logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু ৩৩ জন, আক্রান্ত ২৬৫৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৮৯০ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সিলেটে বিএনপির কমিটি নিয়ে আবারও মতবিরোধ

হোসাইন আহমদ সুজাদ, সিলেট
|  ০২ মার্চ ২০২০, ১৭:০৬
সিলেটে বিএনপির কমিটি নিয়ে আবারও মতবিরোধ

সিলেটে বিএনপির কমিটিতে ত্যাগী নেতা-কর্মীরা স্থান পান না- এমন অভিযোগ মাঝে মাঝেই পাওয়া যায়। বিশেষ করে নতুন কোনো কমিটি ঘোষণা করা হলেই বেশ জোরালোভাবে এ দাবি করেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। তাদের অভিযোগ ব্যক্তি বিশেষের পছন্দের সদস্যদের নিয়ে এসব কমিটি গঠন করা হয়। ফলে বিভিন্ন আন্দোলনে তাদের মাঠে পাওয়া যায় না।

এমন কী কমিটি ঘোষণার পরে সিনিয়র ও জুনিয়র নেতারা পদত্যাগের হুমকিও দেন। শুধু বিএনপি নয়, যুবদল ও ছাত্রদলের কমিটির ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা ঘটে।

এই যখন সিলেট বিএনপির অবস্থা ঠিক তখনই আবারও সদ্য ঘোষণা করা কমিটি নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, গত শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) জেলার ১৩ উপজেলা ও ৫টি পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির আহবায়ক কামরুল হুদা কারো মতামত না নিয়ে এই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

ফলে এই আহ্বায়ক কমিটির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ৯ সদস্য। তারা হলেন- কাইয়ূম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন লস্কর, আহমেদুর রহমান চৌধুরী, ইসতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান পাটোয়ারী রিপন ও মাহবুবুল হক চৌধুরী।

তাদের দাবি জেলা আহবায়ক কমিটির বিগত সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত ছিল যে, খসড়া কমিটি তৈরি করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে জেলা আহবায়ক কমিটির পরবর্তী সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে কমিটি ঘোষণা করা হবে। কিন্তু তিনি কোনো সভার আহ্বান না করে কমিটি যেভাবে ঘোষণা করেছেন সেটি সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, এর আগে গেল বছরের ২ অক্টোবর সিলেট জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সে সময় এই কমিটি নিয়ে মত বিরোধ দেখা দেয়। ফলে কমিটির ২৫ সদস্যের নেতারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন।

তাই আহ্বায়ক কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা শাখার কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হলেও উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটি করতে তারা সময় পার করেছেন ৫ মাস। এর কারণ উপজেলা ও পৌর বিএনপিতে নিজেদের পছন্দের লোক ঢুকাতে দুই পক্ষই একে অপরকে ছাড় দিতে রাজি হতেন না। আর এতেই কমিটি গঠনে সময় লেগেছে লম্বা সময়।

গত ১৬ নভেম্বর জেলা বিএনপির বর্ধিত সভায় ১৭টি কমিটির আহ্বায়কের নাম চূড়ান্ত করা হয়। কিন্তু সভা থেকে বের হয়ে একটি অংশ এর বিপক্ষে অবস্থান নেন। এতে ১৭ জন আহ্বায়কের নাম চূড়ান্ত  করেও কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি দলটি।

সর্বশেষ সিলেটের ১৩ উপজেলা ও ৫টি পৌরসভায় একজনকে আহবায়ক ও ২০ জনকে সদস্য করে মোট ১৮টি আহবায়ক কমিটি ঘোষণা দেন সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক চৌধুরী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমাদের সবাইকে নিয়ে মিটিং করে সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা সিলেট জেলার ১৮ টি ইউনিটের আহ্বায়ক ঠিক করেছিলেন। তবে মিটিংয়ে আহ্বায়ক কমিটিতে কারা সদস্য হবেন সেটি নির্ধারণ করা হয়নি।  তাই জেলা কমিটির আহ্বায়ক ১৮ টি ইউনিটের যে কমিটি ঘোষণা করেছেন, তা সঠিক হয়নি।

তবে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা আরটিভি অনলাইনকে জানান, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি সবার সঙ্গে মিটিং করে এই কমিটি ঘোষণা করেছি।

এজে

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ২৪৬৬৭৪ ১৪১৭৫০ ৩২৬৭
বিশ্ব ১৮৭২২০৯০ ১১৯৩৬৭৬৪ ৭০৪৬৭৩
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর পাঠক প্রিয়