ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

কার্বন গ্রিনে বিষমুক্ত হবে সবজি-ফল: লাইফ অ্যান্ড হেলথ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১৭ পিএম

‘বিষযুক্ত খাবারের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য। আর জনস্থাস্থ্যের এই ঝুঁকি কমাতে, বিষযুক্ত খাবারকে নিরাপদ করবে কার্বন গ্রিন। এটি এখন দেশের সুপার শপ, ফার্মেসি ও খুচরা দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।’

রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানান লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান ডা. শক্তিরঞ্জন পাল।

ডা. শক্তিরঞ্জন পাল বলেন- ‘ফলমূল ও শাকসবজিতে আর কীটনাশক ও ফরমালিনের ভয় নেই। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমরা নিয়ে এসেছি কার্বন গ্রিন; যা ফলমূল ও শাকসবজির উপরিভাগে লেগে থাকা কীটনাশক ও ফরমালিনের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মুক্ত করে খাবার করবে নিরাপদ। সাধারণত লবণ পানি, ভিনেগার কিংবা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ব্যবহারে ফলমূল ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ কীটনাশক ও রাসায়নিক মুক্ত হয়; যা খাওয়ার জন্য নিরাপদ নয়।

১৮০ মিলিয়ন বাংলাদেশির খাদ্য নিশ্চিতে উচ্চ ফলনের দরকার উল্লেখ করে ড. শক্তি আরও বলেন- ‘বেশি ফলনের জন্য খাদ্যশস্যে ব্যবহার করা হয় কীটনাশক। তবে দিন দিন কীটনাশক ব্যবহারের মাত্রা বাড়ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত ১০ থেকে ১২ বছরে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যে কীটনাশকের ব্যবহার ৩২৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন- সাধারণত কীটনাশকগুলোর মধ্যে অর্গানোফসফেট (প্যারাথিওন, ম্যাল্যাথিয়ন, ডায়াজিনন), কার্বামেটস (এলডিকার্ব, কার্বোফুরান), পাইরিথ্রয়ড্স (এলাথ্রিন, রেসমেথ্রিন, প্যারমেথ্রিন, সাইফ্লথ্রিন) এবং অর্গানোক্লোরাইডস (ডিডিটি, এলড্রিন) বেশি ব্যবহার হয়। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি, ফসল ভেদে কখনও কখনও সহনশীল মাত্রার চেয়ে ৫ থেকে ৩১ গুণ বেশি কীটনাশক এবং কীটনাশক জাতীয় পদার্থের অস্তিত্ব পেয়েছে ।’

ড. শক্তি বলেন- ‘কীটনাশক-ফরমালিনযুক্ত ফল ও শাকসবজি জনস্বাস্থের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এর প্রভাবে ক্যানসার, হাঁপানি, ডায়াবেটিস, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, গর্ভপাত, অ্যান্ডোমেট্রিওসিস, জন্মগত ত্রুটি, অটিজম, আলঝেইমার রোগ, পারকিনসন্স ডিজিজসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে। অর্গানোফসফেটের কারণে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের সমস্যা হয়। কার্বামেটস ও পাইরিথ্রয়ডস শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার হওয়ার কারণ। কীটনাশকের ব্যাপারে সামাজিক ও জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে আমরা একটি রোগগ্রস্ত জাতিতে পরিণত হচ্ছি।’

তিনি বলেন-‘তাই লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড সামাজিক প্রচারণা ও গণসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এবং যেসব সংস্থা স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রচারণা এবং রোগ প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করে, তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চায়। তাই আমরা নিরাপদ ও কম খরচে কীটনাশক এবং ফরমালিন দূষণের প্রতিকার হিসেবে নিয়ে এসেছি কার্বনগ্রিন।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত কার্বন গ্রিন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) দ্বারা পরীক্ষিত এবং বিএসটিআই অনুমোদিত।

ফলমূল ও শাকসবজিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ও ফরমালিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. নীলাঞ্জন সেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. এনামুল হক, ফয়সাল আনোয়ার, রাসেল মাহমুদ খান, সামসুল আরেফিনসহ লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন :

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীতে হাঁটু ব্যথায় করণীয়
শীতে শতকরা ৪২ ভাগ মানুষের হাঁটু ও অন্যান্য জয়েন্টের ব্যথা বেড়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে ঠাণ্ডা, আর্দ্র আবহাওয়ায় জয়েন্ট ব্যথা বৃদ্ধি পায়। শীতে বায়োমেট্রিক চাপ কমে যায়। ফলে আমাদের শরীরের কোষ বা টিস্যুগুলো আমাদের স্নায়ুর ওপর চাপ দেয়।  এজন্য জয়েন্টে ব্যথা হয়। এছাড়াও যাদের হাঁটুতে আথ্রাইটিস আছে তাদের হাঁটু ব্যথার মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যায়। ইংরেজিতে কবি জর্জ হারর্বাট বলেছেন, শীতে প্রত্যেক মাইল দ্বিগুণ হয়ে যায়। এসময় আমাদের জয়েন্ট মুভমেন্ট কমে যায়। অনেকেই দীর্ঘ সময় এক পাশে শুয়ে থাকেন ফলে জয়েন্ট ব্যথা হয়। এছাড়াও শীতে আমাদের ভাইটাল ওরগান হার্টকে গরম রাখার জন্য আমাদের শরীর কাজ করে। ফলে পেরিফিরাল বা প্রান্তীয় জয়েন্টগুলো অতি মাত্রায় ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং ব্যথা হয়। ব্যথা সারাতে কী করবেন নিয়মিত শরীরচর্চা করুন (প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট)। শরীরচর্চা আপনার রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা হাঁটু ব্যথা কমায়। নিয়মিত এক্সারসাইজ হাঁড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে জয়েন্ট রিলেটেড বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করে। পাশাপাশি ডিপ্রেশন কমিয়ে মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। ব্যথা সারাতে ফিজিওথেরাপি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন যুগান্তকারী চিকিৎসা। বলা হয়ে থাকে, ফিজিওথেরাপি ইজ  মেডিসিন ফর টুডে অ্যান্ড টুমোরো, এক্সারসাইজ ইজ মেডিসিন ফর টুডে অ্যান্ড টুমোরো। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ব্যথা নিরাময়ে কিছু প্রাকৃতিক ঔষধের কথা বলেছেন। যেমন- মধু (ব্যথার স্থানে মধুর সাথে ভিনেগার মিশিয়ে মাখালে ব্যথা কমে),খেজুর, কালো জিরা, ওলিভ অয়েল,তরমুজ ইত্যাদি খাবার ব্যথা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও লাল আটার রুটি, লাল চালের ভাত খান ,প্রচুর পানি খান। প্রতিদিন ৩০ মিনিট গাঁয়ে রোদ লাগান। ধূমপান বর্জন করুন। খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন -সামুদ্রিক মাছ , টুনা মাছ, বাদাম, ফ্লাকসসিড যোগ করুন। এগুলো শীতকালীন ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে। শীতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন, সুস্থ থাকুন, হাঁটু ব্যথা মুক্ত থাকুন। যারা হাঁটুর অসুস্থতায় বা ব্যথায় ভুগছেন তারা নিকটস্থ মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিসর্ডার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন। লিখেছেন: প্রফেসর ডা. আলতাফ সরকার মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিজঅর্ডারস বিশেষজ্ঞ ডি/
শীতে হাঁটু ব্যথায় করণীয়
মিষ্টি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়?
বর্তমানে অসংখ্য মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই রোগটি সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। ফলে ডায়াবেটিস থেকে মুক্ত থাকতে চান সবাই। কিন্তু এই রোগ থেকে দূরে থাকতে কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয়। সাথে নজর দিতে হয় খাবারেও। বেশি মিষ্টি খেয়ো না, ডায়াবেটিস হবে- এই কথাটি আমরা অনেক শুনি। কিন্তু আসলেই কী মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয়? প্রশ্নটির উত্তর আমাদের অনেকেরই জানা নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস ফুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিসের জন্য শুধু সুগারই দায়ী নয়। পুরো জীবনধারণ প্রক্রিয়ার কারণে রোগটি হয়ে থাকে। অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভিন্ন ধরনের খাবার গ্রহণের ফলে রক্তে গ্লুকোজের উপস্থিতি বেড়ে যায়। সেখান থেকেই ডায়াবেটিসের শুরু হয়। ডায়াবেটিস সম্পর্কে মুম্বাইয়ের পুষ্টিবিদ কাজল ভাতেনা বলেন, মিষ্টি খেলেই যে ডায়াবেটিস হবে, এমন নয়। তবে যারা খুব বেশি পরিমাণে মিষ্টি খায় এবং কোনও ধরনের পরিশ্রম করে না তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কাজল আরও বলেন, আপনি যদি প্রতিদিন মিষ্টি খেয়ে সঠিক নিয়ম মেনে পরিশ্রম করেন তাহলে ওই মিষ্টি আপনার কোনও ক্ষতি করবে না। তবে আপনি অলস হলে মিষ্টি কম খাওয়া কিংবা না খাওয়াই ভালো। ডি/এমকে
মিষ্টি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়?
শীতের অসুখ-বিসুখ থেকে বাঁচতে
সর্দি-কাশি ও ভাইরাস জ্বর রাইনো ভাইরাস নামক এক ধরনের ভাইরাস হলো সর্দিকাশি ও ভাইরাসজনিত জ্বরের জন্য দায়ী। এই অসুখ সারাতে আদা চা, তুলসী পাতার রস, লেবু, মধু খুব ভালো কাজ করে। তবে ডাক্তারের সহযোগিতা নেয়া ছাড়া কোন ওষুধ খাওয়াই উচিত নয়। টনসিলের প্রদাহ চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ঔষধ, অ্যালার্জির কারণে অ্যান্টিহিস্টামিন গ্রুপের ওষুধ খেতে হবে। গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করতে হবে। গলায় গরম কাপড় জড়িয়ে রাখা ভালো। নিউমোনিয়া ডাক্তারের নির্দেশনামাতে বয়স এবং ওজন অনুসারে শ্বাসকষ্ট, বুক দেবে যাওয়া, কাশি, অ্যালার্জি হলে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ নিতে হবে। মুখে ঘা খাদ্যে ভিটামিন বি-টু ও আয়রনের অভাবে মুখে ঘা হয়। প্রচুর শাক-সবজি, ফল খাওয়া উচিত। এই অসুখের জন্য অনেক সময় ট্যাবলেট ও ড্রপ ব্যবহার করা যায়। হাতা-পা ফাটা অতিরিক্ত ধুলাবালি থেকে দূরে থাকতে হবে। পিওর ভ্যাজলিন, গ্লিসারিন ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর। হাঁপানি গুরুতর সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শে অবস্থার ধরন বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। রোগীকে সব সময় মাথার দিক উঁচুতে রেখে আলো বাতাস চলাচল করে এমন ঘরে রাখতে হবে। ঠাণ্ডা, ধুলাবালি, অ্যালার্জি থেকে সাবধান থাকতে হবে। সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা, মানসিক কষ্ট লাঘব, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । কাজেই সব দিক থেকে খেয়াল রেখে জীবন যাপন করলে আমরা ছোটখাটো অনেক অসুখ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি খুব সহজেই। শীতের এই সময়টুকু কাটুক সতর্কতায় ও সাবধানে। জেএম/ডি
শীতের অসুখ-বিসুখ থেকে বাঁচতে
ডায়াবেটিসের লক্ষণ
বর্তমানে অনেক মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্ত হওয়ার পর একজন রোগী নানা ধরনের সমস্যায় পড়েন। অথচ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আগে কিছুটা সতর্ক থাকলে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জেনে নিন কখন বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস হচ্ছে- ক্লান্তি ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে অল্প পরিশ্রমেই শরীর ক্লান্ত হয়। ঘুম পায়, কাজে মনোযোগ দিতেও কষ্ট হয়।  ইনফেকশন ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে শরীরে ফাংগাস ইনফেকশন বেশি হয়, আর যেকোনও ধরনের ইনফেকশন সারতে অনেক বেশি সময় নেয়।   অতিরিক্ত ক্ষুধা   খাওয়ার পরই দেখা যায়, আবার ক্ষুধা অনুভব করছেন। আসলে যখন রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন শরীরকে সচল রাখার জন্য অতিরিক্তি খাদ্যের প্রয়োজন হয়।  গলা শুকিয়ে যাওয়া একটু পরপরই পানির তেষ্টা পায়, আর বারবার মূত্রত্যাগ করার প্রয়োজন বোধ হয়। এটাই ডায়াবেটিসের মূল লক্ষণ হিসেবে ধরে নেন অনেকে।   দৃষ্টি  দীর্ঘদিন হাই ব্লাড সুগার থাকলে চোখের দৃষ্টি অস্পষ্ট হয়ে আসে।  ওজন অনেকেই খুশি হন এই ভেবে যে, অনেক চেষ্টা করেও যখন ওজন কমানো যায়নি। আর এখন এমনিতেই ওজন কমে স্লিম হয়ে যাচ্ছে। সত্যিটা হচ্ছে, ডায়াবেটিস যখন শরীরে বাসা বাঁধে, তখন ওজন কমে যায়।  এই লক্ষণগুলোর যে কোনও একটি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডি/এসএস
ডায়াবেটিসের লক্ষণ
লিভার সুস্থ রাখতে
শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার। কিন্তু বর্তমানে অনেকেই লিভার সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। দেহের লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে জড়িত। যেমন-হজম শক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও দেহের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে। এজন্য সুস্থ থাকতে চাইলে লিভারের যত্ন নিতে হবে। প্রতিদিনের অনিয়মিত খাবার বা কিছু বদ অভ্যাস লিভারের ক্ষতি করে থাকে। আবার এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে আপনার লিভার সুস্থ থাকবে। জেনে নিন, কিভাবে লিভার ভালো রাখবেন। ১. শরীরের খারাপ কোলেস্টরেল কমাতে সাহায্য করে রসুন। রসুনের মধ্যে থাকা এনজাইম শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রসুন রাখুন। ২. আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় আপেল রাখুন। আপেল শুধু লিভার থেকে নয়, খাদ্যনালী থেকেও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। ৩. টক দই লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আপনার দিনটি শুরু করতে পারেন দই খেয়ে। ৪. লেবু লিভার পরিষ্কার রেখে স্বাস্থ্য যেমন ভালো রাখে, তেমনি টক্সিন দূর করে ওজনও বশে রাখে। ৫. মৌসুমি ফল হিসেবে কালো জাম লিভারের জন্য অসাধারণ কার্যকর। লিভার সুস্থ রাখতে বেশি বেশি কালো জাম খান। ৬. লিভার খারাপ হলে বা শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে প্রতিদিন করলা ও উচ্ছে খেলে দারুণ ফল পাবেন। ৭. রসুনের মতো কচি বাঁধাকপিতেও থাকে সালফার; যা লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ফ্রি র‌্যাডিকাল ড্যামেজ রুখতেও সাহায্য করে। ৯. পালং শাক, ব্রকোলি জাতীয় সবজি লিভার পরিষ্কার রাখে ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এগুলো খাওয়ার ফলে লিভারের সকল অংশের উন্নতি সাধিত হয়। ১০. লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয় শরীরের বিষাক্ত পদার্থের মাধ্যমে। পানি শরীর থেকে এই বিষাক্ত পদার্থগুলোকে বের করে দেয়। তাই লিভার সুস্হ রাখতে বেশি বেশি পানি পান করুন। ১৩. নিয়মিত কফি পানে লিভারের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্তত ১৪ শতাংশ কমে। তবে পরিমিত পান করতে হবে। ডি/পি
লিভার সুস্থ রাখতে
আরও পড়ুন
সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করেও বিষমুক্ত আম পাওয়া যাচ্ছে না