logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬
evaly

দুই দশক আগে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের স্মৃতিচারণ করলেন ইংলিশম্যান

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৪:১২ | আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৮:৪৬
BANvPAK- rtvonline
১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ দল
নর্দাম্পটনের ওয়ান্টেজ রোডের কাউন্টি গ্রাউন্ড। বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান পর্যায়ে আসার পেছনে এই মাঠের ‘অবদান’ অনেক। ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। চলতি বিশ্বকাপের মতো ২০ বছর আগেও স্বাগতিক ছিল ইংল্যান্ড। নর্থহ্যাম্পটনে তৎকালীন ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি পাকিস্তানের মুখোমুখি টাইগাররা। সেবার প্রথম রাউন্ড থেকে ছিটকে যাওয়ার পর আমিনুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন দলটির জন্য এই ম্যাচটি ছিল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। দুই দশক পর আবার একে অপরের বিপক্ষে নামছে উপমহাদেশের দুই দল। শুক্রবারের এই ম্যাচটি অনেকটা আনুষ্ঠানিকতাই বলা চলে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ফাইনালে পৌঁছালেও এবার দুই দলই সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেছে। 

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছে। ওই ম্যাচে ৬২ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল সেসময়কার বিশ্বকাপের নবাগত বাংলাদেশ দল। এই জয়ের হাত ধরেই পরের বছর টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যায় দলটি। দিনের পর দিন বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেকে আরও শক্তিশালী দল হিসেবে পরিণত করেছে বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানের বিপক্ষের ওই ম্যাচের সাক্ষী ছিলেন মাইকেল ওয়েলস নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সঙ্গে কথা বলেছেন এই ইংলিশ নাগরিক।

ওয়ান্টেজ রোডের এই মাঠের সাপোর্টার্স ক্লাবের কয়েকজন নারী ছিলেন। তাদের মধ্যে থেকে একজন জানান, তার স্বামী ওই ম্যাচটি দেখেছিলেন।

আকরাম খানের ৬৬ বলে ৪২ রানের ওপর ভর করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২২৩ রান

মাইকেল ওয়েলস বলেন, মাঠের চমৎকার পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। আমার মনে আছে সেটা মোবাইল ফোনের প্রথম ধাপ ছিল। আর সবাই নিজেদের বন্ধুদের কাছে এই ম্যাচের তথ্য দিচ্ছিল। মাঠে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের সমর্থকরা বেশি ছিল। নবাগতরাই মাঠের লড়াইয়ে সেরা ছিল। বিশেষ করে বোলিং ও ফিল্ডিং। আমার মনে হয় তার পরের বছরই টেস্ট স্ট্যাটসও আদায় করে নিয়েছিল দলটি।

১০ ওভারে ৩১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন খালেদ মাহমুদ সুজন এতে ৪৪.৪ ওভারে পাকিস্তান অল আউট হয় ১৬১ রান করে 

নর্দাম্পটনের কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের সাপোর্টার্স কমিটিতে বর্তমানে সদস্য পদে রয়েছেন মাইকেল ওয়েলস। নিজের ৫০ জন্মদিনে ক্লাবের পক্ষ থেকে সদস্যপদও লাভ করেছেন এই ক্রিকেট ভক্ত।

তার কাছে ২০ বছর আগের হওয়া ওই ম্যাচটি অন্যতম সেরা ম্যাচ। তিনি বলেন, সাধারণত জিলেট কাপ ও ন্যাটওয়েস্টের ম্যাচে স্টেডিয়ামে অনেক দর্শক থাকে। এই মাঠে বেশ কয়েকটি টি-টোয়েন্টির বড় ম্যাচ আয়োজন হয়েছে। তবে ১৯৮১ সাল থেকে এই পর্যন্ত আমার দেখা অন্যতম সেরা ম্যাচগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচটি।

ওয়াই

evaly
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়