logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

‘হাথুরুসিংহে বকা দিতেন, সুজন স্যার আদর করে বোঝান’

আরটিভি অনলাই রিপোর্ট
|  ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:০০ | আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:২৯
হাথুরুসিংহে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের পুরনো অধ্যায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটে সোনালী সোপান বলা হলে তার সময়কেই বুঝানো হয়। কিন্তু তিনি মাঝপথে বাংলাদেশকে রেখে হঠাৎ করেই বিদায় বলে দেন। যার কারণে তার এ বিদায়কে অনেকে অনেকভাবে মূল্যায়ন করেন। কিন্তু মিডিয়ার সামনে তার বিদায় নিয়ে কোনো কথাই বলেনি শিষ্যরা। বরং মিডিয়াকে সব সময়ই এড়িয়ে চলেছে।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে সব মিলিয়ে সাড়ে তিন বছর ছিলেন। এ সময় কড়া শাসনেই থাকতে হতো ক্রিকেটারদের। চুন থেকে পান খসলেই শাসন করতেন। বকাঝকাও করতেন নিয়মিত। তাকে দেখলেই মনে হতো যেন রূদ্রমূর্তি ধারণ করে আছেন। কদাচিৎ হাসতে দেখা যেত। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে অনেকটা হুট করেই পদত্যাগপত্র জমা দেন হাতুরুসিংহে।

সেই থেকে কোচ শূণ্য বাংলাদেশ। যদিও আসন্ন ত্রিদেশীয় ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অঘোষিত প্রধান কোচের দায়িত্বে রয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। বর্তমানে তার অধীনেই ক্যাম্প করছে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। হাতুরুসিংহের সঙ্গে সুজনের পার্থক্য কি? শনিবার অনুশীলন শেষে বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদকে এমন প্রশ্নই ছুঁড়ে দেয়া হয়েছিল। জবাবে ডানহাতি এই পেসার বললেন, একেক কোচের কাজের ধরণ একেকরকম। গুরু-শিষ্যদের মধ্যে বোঝাপড়ার মাপকাঠিও ব্যক্তিভেদে আলাদা। হাতুরুসিংহে রাগ করলে বকাঝকা করত, কিন্তু সুজন স্যার বকাঝকার সঙ্গে আদর করে বুঝিয়ে শুনিয়ে দেন।

শনিবার মিরপুরের একাডেমি মাঠে ছিল পেস বোলারদের ড্রিল আর ব্যাটিং অনুশীলন। টেল এন্ডারদের ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি কাজ করা হয়েছে যার যার শক্তির জায়গা নিয়ে। ঝালিয়ে নেয়া হয়েছে একুরেসি।

ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ৩২ সদস্যর অনেকেই সুজনের কোচিংয়ে ক্লাব ক্রিকেট ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলেছেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সুজনের অধীনে খেলার ও শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতাও আছে তাসকিনের। পুরনো কোচকে জাতীয় দলে পেয়ে নিজেকে ছন্দে ফেরানোর টোটকাও নাকি পেয়ে গেছেন এই ডানহাতি পেসার।  তাসকিনের শক্তির জায়গাও জানা তার।

আসছে সিরিজকে সামনে রেখে নাকি জোর দিচ্ছেন সেখানেই,  সুজন স্যারের সঙ্গে আমরা বোলাররা যারা আছি তারা ছোটবেলা থেকেই কাজ করছি। কারণ তিনি জানেন কার কি শক্তি। আমার যেটা ন্যাচারাল ইনকাটটা ছিল, আমি হয়ত সাউথ আফ্রিকাতে আউট সুইং নিয়ে বেশি কাজ করতে গিয়ে মূল শক্তির জায়গায় ফোকাস করা হয়নি। এখন আবার সেটা করছি। সুজন স্যার ওখানেই ফোকাস করাচ্ছেন। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে।

ব্যাটিং অনুশীলনের পাশাপাশি দীর্ঘসময় নিয়ে তাসকিনদের স্পট বোলিং ঝালাই হয়েছে। ভিডিও করা হয়েছে অ্যাকশন, আসলে স্কিল নিয়ে ড্রিল করছিলাম। সিম পজিশন ঠিক করা, যার যা শক্তি, আউট সুইং, ইন সুইং, ইনকাট। যা যা শক্তির জায়গা ওটা কিভাবে ইম্প্রুভ করা যায় এবং একুরেসিটা কীভাবে বাড়ানো যায়। 

এএ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়