logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৯ আশ্বিন ১৪২৭

'হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে ক্যাবল অপারেটর, চ্যানেল পাচ্ছে না কানাকড়িও' (ভিডিও)

  খান আলামিন, আরটিভি নিউজ

|  ১৪ আগস্ট ২০২০, ১৬:৩৮ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২০, ১৭:৩৫
চাইলেই দেশীয় টেলিভিশনগুলোকে পে-চ্যানেল করতে পারেন মালিকরা। এজন্য সরকারের কোন অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। তবে ডিজিটাইজেশন ছাড়া তা ফলপ্রসূ হবে না। আরটিভির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেছেন। টেলিভিশন খাত সংশ্লিষ্টরাও মনে করছেন আর্থিক সংকট মোকাবেলায় পে-চ্যানেলই অন্যতম সমাধান। 

গ্রাহকরা জি বাংলা, স্টার জলসা, এইচবিও কিংবা অন্যান্য অনেক ভিনদেশী চ্যানেল দেখছেন টাকার বিনিময়ে। প্রতিটি চ্যানেলের জন্য ক্যাবল অপারেটররা পাঁচ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। অথচ দেশের চ্যানেলগুলো বিনোদন দিচ্ছে একদম বিনামূল্যে। কিন্তু ক্যাবল অপারেটররা গ্রাহকদের কাছ থেকে এলাকাভেদে ২শ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ডিশ ফি নিচ্ছেন। ফলে গ্রাহক ক্যাবলটিভি দেখতে যে বিল প্রদান করছেন। তার একটি টাকাও পাচ্ছেন না টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। এর কারণে টেলিভিশনগুলোকে আর্থিক নিরাপত্তার জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে কেবলই বিজ্ঞাপনের উপর। 

গ্রাহকরা যখন টাকা ছাড়া টেলিভিশন দেখেন তখন তাকে বলে এফটিএ বা ফ্রি টু এয়ার। আর টাকা দিয়ে দেখলে বলা হয় পে-চ্যানেল। দেশের সব টিভিই এফটিএভুক্ত। এই বিষয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মালিকরা চাইলে তাদের টেলিভিশন পে-চ্যানেলভুক্ত করতে পারেন। এতে সরকারের কোন বিধিনিষেধ নেই। কে পে চ্যানেল করবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে না। আর গ্রাহকরা এই পে চ্যানেল ব্যবহার করবে কিনা তা গ্রাহকদের ব্যাপার। এখানে সরকার কোনও কিছু চাপিয়ে দিবে না।

গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ ও টেলিভিশন খাত সংশ্লিষ্টরাও দেশীয় টেলিভিশনের আর্থিক সংকট কাটাতে পে-চ্যানেলেই সমাধান দেখছেন। 

গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আ জ ম শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, চ্যানেল মালিকদের যে উদ্যোগ থাকার কথা ক্যাবল অপারেটরদের কাছ থেকে তাদের পাওনা বুঝে নেওয়ার, সেই উদ্যোগটা আমি দেখছি না। যার জন্য সামগ্রিক অর্থে টেলিভিশনগুলো একটা সংকটের মধ্যে আছে।
চ্যানেল ২৪ ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ বলেন, যারা ক্যাবল অপারেটর আছেন তাদের সাথে কীভাবে পে চ্যানেল করে, দেশীয় চ্যানেলগুলোকে সাপোর্ট দেওয়া যায় । তার জন্য এখনই বসা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা বলেন, সাবস্ক্রাইব বাবদ তারা যে টাকা পায় তার একটা অংশ টেলিভিশনকেও পাওয়া উচিৎ। তার জন্য টেলিভিশন মালিকদের উচিৎ তাদের চ্যানেলকে পে চ্যানেল হিসেবে ঘোষণা দেওয়া।

ডিবিসি নিউজ এর চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো যদি এক টাকা করেও পায় এবং যদি দেশে তিন কোটি কানেকশন থাকে তাহলে প্রতিটি চ্যানেল তিন কোটি টাকা করে পাবে।
উৎপাদক উৎপাদন করছে, ভোক্তা টাকার বিনিময়ে ভোগ করছে কিন্তু উৎপাদক কানাকড়িও পাচ্ছে না। কেবল দেশের টেলিভিশন খাতেই এমনটা দেখা যাচ্ছে। দেশে প্রায় তিন কোটি গ্রাহক রয়েছেন। সে হিসেবে প্রায় হাজার কোটি টাকা আদায় করছেন ক্যাবল অপারেটররা। তাই সেখানে টিভি মালিকদেরও একটা হিস্যা পাওয়া যৌক্তিক বলে মনে করেন গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা। 

এসএ/জিএ 

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৫৩৯৫৩ ২৬২৯৫৩ ৫০৪৪
বিশ্ব ৩,১৮,২৪,৯০৮ ২,৩৪,২৭,৯১৮ ৯,৭৬,১৫৫
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ
  • বিশেষ প্রতিবেদন এর পাঠক প্রিয়