logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

এশিয়া কাপ খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ সাকিবের

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৭:০২ | আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৭:২৯
‘সাকিব আল হাসান’ বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভরসার অন্যতম নাম। সাকিবের হাত ধরে অনেক জয়ের সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। সেই সাকিবের হাতই এবার ছুরি-কাঁচির নিচে যেতে হবে।

bestelectronics
পুরনো চোটের ব্যথা নিয়ে খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ক্যারিবীয় সিরিজ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়েছিলেন ব্যথানাশক ইনজেকশন।

ইনজেকশন নিয়ে আর কত। সাকিব ব্যথা মুক্ত হতে চান লম্বা সময়ের জন্য। তাই করাতেই হবে অপারেশন। এছাড়া কোনও পথ নেই টাইগারদের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের।

পূর্ণাঙ্গ সফরের দুই টেস্ট বাদ দিলে অসাধারণ এক সফর কেটেছে বাংলাদেশ দলের। সমান ২-১ ম্যাচে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয়।

এই দুই সিরিজ জয়ে হাজার মাইলের ক্লান্তি আর হাতের ব্যথার চাপও দূর হয়ে গেল সাকিবের। কিন্তু ব্যথা তো আছে! এই ব্যথার মাঝে শঙ্কা উঁকি দিয়েছে দুবাইতে এশিয়া কাপ খেলা নিয়ে।

সাকিবের মতে, যত দ্রুত সম্ভব অপারেশন সেরে ফেলা উচিৎ। ব্যথা বয়ে বেড়াতে চাচ্ছেন না তিনি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ে আর শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোটে পড়েন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

চিকিৎসকের পরামর্শে পুনর্বাসনে ছিলেন বেশ কয়েকদিন। এরপর আবারও মাঠে ফেরেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই ত্রিদেশীয় নিদাহাস ট্রফিতে।

আজ দেশে ফিরে হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের।

সেখানে সাকিব বলেন,  আমরা সবাই জানি যে সার্জারি করাতে হবে।  এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, কোথায় করলে, কবে করলে ভালো হয়।  তবে আমি মনে করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করে ফেলা ভালো।  খুব সম্ভবত এশিয়া কাপের আগেই হবে।

এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার আরও খোলাসা করেন এশিয়া কাপের আগে কেন অপারেশন।

সাকিবের মতে, এশিয়া কাপের আগে হওয়া উচিত। আমি চাই না  পুরোপুরি ফিট না হয়ে সেখানে খেলতে। এভাবে যদি চিন্তা করি তবে এশিয়া কাপের আগেই হবে।

এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী বলেছিলেন, অপারেশন লাগতে পারে সাকিবের।

এরপর বিসিবির চিকিৎসক আরও বলেন, অপারেশন করাতেই হবে সাকিবের। অস্ত্রোপচার করলেও আগের মতো ঠিক হবেনা। সাকিবের বাঁ হাতের যে আঙ্গুলে চোট পেয়েছিল সেখানে ফিঙ্গারের জয়েন্ট ডিস-লোকেশন ছিল। চোট পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয় সার্জন ডেভিড হয় এর তত্ত্বাবধানে সাকিবকে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেরে তোলা হয়। কিন্তু ইনজেকশন দিয়ে কতদিন। সফর শেষ করে দেশে আসলে সাকিব ও টিম ম্যানেজমেন্ট বসে সিদ্ধান্ত নিবে কখন অপারেশন করাবে সে। এরপর সুস্থ হতে সময় লাগবে দেড় মাসেরও বেশি সময়।

আরও পড়ুন :

 

এমআর/এমকে 

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়