Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮

দেশের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব

দেশের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব
দেশের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব

দেশের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব। এ অবস্থায় সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো পশু আসতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানালেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম. রেজাউলি করিম। তিনি জানান, দেশে কোরবানির জন্য গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়া, উট-দুম্বাসহ এক কোটি ১৯ লাখ গবাদি পশু রয়েছে।

কোরবানির ঈদ এলেই সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞার পরেও অবৈধ উপায়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আনে পাচারকারীরা। এতে দেশীয় খামারি ও গৃহস্থদের, গবাদি পশুর দাম পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি নতুন রোগব্যাধির ঝুঁকি তৈরি হয়।

এর গুরুত্ব বিবেচনায় গেল কয়েক বছর ধরে সীমান্তে কঠোর নজরদারি বাড়িয়েছে সরকার। এবারও কোরবানির আগে অন্য দেশের কোন পশু ঢুকতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কোনোভাবেই নিয়ম বহির্ভূত কোনো পশু বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। সেজন্য আমরা সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে যারা আছেন তার বাইরেও অতিরিক্ত বিভিন্ন সংস্থার জনবল নিয়োগ রেখেছি। যাতে কোনোভাবেই যেনো চোরাইপথে পশু আসতে না পারে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু রয়েছে এক কোটি ১৯ লাখ। এর মধ্যে গরু-মহিষ ৪৫ লাখ, ছাগল-ভেড়া ৭৩ লাখ আর উট-দুম্বা রয়েছে চার হাজার ৭৬৫টি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, দেশে কোরবানির জন্য যে পরিমাণ পশুর প্রয়োজন হতে পারে তার থেকে বেশি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আমরা এক কোটি ১৯ লাখ পশু প্রস্তুত রেখেছি কোরবানির চাহিদা মেটাতে, এটা বিগত বছরের থেকে অনেক বেশি। বিগত বছরে আমরা কিন্তু এক কোটি ১৮ লাখ পশু প্রস্তুত রেখেছিলাম। সেখানে দেখা গেছে এক কোটিরও কম পরিমাণ পশু বিক্রি হয়েছে। দেশের গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। তাই এবারও আমদানিতে অনুমতি দেয়া হয়নি।

এসজে/পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS