logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭

করোনা: রেমিট্যান্স ও পোশাক রপ্তানি কমে ঝুঁকিতে অর্থনীতি (ভিডিও)

করোনার অভিঘাতে রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছে বিশ্বব্যাংক। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন বিদেশে কর্মী পাঠানো মুখ থুবড়ে পড়া এবং রেমিট্যান্স কমতে থাকলে তৈরি হতে পারে দরিদ্রের সংখ্যা। তবে এই ঝুঁকিটা সাময়িক। সেটা কাটাতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা। 

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুটি খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্স। দেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশের মতো অবদান রাখে বিদেশে থাকা এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশির পাঠানো অর্থ। আর দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। করোনা মহামারীর শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা লেগেছে এ দুটি খাতে।

বিশ্বব্যাংকের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক আউটলুকের জানুয়ারি সংখ্যায় বাংলাদেশের এ দুটি খাতে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।

মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে তৈরি পোশাকের চাহিদা কমে যাওয়ায় বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। তবে ঝুঁকিটা বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, পোশাকের ক্ষেত্রে  সামনের তিন মাস ঝুঁকি আছে। আমরা চাই না সামনের তিন মাস আমাদের ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ হয়ে যাক। এ জন্য সরকারের কিছু হলেও প্রণোদনা দিতে পারে বা দেয়া উচিত। 

অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে এবং নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে। তবে নতুন দারিদ্র তৈরি হতে পারে। কি করে বেকারত্ব কমানো যায় তা ভাবতে হবে। 

মহামারীকালেও বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের গতি ছিল ঊর্ধ্বমুখী আর প্রবৃদ্ধির হার ছিল দুই অঙ্কের। কিন্তু প্রতিবছর গড়ে ছয় থেকে সাত লাখ মানুষ বিদেশে গেলেও গেল বছরে তা ছিল দুই লাখেরও কম।

বিশ্বব্যাংক বলেছে করোনা মহামারীর কারণে ব্যবসায় দেউলিয়াত্ব ও বেকারত্ব এবং নতুন দরিদ্রতা সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের ব্যালেন্স শিট দুর্বল হতে পারে।

জিএম/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS