Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮

বাতাসে করোনা বেশি ছড়ানোর শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে (ভিডিও)

বাতাসে করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে এমন শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছে মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেট। এ বিষয়ে ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডাসহ ৩২ দেশের বিজ্ঞানীরাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাতাসে ছড়ানোর কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণের করোনায় মৃত্যু হার বেশি। আক্রান্ত হলে দেরি না করে বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে ৫ দিনের বেশি জ্বর বা শ্বাসকষ্ট বাড়লে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে।

ফিনল্যান্ডের আলটো ইউনিভার্সিটি, ফিনিশ মেটেরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট, ভিটিটিস টেকনিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও হেলসিঙ্কি ইউনিভার্সিটির গবেষক দল বলছে, বাতাসের মাধ্যমে করোনা বেশি ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়ার তথ্যও দিয়েছে মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেট। ৩২ দেশের ২৩৯ বিজ্ঞানী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠি দিয়ে বলেছে, বায়ুবাহিত সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে করোনাভাইরাস গাইডলাইন আপডেট করা জরুরি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ধরনের ভাইরাস খুবই শক্তিশালী। সংক্রমিত ব্যক্তি থেকে এটি ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত ছড়াচ্ছে।

ইমপালস হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. জহির আল আমিন বলছেন, এটা বায়ুবাহিত রোগ। ৯০ ভাগ কাজ হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার করা। কথা বলার সময় ৬, ৯ এমনকি ২৭ ফুট পর্যন্ত ছড়াচ্ছে। আবার হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় নাক-মুখের সামনে কিছু না ধরায় আরও বেশি ছড়াচ্ছে।

এমন অবস্থায় বর্তমানে সংক্রমণ হার বেড়েছে অনেক। বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও। হাসপাতালে বেড কম থাকা ও সংক্রমণ ঝুঁকির আশঙ্কায় অনেকেই বাসায় থেকেও চিকিৎসা নিচ্ছে।

এ বিষয়ে এক ভুক্তভোগী বলেন, রোগীকে যেহেতু অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেয়া হচ্ছিল তাই বাসায় একজন নার্স রাখো হয়েছিল। বাসা থেকে অক্সিজেন দেয়া হয়েছে। বাসা থেকে তার সুস্থ হতে প্রায় ২০ দিন সময় লেগেছিল। এই সময় বাসার ৫ সদস্যের মধ্যে ৩ জনই করোনা আক্রান্ত হয়েছিল বলেও জানান ওই ভুক্তভোগী।

নতুন ধরনের করোনায় রোগীর অবস্থা দ্রুত অবনতি হয় জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসায় অবস্থান করলেও নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিএসএমএমইউ’র রেসপিরেটরী মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ বলছেন, যারা বাসায় চিকিৎসা নিবেন তাদের জন্য টেলিমেডিসিন খুবই জরুরি। মোটামুটি যে ওষুধগুলো খাওয়া যায়, কী কী করবে সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারিভাবে আইসোলেশান সেন্টার বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে জনসমাগম এড়িয়ে অধিকতর সতর্ক থাকারও পরামর্শ তাদের।

এসআর/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS