• ঢাকা সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

‘বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট দিয়ে ইতিহাসের অংশ হতে পেরেছি’

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০৪ মে ২০১৯, ২১:৩৩ | আপডেট : ০৪ মে ২০১৯, ২৩:৪৫
ইতিহাসের সঙ্গে জড়াতে কার না ভালো লাগে? যদি সেটা হয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অগ্রযাত্রার বড় কোনও অংশ, তা হলে তো কথাই নেই। তেমনই একটা টুর্নামেন্ট ‘বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ’। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নামে যে টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তার অংশ হিসেবে বেসরকারি টিভি চ্যানেল আরটিভিও এর গর্বিত অংশীদার।

whirpool
টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই আরটিভি পরিবারের সদস্যরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে দেশ ও দেশের বাইরের কোটি ফুটবল ভক্তের কাছে। টেলিভিশনের পাশাপাশি আরটিভির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার করা হয়েছে সবগুলো ম্যাচ। প্রথমবারের মতো ক্রীড়াঙ্গনে পা রেখে সফলতাই দেখিয়েছে আরটিভি। টুর্নামেন্টটির স্বত্ত্বাধিকারী ‘কে-স্পোর্টস’ কে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান আরটিভি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। ‘কে-স্পোর্টস’ এর পক্ষে তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন ইরিন হল্যান্ড।

আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য পুরো সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

ইরিন হল্যান্ড: প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-২৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ। এই প্রথমবারই আপনারা সরাসরি খেলা দেখালেন। এই অসাধারণ টুর্নামেন্টটি সম্প্রচারের দায়িত্ব পেয়ে কেমন অনুভব করছেন?

সৈয়দ আশিক রহমান: সবার আগে আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের দর্শকদের। যেকোনও খেলার প্রাণই তো দর্শকরা। এই টুর্নামেন্ট একটা ইতিহাস। এটি দেশের ফুটবলের জন্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার একটি টুর্নামেন্ট। আর এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আমরা এটির অংশ হতে পেরেছি। এর জন্য আমরা গর্বিত। সত্যি বলতে কী, এই টুর্নামেন্ট দিয়ে আমরা জনপ্রিয়তা বা আর্থিক সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করিনি। বরং আমরা ইতিহাসের অংশ হতে পেরেছি, যা আমাদের গর্বিত করেছে।

ইরিন হল্যান্ড: আরটিভি’র সূচনালগ্ন থেকেই এটি সংবাদ ও বিনোদননির্ভর একটি টিভি চ্যানেল। কিন্তু এর থেকে বের হয়ে খেলা দেখানো এতটা সহজ নয়। সেটিও আবার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট। দেশের নারী ফুটবলের জন্য এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন?

সৈয়দ আশিক রহমান: ২০০৬ সালে আরটিভি’র পথচলা শুরু হলেও এবারই প্রথম আমরা চিন্তা করলাম, সরাসরি কোনও টুর্নামেন্ট সম্প্রচারের। আমাদের সৌভাগ্য, শুরুতেই বঙ্গমাতা টুর্নামেন্টকে সামনে পাওয়া। এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে ‘এগিয়ে যাওয়ার নেই মানা’ নামে আরটিভি ৭টি ওয়েভসিরিজও নির্মাণ করেছে। যা সমাজে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে।

এছাড়া আরটিভি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের উপর ভিত্তি করে জীবনধর্মী তথ্যচিত্র সম্প্রচার করেছে, যার কারণে আমরা গর্বিত। আমরা চেষ্টা করেছি, বাংলাদেশের নারী ফুটবলকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার। এর জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও কে-স্পোর্টসকে; তারা আরটিভিকে বেছে নেয়ার জন্য।

ইরিন হল্যান্ড: ভবিষ্যতেও কি আরটিভি এ ধরনের উদ্যোগ নিবে? কেননা, সম্প্রচারের ক্ষেত্রে আপনারা অসাধারণ কাজ করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।

সৈয়দ আশিক রহমান: হ্যাঁ, ভবিষ্যতে ক্রীড়া ক্ষেত্রে নিজেদের আরও ভালোভাবে সংযুক্ত করতে চাই। আমরা আগামীতেও খেলাধুলাকে আমাদের দর্শকদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা করছি। সদ্য শেষ হওয়া বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ৫ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে আরটিভি মিডিয়া টিম। আমাদের লক্ষ্য মানসম্মত অনুষ্ঠান। আমরা চেষ্টা করব ভালো কিছু পৌঁছে দিতে সবার কাছে।

আমি আবারও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), কে-স্পোর্টস ও দর্শকদের। যাদের সমর্থন না পেলে এই টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হতো না।

এমআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়