Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ২ মাঘ ১৪২৮
discover

যে কারণে বাড়ছে চালের দাম (ভিডিও)

মৌসুম শেষেও চালে ভরপুর বাজার, আমদানি করাগুলোও শেষ হয়নি। তারপরও হু হু করে বাড়ছে চালের দাম। গেল কিছুদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে নাজিরশাইলের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকায়। মিনিকেট ও বিআর-২৮ চালর দামও বেড়েছে পাঁচ থেকে ছয় টাকা করে। বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি বন্ধ থাকায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়েছে নতুন শিল্পপতিদের সিন্ডিকেট।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে, সারাদেশে উৎপাদিত মোট ৩ কোটি ৭৫ লাখ টন চালের প্রায় ৪৫ ভাগের জোগান আসে আমন মৌসুমে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মৌসুমে চালের দাম কম থাকে। তবে এবারের চিত্র একেবারেই ভিন্ন।

রাজধানীতে চালের অন্যতম বড় আড়ৎ পুরান ঢাকার বাবুবাজার। এখানকার ব্যবসায়ীদের দাবি, এ বছর চালের দাম বৃদ্ধি বিরল ঘটনা। সরবরাহ ঠিকঠাক থাকলেও আমদানি থমকে যাওয়ায় বাজারে প্রভাব সৃষ্টি করছে বড় শিল্পপতিদের একটি সিন্ডিকেট।

এক চাল বিক্রেতা বলেন, এক মাস আগে যে নাজিরশাইল ছিল ৬০ টাকা কেজি, বর্তমানে সেটা ৭০ টাকা কেজি। মিনিকেট ছিল ৫৪-৫৫ টাকা করে, সেগুলো এখন ৬০ টাকা কেজি।

অপর বিক্রেতা বলেন, কিছু বড় বড় কোম্পানি একবারে অনেক চাল কিনে নেয়। এরপর তাদের ইচ্ছা মতো রেট দেয়।

চালের দামের উত্তাপ খুচরা বাজারে আরও বেশি। কেজিতে বেড়েছে পাঁচ থেকে ১০ টাকা।

এক চাল বিক্রেতা বলেন, এলসি বন্ধ করে দেওয়ার সাথে সাথেই চালের দাম বাড়তে শুরু করল। যদি এলসি চালু থাকত তাহলে চালের দাম বাড়ত না। এলসি আবার এখন চালু করলে দাম আবার স্থিতিশীল থাকবে।

চালের অতি দামে নাভিশ্বাস উঠছে ভোক্তাদের।

এক ক্রেতা বলেন, আমরা পাঁচ শ' টাকা আয় করতে পারি না। অথচ চাল লাগে দুই শ' টাকার। বাকি তিন শ' টাকায় পরে আর কিছুই হয় না।

শিগগিরিই অভিযান চালিয়ে চালের দাম ভোক্তার নাগালে আনার আহ্বান ভোক্তা অধিকার সংস্থা-ক্যাবের।

কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, বাজার তদারকি হওয়া উচিত কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে। যদি ঠিকভাবে ডিস্ট্রিবিউশন না হয় তাহলে কৃত্রিম সংকট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দেশে বোরো মৌসুমে চাল উৎপাদিত হয় ২ কোটি টন, আর আউশের মৌসুমে ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন।

এনএইচ/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS