• ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

পেন্টা মিশনের প্রথমধাপে আয়াক্সের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০১ মে ২০১৯, ০৯:৩২ | আপডেট : ০১ মে ২০১৯, ০৯:৪৮
গোলের পর আয়াক্সের খেলোয়াড়দের উল্লাস

মাঠে নামার আগেই বলা হয়েছিল আয়াক্স-টটেনহ্যাম উভয় দলই কয়েকযুগ পর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তাই উভয় দলের দ্বৈরথে থেমে যেতে হবে এক দলকে। বলা চলে তারুণ্যের মিশেলে গড়া আয়াক্স থামিয়ে দিল টটেনহ্যামকে। নিজেদের মাঠে এগিয়ে থেকে নামবে ইয়োহান ক্রুয়েফের শিষ্যরা। 

সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, জুভেন্টাস স্টেডিয়াম এ দুই জায়গাতেই প্রতিপক্ষকে কাঁদিয়ে সেমিতে সুযোগ পেয়েছিল ডাচ ক্লাবটি। অনেকেই হয়ত ভেবেছিল এতদূর আসাটা তাদের সৌভাগ্য। কিন্তু গতরাতে টটেনহ্যামের বিপক্ষে জয় দিয়ে জানান দিল তাদের সেমিতে আসাটা 'ফ্লুক' নয় কোনওভাবেই। আর এ জয়ে ২০১৮-১৯ চ্যাম্পিয়নস লিগের নক আউট পর্বে প্রতিপক্ষের মাঠে জয়ের 'হ্যাটট্রিক' গড়লো তারা। 

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় টটেনহ্যামের মাঠ হটস্প্যারে আতিথেয়তা নেয় আয়াক্স। ডনি ভ্যান ডিবিকের একমাত্র গোলে হটস্প্যার থেকে জয় নিয়ে ফিরেছে তারুণ্যে গড়া দল আয়াক্স।

পুরো ম্যাচে বল পজিশনে এগিয়ে থাকে টটেনহ্যাম। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল খেয়ে বসে স্বাগতিকরা। এ জন্য তারা বলতে পারে দলের সেরা তারকাদের অনুপস্থিতির কারণে আয়াক্সের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি। ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞা থাকায় হ্যারিকেন, সের্জে অরিয়ের, এরিক লামেলা, হ্যারি উইঙ্কস ও নেই সন হিউং মিন কে পায়নি স্পার্সরা। 

খেলার শুরুতে উভয় দলই বলের পজিশন ধরে রাখতে মনযোগী হয়। নখদন্তহীন স্পার্সকে পেয়ে প্রথমার্ধের শুরুতেই লিড নেয় আয়াক্স। ১৫তম মিনিটে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় চারবারের শিরোপাধারীরা। হাকিম তাদিচের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্পার্সদের গোলরক্ষক লরিসকে পরাস্ত করেন ডনি ভ্যান ডিবিক। ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড অফসাইডে ছিলেন কিনা ভিএআরের সাহায্যে দেখে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। আয়াক্সের হয়ে তার শেষ ৬ গোলের প্রতিটিই এসেছে প্রতিপক্ষের মাঠে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের ইতিহাসে এবারই প্রথম টানা ৯ ম্যাচে গোলের দেখা পেল আয়াক্স। গোলের পর আর পেছনে ফিরতে হয়নি ডাচদের। প্রথমার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ পায় আয়াক্স। কিন্তু ২৪ মিনিটে তাদিচকে পাস না বাড়িয়ে ডি বিকের নেওয়া শট ফিরিয়ে দেন লরিস। 

প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও সেটপিসেই ভরসা রেখেছিলেন পচেত্তিনো, কিন্তু ডেলে আলি এবং ইয়োরেন্তেদের কেউই পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি ওনানা-ডি লিটদের। দ্বিতীয়ার্ধে নেরেসের শট ছাড়া লরিসকে আর বিপাকে ফেলতে পারেনি আয়াক্স। নিজেদের মাঠে একেবারেই গড়পড়তা পারফরম্যান্সের পরও ব্যবধানটা মাত্র এক গোলের হওয়ায় এখনও আশা ছাড়বে না স্পার্স। দ্বিতীয় লেগে ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনাতে ফিরবেন সনও।

তবে নিজেদের মাঠে আয়াক্সও ছেড়ে কথা বলবে না নিশ্চয়ই। কিন্তু ইতিহাস নেই স্পার্সের পক্ষে, চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিতে নিজেদের মাঠে প্রথম লেগ হেরে ফাইনাল খেলেছে কেবল ১টি দল। ২২ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে সেই কীর্তি গড়েছিল আয়াক্স। 

আগামী ৮ মে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগে টটেনহ্যামকে আতিথেয়তা জানাবে। সেই ম্যাচে ড্র করতে পারলেই ফাইনালে চলে যাবে শেষ ষোলোতে রিয়াল মাদ্রিদ ও কোয়ার্টারে জুভেন্টাসকে হারানো ডাচ ক্লাবটি। তবে টটেনহ্যামেরও এখনও সুযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে আয়াক্সের মাঠে তাদের জিততে হবে কমপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে।

এএ/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়

আজকের প্রশ্ন :

  • হ্যাঁ
    ক্লিক করুন
  • না
    ক্লিক করুন
  • মন্তব্য নেই
    ক্লিক করুন
মোট ভোট সংখ্যা : ৮৯