Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ৮ আষাঢ় ১৪২৮

বেসরকারি সব চললেও সরকারি প্রায় সব দপ্তর বন্ধ (ভিডিও) 

অতিমারি করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানীতে চলছে লকডাউন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যানবাহনসহ ব্যবসা-বাণিজ্য সবই চলছে স্বাভাবিক। তবে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে শুধু জরুরি কিছু সেবা ছাড়া বন্ধ রয়েছে সরকারি প্রায় সব দপ্তর। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন থেকে শুরু করে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীসহ বেশ বিপাকে পড়েছেন সাধারণ সেবা গ্রহণকারীরও। অন্তত ২০ ভাগ কর্মী নিয়ে হলেও সরকারি দপ্তরগুলো খোলা রাখা উচিত বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

চলতি লকডাউনে দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কর্মীদের বেতন-ভাতা ঠিকঠাক রাখতে চালু রয়েছে দেশের প্রায় সব ব্যবসা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সবকিছু স্বাভাবিক চললেও গতি থেমে যাচ্ছে শুধু সরকারি দপ্তরে এসে। প্রয়োজন ছাড়া অফিসে আসছেন না কোনও কর্মকর্তা। ফলে ব্যবসা পরিচালনায় নিবন্ধন কিংবা আমদানি-রপ্তানির জন্য ছাড়পত্র পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের।

সরকারি অফিসের সমস্যা নিয়ে পারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজ আল মাহমুদ মিঠু বলেন, ব্যবসার জন্য সরকারি অফিসে অনেক কাজ থাকে। আর সেই কাজটি যদি না হয় তাহলে ব্যবসার ক্ষতি হয়ে যায় কয়েকগুণ। সরকারি অফিসে কোন প্রয়োজনে গেলে দেখা যায় লকডাউনের কারণে সেই কাজটি হচ্ছে না।

ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি’র (এফবিসিসিআই) নব-নির্বাচিত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কর্মকর্তাও যদি দপ্তর দেখভাল করেন তাতেই সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।

এই সমস্যা নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, লকডাউনের সুযোগ নিয়ে অনেক কর্মকর্তাই দায়িত্বে অবহেলা করছেন। জরুরি সেবা পেতে কোনও ব্যবসায়ী যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জিএম

RTV Drama
RTVPLUS