• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১১ জুলাই ২০১৮, ২২:৪৬ | আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৮, ২৩:২২
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে  কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে চলা বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, খুনি নূর চৌধুরীর বিষয়ে এরইমধ্যে কানাডার ফেডারেল কোর্টে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। যেমন কানাডাসহ বেশকিছু পশ্চিমা দেশ মৃত্যুদণ্ড বিলোপ করেছে। বিশেষত কানাডার আইনে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ কারণেই কানাডার ফেডারেল কোর্ট কর্তৃক নূর চৌধুরীর রিফিউজি স্ট্যাটাস আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং তার বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন আদেশ জারি হওয়া সত্ত্বেও কানাডা সরকার নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে দিতে অপারগতা প্রকাশ করছে। জটিলতা সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আমরা কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : দেশে রোহিঙ্গা আছে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭৬ জন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
--------------------------------------------------------

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার পর দায়ীদের বিচার প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্তির পর ওই কালো আইন বাতিল করা হয় এবং খুনিদের বিচারের সম্মুখীন করা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ১২ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ২০১০ সালের ১৮ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আসামি আবদুল আজিজ পাশা জিম্বাবুয়েতে মৃত্যুবরণ করেন। বাকি ৬ আসামি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে পালিয়ে আছে। এদের মধ্যে নূর চৌধুরী কানাডায় ও রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে আছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অপর পলাতক আসামিদের মধ্যে খন্দকার আবদুর রশিদ পাকিস্তানে, শরিফুল হক ডালিম লিবিয়া অথবা জিম্বাবুয়ে এবং আবুল মাজেদ সেনেগালে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হয়। রিসালদার (অব.) মোসলেহ উদ্দিন জার্মানিতে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হলেও এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। পলাতক এসব খুনিদের অবস্থান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কূটনৈতিকসহ সব তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন : 

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়