Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

এক বছরে কমেছে করোনা শয্যা! (ভিডিও)

এক বছরে কমেছে করোনা শয্যা! (ভিডিও)
এক বছরে কমেছে করোনা শয্যা! (ভিডিও)

সংক্রমণ ও মৃত্যু ভয়াবহ রূপ নিলেও এখনো সারা দেশে করোনা চিকিৎসায় গত ফেব্রুয়ারির চেয়ে কম শয্যা রয়েছে। সে সময় সারা দেশে ১০ হাজার ৩২৩টি করোনা শয্যা ছিল, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯১৮টিতে। করোনা শয্যা বাড়ানোর জন্য এক বছর যথেষ্ট সময় হলেও বরং উল্টো কমেছে এই শয্যা। এদিকে দেশে প্রতিদিন সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েই চলছে। ফলে এক বছর সময় পেলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংক্রমণ সীমা ছাড়ানোয় হাসপাতালগুলো এখন করোনা রোগীর চাপ সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে। ধারণ ক্ষমতার বেশী রোগী ভর্তি করেও পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাচ্ছে না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. নাজমুল হক বলেন, একজন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাকে যদি অক্সিজেন দিতে না পারি তাহলে তার বাসায় থাকা, বাইরে থাকা একই কথা। আমাদের লিমিটেড পোর্ট, আমাদের ৮০০ পোর্ট, এক্ষেত্রে ৮০১ নাম্বার রোগীকে তো আমরা অক্সিজেন দিতে পারছি না। আমরা কত পোর্ট বানাতে পারি, কোথায় বানাতে পারি, এগুলো ব্যাপক প্রক্রিয়ার ব্যাপার।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমাদের শিগগিরই আরও ৫০টি বেড যুক্ত করা হবে। আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে সেভাবে ফেরত দিচ্ছি না। আমাদের কাছে যতগুলো শ্বাসকষ্টের রোগী আসছে, সেখানে খুব কম সংখ্যক রোগী ফেরত দিয়েছি। কোভিডের সক্ষমতা তো নন-কোভিডের মতো না। কোনো ফ্লোর বা বারান্দায় দেয়া যায় না কোভিডদের। এক্ষেত্রে সব মিলে আমরা হয়তো চারশ’র মতো ব্যবস্থা করতে পারি।

দ্বিতীয় ঢেউ যে আরও আগ্রাসী হতে যাচ্ছে সে পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এক বছর সময় পেয়েও কর্তৃপক্ষ কতটা প্রস্তুতি নিতে পেরেছে সে প্রশ্ন সামনে এসেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগরীতে করোনার শয্যা ছিলো ৩ হাজার ২৩৩টি, সারা দেশে ১০ হাজার ৩২৩টি। আর গত ৭ এপ্রিলের তথ্য বলছে মহানগরীতে শয্যা বেড়েছে ৩১৭টি। বিপরীতে সারাদেশে কমেছে ৪০৫টি। প্রস্তুতির ঘাটতি এখানেই স্পষ্ট।

দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের উপর গুরুত্ব দেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন, এখন আমাদের দ্রুত ফিল্ড হাসপাতাল প্রয়োজন। এগুলো স্থাপন করতে খুব বেশি কারিগরি সমস্যা হয় না। রোগীর থাকার জায়গা এবং খাওয়ার সমস্যা ঠিক করতে হয়, তারা যদি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ফ্রি থাকতে পারে তাহলে তাদের হয় তো আইসিইউতে যেতে হবে না।

রোগী সুরক্ষার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সংক্রমণ প্রতিরোধে। তা না হলে পুরো শহরকে হাসপাতাল বানালেও পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে না বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS