logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭

প্রথমবারের মতো ফেডারেশন কাপের ফাইনালে সাইফ

ফাইনালে জায়গা করে নেয়ার সমীকরণের ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। ডি-বক্সের সামনে আবাহনীর ডিফেন্ডার শুকুর আলীর দ্বারা ফাউলের শিকার হন ইকেচুকু কেনেথ। সেখান থেকে সিরাজউদ্দিন রাখমাতুল্লার ফ্রি-কিক প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে ফিরে এলে ফিরতি শট নেন উজবেকিস্তানের এই মিডফিল্ডার। তার শট ধরে ডি-বক্সের ভেতর থেকে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়িয়ে সাইফকে লিড এনে দেন এমানুয়েল আরিওচুকু।

এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সাইফ। ১৬তম মিনিটে লিড দ্বিগুণ করতে পারতো তারা। বাম পাশ থেকে ইয়াসিন আরাফাতের থ্রো ডি-বক্সের ভেতর কেনেথের মাথা ছুঁতে গোলবারে লেগে ফিরে যায়। পাঁচ মিনিট ব্যবধানে আবারও সিরাজউদ্দিনের শট পোস্টের উপর দিয়ে যায়।

শুরু থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলে ক্লান্ত হয়ে পড়া আবাহনী ২৯তম মিনিটে সমতায় ফিরতে পারতো। সতীর্থের পাস ধরে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন দলটির মিডফিল্ডার রাকিব হোসেন। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল পোস্টের উপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠান তিনি।

প্রথম ৩০ মিনিটে আবাহনীর পায়ে বলের দেখা না মিললেও এরপর বদলে যায় মারুফুল হকের দলটা। বল দখলে নিয়ে বেশ ছন্দময় ফুটবল খেলতে থাকে তারা। প্রতিপক্ষকে বল নিয়ে রক্ষণে এগোতেই দেয়নি চট্টগ্রামের দলটি।

বিরতির আগের মিনিটে আবারও লিড দ্বিগুণ করতে পারতো সাইফ। কিন্তু কেনেথের দুর্বল শট আবাহনীর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি। যোগ করা সময়ে বলে সমতায় ফেরার সুবর্ণ পেয়েও পোস্টের বাইরে শট নেয় আবাহনী। ফলে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চট্টগ্রামের দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লিড দ্বিগুণ করার সুযোগ পায় সাইফ। বাম দিক থেকে ডি-বক্সের ভেতরে বল বাড়ান কেনেথ। বলের লাইনে স্লাইড করলেও ছুঁতে ব্যর্থ হন আরিফুল রহমান।

৬১তম মিনিটে আবারও সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়ে শট মিস করেন আবাহনীর জন কার্লেস দিদার। ৭৭তম মিনিটে কোস্টারিকান এই মিডফিল্ডার সাইফের মিডফিল্ডার আল-আমিনকে ৩ মিনিটের ব্যবধানে দু’বার ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন। অবশ্য এর পাঁচ মিনিট আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাইফের ফরোয়ার্ড কেনেথ। ডি-বক্সের বাঁ পাশ থেকে আরিফের বাড়ানো বল প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে সরাসরি জালে জড়ান তিনি।

১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আবাহনী এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। উল্টো নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট পূর্বে আরও একটি গোল হজম করে তারা। মাঝ মাঠ থেকে সিরাজউদ্দিনের ক্রস থেকে বল পেয়ে দ্রুত গতি ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ইয়াসিন আহমেদ। এরপর ডান পাশ থেকে কোনাকুটি শটে দূরের পোস্টের পাস দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। যোগ করা সময়েও কোনো গোল শোধ দিতে না পেরে ৩-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম আবাহনী।

ওয়াই/ এমআর

RTV Drama
RTVPLUS