
ভারতের ব্যাটিং ইনিংস শুরু হওয়ার পর প্রথম ৭০ ওভারের মধ্যে সাকিব আল হাসান বোলিং করেছিলেন ১১ ওভার। কিন্তু উইকেট একটিও পাননি। বরং রান দিয়ে ফেলেছিলেন প্রায় ৫০। ভারতও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে ততক্ষণে।
লিড নিয়ে ফেলেছিল ৩২ রানের। হাতে ছিল আরও ৫ উইকেট। সাকিব এরপর থেকে বল হাতে টানা উইকেট নিতে লাগলেন। এক স্পেলে তুলে নিলেন ৪টি উইকেট। আর তাতে ভারতও নিজেদের শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেললো দ্রুত। ফলে ৫ উইকেট হাতে রেখে ৩২ রানের লিড বাড়াতে পারলো কেবল ৮৭ রান পর্যন্ত।
সাকিবও প্রথমদিকে উইকেট না পাওয়ার আক্ষেপ মেটালেন এক স্পেলেই ৪ উইকেট তুলে নিয়ে। সাকিবের সেই ৪ এবং তাইজুল ইসলামের ৪ উইকেটের বদৌলতে ভারতকেও থামতে হয়েছে ৩১৪ রান করে।
ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৩ রান করেছেন ঋষভ পান্ত। এছাড়াও ৮৭ রান এসেছে শ্রেয়াস আইয়ারের ব্যাট থেকে। এই দুইজন পঞ্চম উইকেটে গড়েছেন ১৫৯ রানের বিশাল জুটি। যে জুটি দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
এই জুটির কল্যাণে ভারত ৮৭ রানে এগিয়ে থেকে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে। যেখানে দিনের বাকি ৬ ওভারের খেলা থেকে মাত্র ৭ রান তুলেছে বাংলাদেশ। আশার বিষয় হচ্ছে, কোনো উইকেটই হারায়নি টাইগার।
ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত এবং জাকির হাসান ৮০ রানে পিছিয়ে থেকে শুরু করবেন। বাংলাদেশ এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২২৭ রান করেছিল।




