অস্ট্রেলিয়ার দল থেকে ছিটকে গেলেন রিচার্ডসন

প্রকাশ | ০৮ মে ২০১৯, ১৮:২৮ | আপডেট: ০৮ মে ২০১৯, ১৯:১১

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
ছবি-সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান সকল খেলোয়াড়। কিন্তু সুযোগ পেয়েও কপালে জুটলো না ঝাই রিচার্ডসনের। ২০১৮ সালে অভিষেকের পর মাত্র ১২টি ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেয়েই জাতীয় দলে নিজের মাহাত্ব বুঝিয়ে ছিলেন এই পেসার। যার কারণে বিশ্বকাপের জাতীয় দলে মিচেল স্টার্ক-প্যাট কামিন্সদের সঙ্গে সুযোগও পেয়েছিলেন তিনি। 

কাঁধের চোটের কারণেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ছিলেন দলের বাইরে। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় নিজেকে দুরন্তভাবে মেলে ধরছিলেন তিনি। তাই প্রাথমিকভাবে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর সপ্তাহ তিনেক আগে এসেও পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় নিজেকে সরিয়ে নেন ঝাই রিচার্ডসন। 

তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সাড়া মেলার পরও ঝাই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় হতাশ অস্ট্রেলিয়া দলের ফিজিও ডেভিড বেকলে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বেকলে জানান, সাম্প্রতিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নেটে বল করার সুযোগও দেয়া হয়েছিল তাকে। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত কাঁধের চোটের উপশম না হওয়ায় বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে ঝাইকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

নিজেকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে রিচার্ডসন বলেন, আসলে এটা মেনে নেয়া কঠিন। কারণ, বিশ্বকাপ তো আর প্রতিদিন আসে না। প্রতিদিন বিশ্বকাপে খেলার সুযোগও পাওয়া যায় না। তারপরও আমি কঠিন সত্যটি বলতে যাচ্ছি। আমি ভেবেছিলাম যে হয়তো বিশ্বকাপের আগে সেরে উঠতে পারব। সেটার জন্য আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞও ছিলাম। সম্ভাব্য সব কিছু চালিয়ে গিয়েছি। প্রতিদিন জিমে গিয়েছি। দৌড়েছি। ফিজিওর কাছে গিয়েছে। চিকিৎসা নিয়েছি। পুরো প্রক্রিয়ায় আমি আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু হয়নি। আর কাঁধের ইনজুরি ভিন্ন। এটা ভিন্নভাবে আচরণ করতে পারে। আমি চালিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু দলকে আমি আমার সেরাটা দিতে পারতাম না হয়তো। সে কারণেই সরে যাওয়া।

ঝাইয়ের পরিবর্তিত হিসেবে ২০টি ওয়ানডে ম্যাচে ২৯ উইকেটের মালিক কেন রিচার্ডসনের সামনে খুলে গেল বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ। ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক-বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শিবিরের শুরু থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কেন।  

৩০ মে থেকে বিশ্বকাপ শুরু হলেও ১ জুন আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

এএ/ওয়াই