হয়।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শ্রমিকদের ২২ শতাংশ বলেছেন তারা কারখানার ভেতরে অথবা বাইরে শারীরিক, মানসিক ও যৌন হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন। ৬৬ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, তারা কারখানার কমিটির কাছে কোনও সহযোগিতা বা প্রতিকার চান না। কারণ কমিটির কাছে কোনও বিচার পাওয়া যায় না। ১১ শতাংশ নারী শ্রমিক মনে করেন, তারা কর্মক্ষেত্রে অনিরাপদ। ৮৩ শতাংশ মনে করেন, কর্মক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে অশালীন বা অকথ্য ভাষায় কথা বলা, কারখানায় প্রবেশের সময় নিরাপত্তা কর্মীর অস্বস্তিকর চেকিং, পুরুষ সহকর্মীর অপ্রত্যাশিত স্পর্শ, যৌন সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা এগুলো হয়রানি। আর ৬৮ শতাংশ বলেন, কর্মক্ষেত্রে তেমন কোনও কার্যকর যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি নেই।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন মিনিস্ট্রি অব লেবার অ্যান্ড ইমপ্লয়মেন্টের ল’ ডিভিশনের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি বেগম মোর্শেদা, ডাইফির জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ওমেন এমপাওয়ারমেন্ট প্রজেক্ট ডিরেক্টর ডিআইজি মতিউর রহমান, রেনেসাঁ গ্রুপের করপোরেট হেড অব এইচআর সৈয়দা শায়লা আশরাফ প্রমুখ।

আরও পড়ুন : 

আরসি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়