• ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

ক্যাম্প ন্যূয়েই কোয়ার্টার জুজু কাটাতে চায় বার্সা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১০:০৫ | আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১০:২১
ওল্ড ট্রাফোর্ডে আত্মঘাতী গোলে পরাজয়ের পর ক্যাম্প ন্যূয়ে জয়ে ফিরতে মরিয়া ম্যানইউ। তাই দলে ডাকা হয়েছে ন্যূ ক্যাম্পের ঘরের ছেলে আলেক্সিস সানচেজকে। পাশাপাশি দলে ফেরানো হয়েছে নেমানজা ম্যাটিচকে। এদিকে এক ম্যাচের বিশ্রাম শেষে দলে ফিরেছেন বার্সেলোনার নিয়মিত অধিনায়ক লিওনেল মেসি। অন্যদিকে গত তিন মৌসুম ধরে কোয়ার্টারে বাদ যাওয়ার প্রবণতা ন্যূ ক্যাম্প থেকেই কাটাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভালভার্দে শিষ্যরা।

whirpool
চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ক্যাম্প ন্যূয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথেয়তা দিবে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে ইউরোপে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত বার্সা। এর মধ্যে ২৭টি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে।

বার্সেলোনা ন্যূ ক্যাম্পে সবশেষ হেরেছিল ২০১৩ সালে বায়ার্নের বিপক্ষে। গত ৩০ ম্যাচে বার্সেলোনার প্রাপ্ত গোল সংখ্যা ৯৩টি। পক্ষান্তরে হজম করেছে মাত্র ১৫টি গোল। কিন্তু কোয়ার্টারে গত তিন মৌসুম ধরেই জিততে ভুলে গেছে বার্সেলোনা। শেষ পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগে মাত্র একবারই শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয়েছে বার্সেলোনার।

প্রথম লেগে নাকে ব্যাথা পাওয়ায় লা লিগার শেষ ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন মেসি। তবে মেসি বললে ভুল হবে গোলরক্ষক টের স্টেগান ছাড়া সকল খেলোয়াড়রাই ছিলেন বিশ্রামে। তাই আজ চনমনে একটি দল নিয়ে নিজেদের মাঠে নামবে বার্সেলোনা। তবে সবার দৃষ্টি থাকবে মেসির দিকে। কারণ গত ৬ বছর ধরে কোয়ার্টার ফাইনালে গোল পাচ্ছেন না মেসি। তাই সবাই চাইবে বার্সেলোনার নিজের মাঠে মেসি সেই গোল খরা কাটাক।

নিজের মাঠ বলে বার্সা যতই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকুক না কেনো আত্মবিশ্বাসে কিন্তু ঘাটতি পড়ছে না ম্যানইউর। কারণ তারা শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে অবিশ্বাস্যভাবে পিএসজিকে হারিয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে। তাই আজও তারা চাইবে তেমন কিছুই করতে। তবে ক্যাম্প ন্যূতে এমন কাজ করাটা যে কঠিন হবে তাও মানছেন রেড ডেভিল কোচ সুলশার।

সুলশার বলেন, আমরা এক গোলে পিছিয়ে আছি, তবে পিএসজির বিপক্ষে এই দলটা যা করেছে সেটা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা পিএসজির ম্যাচ, জুভেন্টাসের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচগুলো কাজে লাগাব। এ বছর আমরা বেশকিছু বড় দলকে তাদের মাঠে হারিয়েছি। আর সেরা কিছু খেলোয়াড়দের বিপক্ষেও খেলেছি।

ন্যূ ক্যাম্পে অসাধারণ এক স্মৃতি আছে সুলশারের। ১৯৯৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ইনজুরি সময়ে করা তার গোলেই বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়েছিল ইউনাইটেড। পেছন থেকে কিভাবে ফিরে আসা যায় সেটা তো তার ভালোভাবেই জানা।

দলের সেরা তারকা পল পগবাও কোচের মতোই আত্মবিশ্বাসী ন্যু ক্যাম্পে ফিরে আসার ব্যাপারে। পগবা বলেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনাল দারুণ। আমাদের আসলে উপভোগ করতে হবে। সেরাটা দিতে হবে আর বিশ্বাস রাখতে হবে, এ কারণেই আমরা ফুটবল খেলি। এসব দলের বিপক্ষে এরকম ম্যাচ খেলার জন্যই। খেলা শেষ হয়ে যায়নি। আমি জানি এটা বার্সেলোনা, আমি জানি এটা তাদের ঘরের মাঠ। এরপরও ব্যাপারটা ৯০ মিনিটের। মাত্র এক অর্ধ খেলা হয়েছে, এখন দ্বিতীয় অর্ধের পালা!’

অবশ্য বার্সেলোনার গোলরক্ষক টের স্টেগান বলেছেন, ফিরতি পর্বে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে আগ্রাসী ফুটবল খেলবে তার দল। অবশ্যই নিজেদের জাল অক্ষত রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। সব সময়ের মতো আমাদের অনেক দাপটের সঙ্গে খেলতে হবে এবং তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে হবে।

এএ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়

আজকের প্রশ্ন :

  • হ্যাঁ
    ক্লিক করুন
  • না
    ক্লিক করুন
  • মন্তব্য নেই
    ক্লিক করুন
মোট ভোট সংখ্যা : ৮৪