সাউদাম্পটনের উইকেট থেকে সুবিধা পাবে বাংলাদেশ: রোডস

প্রকাশ | ২৩ জুন ২০১৯, ২১:০৪ | আপডেট: ২৩ জুন ২০১৯, ২১:১৩

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

সমীকরণ বলে এই ম্যাচে জয়ের কোনও বিকল্প নেই বাংলাদেশের, যদি সেমি-ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হয়। সাউদাম্পটনের রোজবোল তাই মহারণের অপেক্ষায়।

সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে ক্ষুধার্ত বাঘেরা। বাঁচা-মরার ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে তিনটায়। এই ম্যাচে জয় ছাড়া কিছু ভাবছে না বাংলাদেশ।

ক্রিকেটের বিশ্বমঞ্চে দশ দলের লড়াইটা জমেছে বেশ। উড়ন্ত ইংল্যান্ডকে মাটিতে নামিয়ে আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। সেমিতে যাওয়ার রাস্তা খুলেছে বাদ পড়ার শঙ্কায় থাকা দলগুলোর। সুযোগটা হাতছাড়া করতে চায় না বাংলাদেশ। আশা বাঁচাতে জিততে হবে প্রত্যেকটা ম্যাচ।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনেও তেমনটাই জানালেন টাইগার কোচ স্টিভ রোডস।

‘যতদূর জানি বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের র‍্যাঙ্কিং বিবেচনায় আমরা উপরে অবস্থান করছি। তারপরও আমরা এই দলকে সমীহ করেই মাঠে নামব। তবে আমরা অবশ্যই তাদের ভয় করি না। আমরা তাদের হারানোর জন্য প্রস্তুত। কিন্তু আপনাকে মানতে হবে, আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা যেভাবে খেলছে তার জন্য দেশটা গর্বিত। ক্রিকেটে বাংলাদেশ ২০ বছর পার করে এসেছে। আফগানিস্তানও খুব ভালো করছে। অল্প কয়েক বছরে আফগানিস্তান ক্রিকেট যা করেছে তা আশ্চর্যজনক প্রচেষ্টার ফল। আমি মনে করি এই দুটি দেশ আসলে ক্রিকেটকে সমৃদ্ধ করছে।’

এসব ছাপিয়ে কোচের আশা, সাউদাম্পটনের উইকেট থেকে সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

‘আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই আসলে। তবে উইকেটে কিছুটা টার্ন আছে। বাংলাদেশের এমন কিছু উইকেট দেখেছি। এটা আমাদের জন্যে ভালো। এটা সবুজ উইকেট নয়, আবার ফ্লাইং উইকেটও নয়। বলতে পারেন এটা আমাদের জন্য ভালো রকমের সুবিধা।’

এদিকে চোট কাটিয়ে এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে ফিরতে পারেন সাইফউদ্দিন ও মোসাদ্দেক হোসেন। নতুন করে চোট পেয়েছেন মেহেদী মিরাজ। অনুশীলনের সময় মাথায় বল লেগে ব্যথা পেলেও শঙ্কা দূর করেছেন কোচ।

‘শারীরিকভাবে সে ভালো আছে। তার বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল। পিঠের ব্যথা তাকে ভীষণ ভোগাচ্ছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার আসল কারণ এটিই। বোলিং করতে পারছিল না বলেই তাকে আগের ম্যাচে নেওয়া হয়নি। এদিকে মিরাজও মাথায় আঘাত পেয়েছে। সেও ভালো আছে। আপাতত ফিজিওর তত্ত্বাবধানে আছে। আশা করি দ্রুত ফিরবে।’

এমআর/পি