logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

মিরাজের বিশ্বকাপ ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ৩১ মার্চ ২০১৯, ২০:০৮ | আপডেট : ৩১ মার্চ ২০১৯, ২০:১৫
ছবি- সংগৃহীত
ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলেই জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় দলে। খুব দ্রুত জাতীয় দলে জায়গা করে নিলেও অনেকের মতো হারিয়ে যাননি বরং দলে পাকা করেছেন নিজের জায়গা। মেহেদী হাসান মিরাজ এখন জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি সব ফরম্যাটেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন যোগ্য হিসেবে।

অপেক্ষা এবার বিশ্বকাপ। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন সব খেলোয়াড়ই দেখেন। তেমনই একজন মিরাজ। বর্তমান বাংলাদেশ দলের কনিষ্ঠতম খেলোয়াড়দের একজন হয়েও নিজেকে বিশ্বকাপ দলে থাকার যোগ্য দাবিদার হয়ে উঠেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের বাকি আরও দুই মাস। এর ভেতরই যে যা করার করতে হবে সেটা ভালোই জানা আছে এই ডান-হাতি অলরাউন্ডারের।

সদ্য শেষ হওয়া নিউজিল্যান্ড সিরিজে খুব একটা ভালো কাটেনি মিরাজে। শুধু মিরাজের না, খারাপ সময় কেটেছিল গোটা দলের।

এর থেকে বের হতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেই মনোযোগ দিয়েছে সবাই। মিরাজও তেমনই একজন।

আজ রোববার তার দলের কোনও ম্যাচ ছিল না। অনুশীলন করেছেন শের ই বাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমী মাঠেই। অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথায় কথায় উঠে এসেছে মিরাজের বিশ্বকাপ ভাবনাগুলো।

মিরাজের দুশ্চিন্তা স্পিন। ইংল্যান্ডের মাঠগুলো খুব একটা স্পিন সহায়ক নয়। উইকেট পাওয়াটা এতো সহজ না সেখানে। তাহলে?

‘আমার মনে হয় উইকেট নেয়ার চেয়েও সেখানে স্পিনারদের কাজ হবে রান বেঁধে রাখা। কারণ, ওইসব দেশের উইকেটে স্পিনাররা বেশি সাহায্য পায় না। উইকেট না বের করতে পারলেও রান দেয়া যাবে না।’

এ নিয়ে মিরাজ আরও বলেন, এক্ষেত্রে প্রতি ওভারে যদি পাঁচ-সাড়ে পাঁচ রানের ভেতর রান আঁটকে রাখা যায় তাহলে আমার মনে হয় অনেক ভালো বোলিং ফিগার হবে। আর যদি দুয়েকটা উইকেট নেয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই। আমি মনে করি বিশ্বকাপে স্পিনারদের মূল ভূমিকা হবে রান কম দিয়ে পেসারদের সাহায্য করা।

মিরাজ আপাতত প্রস্তুতি সারছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলে। এখানে খেলেই যেতে হবে আয়ারল্যান্ড সফরে।

‘প্রিমিয়ার লিগে খেলার ভেতরই ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হবে। বোলিংয়ের দুর্বলতা ধরে ধরে কাজ করতে হবে আর স্কিলের উন্নতি করতে হবে। খুব বেশি সময় পাবো না কিন্তু যে সময়টা পাবো সেটা সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে। এরপরই আছে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ওখানে খেলেই আমরা বিশ্বকাপ খেলতে যাব।'

মিরাজের ভাবনায় শুধু বোলিংয়ের গুরুত্ব নয়, সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন ব্যাটিংয়েও। শেষদিকে যদি কয়টা রান যোগ করে দেয়া যায় তাতে বোলারদের উপর ছাপ কমে আসে বলেও জানান এই অলরাউন্ডার।

‘দলের বিপদের সময় বা শেষদিকে যদি ২০ থেকে ৩০ রান করে দিতে পারি সেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি যখন ব্যাটিং করতে যাই তখন অনেক বড় ইনিংস খেলার সুযোগ পাব না। সেক্ষেত্রে দল আমার কাছ থেকে আশা করে ২০-৩০ কিংবা ৪০ রান আশা করতেই পারে। আমি যদি স্কোরবোর্ডে তেমন রান যোগ করতে পারি বা শেষের দিকে একটা জুটি গড়তে পারি তাহলে দলের জন্য অনেক সাহায্য হবে।'

এমআর/

evaly
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়