logo
  • ঢাকা রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৭

বাংলাদেশ- ১০৬, ১৯৫ | ভারত- ৩৪৭/৯ (ডিক্লে.) | ভারত ইনিংস ও ৪৬ রানে জয়ী

শেখার বাকি আছে আরও!

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:৫৮ | আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:০৫
শেখার বাকি আছে আরও!
ছবি- সংগৃহীত
বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, অনেক কিছু শিখেছি। যে ভুলগুলো হয়েছে সেসব থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে ভালো করার চেষ্টা থাকবে। এই ভুলগুলো পুনরায় হবে না।

আসলেই কি? দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। অধিনায়কের বদল হয়, দলের একাদশ পরিবর্তন হয় কিন্তু ভুল শোধরানো হলো কবে!

ইন্দোরে তিন দিনে ম্যাচ হেরে যে শিক্ষা পাওয়া হয়েছে, তার থেকে শিক্ষা নিয়ে ইডেনে দুই দিন ৪৫ মিনিটে হেরেছে বাংলাদেশ। পড়াশোনার চাপ বোধ হয় এটাকেই বলে। পড়তে পড়তে পাগল হয়ে যাওয়ার নজীরও শোনা যায় অবশ্য মাঝে মাঝে।

যাইহোক, ইডেনের ফ্লাড-লাইটের আলো দু’দিনে নিভিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচিয়ে দেয়ার কৃতিত্বটা অন্তত বাংলাদেশেরই পাওনা।

টস: বাংলাদেশ
বাংলাদেশ- ১০৬, ১৯৫ | ভারত- ৩৪৭/৯ (ডিক্লে.) | ভারত ইনিংস ও ৪৬ রানে জয়ী
উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন হওয়া গোলাপি বলের ঐতিহাসিক ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে, যতদিন ক্রিকেট থাকবে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শচীন টেন্ডুলকার, কপিল দেবদের মতো কত রথী-মহারথী। প্রত্যাশা একটাই ছিল, সম্মানজনক কিছু উপহার দেবে বাংলাদেশ।

টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে এক নম্বরে থাকা ভারতের মতো দলের সঙ্গে বাংলাদেশ জিতবে না সেটা অনুমেয়ই ছিল। কিন্তু এতো বাজে খেলবে সেটাও ভাবেননি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

‘ভারত যত ভালো বলই করুক, সিনিয়রদের ব্যাপারে ভিন্ন ধারণা ছিল আমার। যেহেতু ওরা এর থেকেও ভালো বোলার খেলে এসেছে এতো বছর ধরে তাই ভারতের বোলারদের মোকাবেলা করতে পারবে। প্রত্যাশা মতো কিছুই পাইনি। প্রথম ইনিংস তো ভালো হয়নি, দ্বিতীয় ইনিংসও হয়নি।’

পার্থক্যটা কি তবে লাল আর গোলাপি বলেই? কিন্তু লাল বলে যে দশা, গোলাপি বলেও একই দশা।

ম্যাচ শেষে মুমিনুল হক বললেন, আমার কাছে মনে হয় লাল বল আর গোলাপি বল এক না। লাল বলের চেয়ে গোলাপি বলের চ্যালেঞ্জটা বেশি থাকে। বিশেষ করে নতুন বলে চ্যালেঞ্জটা বেশি। আমরা যদি নতুন বলের চ্যালেঞ্জটা নিতে পারতাম, আপনি দেখেন যে শেষের দিকে যখন শিশির পড়ার পর ব্যাটিং শুরু করে তখন জিনিসটা সহজ হয়ে গিয়েছিল। আমার কাছে মনে হয় গোলাপি বলে নতুন বলের চ্যালেঞ্জটা বেশি। যেটার চ্যালেঞ্জটা নিতে পারিনি যে কারণে পিছিয়ে গেছি।

ইন্দোর টেস্টের পর ইডেনে লজ্জার হারের স্মৃতিটা খুব দ্রুতই ভুলে যেতে চাইবে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কল্যাণে বেশ কয়েকটা টেস্ট ম্যাচ খেলতে হবে টাইগারদের। আপাতত মুমিনুলের ভাবনায় ভবিষ্যৎ।

‘আপনারা সবাই অবগত যে, টেস্ট তেমন খেলা হয় না আমাদের। আমার কাছে মনে হয় সামনে অনেক টেস্ট ম্যাচ আছে। প্রায় ১০টা টেস্ট ম্যাচ আছে। আমরা যখন একসাথে অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলব সেটা আস্তে আস্তে ওভার-কাম হবে।’

 

এমআর/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বাংলাদেশের ভারত সফর এর সর্বশেষ
  • বাংলাদেশের ভারত সফর এর পাঠক প্রিয়