logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
evaly

বিশ্বকাপ আয়োজকদের কাছে বৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ নাকি অন্যকিছু?

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইনv
|  ১৬ জুন ২০১৯, ১৭:৫৭ | আপডেট : ১৬ জুন ২০১৯, ১৮:৩৬
ছবি- সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যে মে-জুন পুরোটা সময় হুট করেই বৃষ্টি নামে। এরইমধ্যে বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচ ভেস্তে গেছে বৃষ্টির কারণে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরের ইতিহাসে এর আগে এমনটা হয়নি কখনোই। ১০ জাতি নিয়ে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্ট নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বিশ্বকাপ দেখতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে উড়ে এসেছেন ভক্ত-সমর্থকরা। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সমর্থক ও স্পন্সরদের সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি)।

১৯৯৯ সালের সবশেষ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ইংলিশরা। আয়োজক হিসেবে সঙ্গে ছিল স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসও। বিশ্বকাপের ওই আসর মে-জুনে আয়োজন করা হয়েছিল । তবে ছিল রিজার্ভ ডে। এবারের আয়োজনে সেটি না থাকায় প্রশ্ন বাক্যে জর্জরিত আইসিসি।

অস্ট্রেলিয়া-ভারত ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল। ওই ম্যাচে ২ উইকেটে ৩৫৯ রান সংগ্রহ করেছিল অজিরা। প্রথম ইনিংসের পর বৃষ্টি হানা দেয়। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয়রা চাচ্ছিল ম্যাচটি যাতে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রচণ্ড বৃষ্টির পরও মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডেরার্স স্টেডিয়ামের পানি নিষ্কাশন করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত ব্যাট করতে নেমে ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। ওই ম্যাচেই আন্তর্জাতিকমানের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রথম দেখতে পেয়েছিল ক্রিকেট বিশ্ব।

অন্যদিকে ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ডেই বৃষ্টি পরবর্তী মাঠের অবস্থা এতটাই করুণ হয় যে, দায়িত্বে থাকা আম্পায়াররা ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হন। কারণ ভেজা আউটফিল্ডে খেলোয়াড়দের আহত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে বেশি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বৃষ্টির প্রসঙ্গে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাকে এক হাত নিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর। ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইসিসি আরও ভালো কিছু করতে পারত।নির্দিষ্ট সময়ের শেষ ২-৩ ঘণ্টা আগেই থেমেছিল বৃষ্টি। এরপরও তারা ম্যাচ শুরু করতে পারেনি। সবচেয়ে বড় কথা তিনদিন আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। তাহলে পুরো মাঠই ঢেকে ফেলা উচিত ছিল। এতে আউটফিল্ড ভিজত না।

গম্ভীরের সঙ্গেই সুর মিলিয়েছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিও। তিনি বলছেন, বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে আউটফিল্ডের জন্য কভার থাকা ভীষণ প্রয়োজন। কারণ ইংল্যান্ডে বৃষ্টি খুবই নিয়মিত একটা বিষয়।

এমন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট আইসিসির কাছে দুটি বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে, প্রতিটি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখার দরকার ছিল। অন্যটি হচ্ছে, আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করা।

যদিও ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আগেই জানিয়েছে যে আগস্টে বসতে চলেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজ। ঐতিহাসিক এই দ্বিপাক্ষিক লড়াইয়ের নিজেদের প্রচারণার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে প্রস্তুত থাকে। আর ইংলিশ বোর্ড এই অ্যাশেজের জন্য বিশ্বকাপকেই ফেলে দিয়েছে অসুবিধায়।

ওয়াই/পি

evaly
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়